ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পায়রা বন্দরের আবাসিক ভবন এলাকায় ফের ধসে পড়েছে দুটি সীমানা দেয়াল রাঙ্গাবালীতে খাল থেকে বালু উত্তোলন করে স্কুল মাঠ ভরাটের অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যান’র বিরুদ্ধে আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও এনসিপি নেতা কাফি, তার পিতা ও বড় ভাইয়ের নামে জমি দখল ও চাঁদাবাজির মামলা কলাপাড়ায় তৃণমূলের ১২ নারী পেল পুকুরে মৎস্য চাষের  উপকরণ  জমি দখলের বিষয়ে মুখ খুললেন এনসিপি নেতা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর কাফি কলাপাড়ায় ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগ, গ্রেফতার-১ ঠিকাদারির নামে প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত প্রণব শাখারি গোপাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও এনসিপি নেতা কাফির বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের জমি দখল রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ কলাপাড়ায় “প্রাণ সংহতি” সম্মাননা পেলেন এসিল্যান্ড। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে পায়রা বন্দরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

পায়রা বন্দরের আবাসিক ভবন এলাকায় ফের ধসে পড়েছে দুটি সীমানা দেয়াল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা বন্দরের আবাসিক ভবন এলাকার ১০০ ফুট দৈর্ঘ্যের দুটি সীমানা দেয়াল ফের ধসে পড়েছে। গতকাল সন্ধ্যা ওই এলাকার উত্তর পাশের ছয়আনি খালের মধ্যে ওই সীমানা দেয়াল দুটি ধসে পড়ে। সীমানা দেয়াল নির্মানে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় এমন দুরাবস্থা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। এর আগে ২০২৩ সালোর জানুয়ারীতে নির্মান কাজ শেষ হওয়ার আগে ওই একই এলাকার ১০০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সীমানা দেয়াল খালের দিকে হেলে পড়ে। এছাড়া একই বছরের ৩০ জুন নির্মান কাজ শেষ হওয়ার আগে আরও একটি সীমানা দেয়াল ধ্বস এবং ৩ টি দেয়াল হেলে পড়ে। বর্তমানে ঝুঁকিতে রয়েছে প্রায় ৩ হাজার ফুটের গাইড ওয়াল। ৩ বছরের ব্যবধানে ফের দেয়াল ধসে পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয়রা।

পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে এবিএম ওয়াটার কোম্পানি নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ হাজার ফুট দৈর্ঘ্যের এ সীমানা প্রাচীরটি নির্মান করে। 

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শফিরুল হাওলাদার বলেন, পায়রা বন্দরেরর ঠিকাদার কাজটি ভালো করে নাই যার কারণে না কয়েক বছর আগে দেয়ালটি ধ্বসে পড়েছে। এবার পশ্চিম পাশ থেকে দেয়ালটি খালের মধ্যে ধসে পড়েছে। যার কারনে সরকারের কোটি কোটি টাকা লস হচ্ছে। এই দেয়ালটি সঠিকভাবে নির্মাণ করা হোক এই দাবি সরকারের প্রতি রইল। 

আব্দুল জলিল জানান, ২০২৩ সালে পশ্চিম পাশ থেকে এই দেয়ালটি ধ্বসে পড়ে। গত দুদিন আগে থেকে দেয়ালটি হেলে পরে খালের মধ্যে। গতকাল সন্ধ্যার পর পুরোপুরি ধ্বসে পড়ে। পরিকল্পিতভাবে করা হলে দেয়ালটি ধসে পড়ার ঘটনাটি ঘটত না। তাই কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাই টেকসই ভাবে দেয়ালটি নির্মাণ  করা হয়। 

পায়রা বন্দরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তফা আশিক আলি জানান, বিষয়টি তাদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে। ভারী বর্ষনের কারনে দেয়ালের নীচের মাটি সরে গিয়ে এটা ঘটেছে । বৃষ্টি বন্ধ হলে এটা ঠিকাদার কর্তৃক  দ্রুত  মেরামত করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পায়রা বন্দরের আবাসিক ভবন এলাকায় ফের ধসে পড়েছে দুটি সীমানা দেয়াল

আপডেট সময় : ০৫:০৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা বন্দরের আবাসিক ভবন এলাকার ১০০ ফুট দৈর্ঘ্যের দুটি সীমানা দেয়াল ফের ধসে পড়েছে। গতকাল সন্ধ্যা ওই এলাকার উত্তর পাশের ছয়আনি খালের মধ্যে ওই সীমানা দেয়াল দুটি ধসে পড়ে। সীমানা দেয়াল নির্মানে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় এমন দুরাবস্থা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। এর আগে ২০২৩ সালোর জানুয়ারীতে নির্মান কাজ শেষ হওয়ার আগে ওই একই এলাকার ১০০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সীমানা দেয়াল খালের দিকে হেলে পড়ে। এছাড়া একই বছরের ৩০ জুন নির্মান কাজ শেষ হওয়ার আগে আরও একটি সীমানা দেয়াল ধ্বস এবং ৩ টি দেয়াল হেলে পড়ে। বর্তমানে ঝুঁকিতে রয়েছে প্রায় ৩ হাজার ফুটের গাইড ওয়াল। ৩ বছরের ব্যবধানে ফের দেয়াল ধসে পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয়রা।

পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে এবিএম ওয়াটার কোম্পানি নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ হাজার ফুট দৈর্ঘ্যের এ সীমানা প্রাচীরটি নির্মান করে। 

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শফিরুল হাওলাদার বলেন, পায়রা বন্দরেরর ঠিকাদার কাজটি ভালো করে নাই যার কারণে না কয়েক বছর আগে দেয়ালটি ধ্বসে পড়েছে। এবার পশ্চিম পাশ থেকে দেয়ালটি খালের মধ্যে ধসে পড়েছে। যার কারনে সরকারের কোটি কোটি টাকা লস হচ্ছে। এই দেয়ালটি সঠিকভাবে নির্মাণ করা হোক এই দাবি সরকারের প্রতি রইল। 

আব্দুল জলিল জানান, ২০২৩ সালে পশ্চিম পাশ থেকে এই দেয়ালটি ধ্বসে পড়ে। গত দুদিন আগে থেকে দেয়ালটি হেলে পরে খালের মধ্যে। গতকাল সন্ধ্যার পর পুরোপুরি ধ্বসে পড়ে। পরিকল্পিতভাবে করা হলে দেয়ালটি ধসে পড়ার ঘটনাটি ঘটত না। তাই কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাই টেকসই ভাবে দেয়ালটি নির্মাণ  করা হয়। 

পায়রা বন্দরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তফা আশিক আলি জানান, বিষয়টি তাদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে। ভারী বর্ষনের কারনে দেয়ালের নীচের মাটি সরে গিয়ে এটা ঘটেছে । বৃষ্টি বন্ধ হলে এটা ঠিকাদার কর্তৃক  দ্রুত  মেরামত করা হবে।