ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও এনসিপি নেতা কাফি, তার পিতা ও বড় ভাইয়ের নামে জমি দখল ও চাঁদাবাজির মামলা কলাপাড়ায় তৃণমূলের ১২ নারী পেল পুকুরে মৎস্য চাষের  উপকরণ  জমি দখলের বিষয়ে মুখ খুললেন এনসিপি নেতা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর কাফি কলাপাড়ায় ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগ, গ্রেফতার-১ ঠিকাদারির নামে প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত প্রণব শাখারি গোপাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও এনসিপি নেতা কাফির বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের জমি দখল রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ কলাপাড়ায় “প্রাণ সংহতি” সম্মাননা পেলেন এসিল্যান্ড। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে পায়রা বন্দরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন কলাপাড়া পৌর শহর ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি নাজমুল, রাসেল সম্পাদক নির্বাচিত হায়াতো ও মোকো এডিশন স্মার্টওয়াচ এবং হেডফোন আনল ওরাইমো

কলাপাড়ায় তৃণমূলের ১২ নারী পেল পুকুরে মৎস্য চাষের  উপকরণ 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৩:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় তৃণমূলের ১২ জন নারী পেল গৃহস্থালি পুকুরে মৎস্য চাষের উপকরণ। সোমবার বিকেলে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপকারভোগী মৎস্য চাষী নারীদের মাঝে প্রধান অতিথি হিসেবে মৎস্য উপকরণ তুলে দেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  মো. আরিফুজ্জামান। 

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো ইয়াসীন সাদেক, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা,উপসহকারী কর্মকর্তা মো মহসিন সহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মৎস্যজীবী পরিবারের সদস্যরা।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্প (৩য় পর্যায়) এর অধীনে পুকুরে মৎস্য চাষ প্রদর্শনী প্রকল্পের আওতায় ইউনিয়ন পর্যায়ের ১২ জন নারী প্রত্যেককে ১ বস্তা খৈল, ৬ বস্তা মাছের খাবার, ১০ টি গাছের চারা, ৫ প্যাকেট সবজির বীজ, ১ কয়েল জাল ও  ২০০০ পিস করে মাছের পোনা বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের উপকারভোগী মৎস্য চাষী মোসা. জাহানারা বেগম (৪২) বলেন, ‘অভাব অনটনের মধ্য দিয়ে কোনভাবে  সংসার চলছিল। এরপর মৎস্য চাষ প্রশিক্ষণ পেয়ে বাড়ির পুকুরে মৎস্য চাষ শুরু করি। মৎস্য অফিসের পরামর্শ ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রথম বছরেই সব খরচ বাদ দিয়ে লাভের মুখ দেখি। এতে মৎস্য চাষে অনেকটা সাহস পাই। আজ আবার অফিস থেকে বিনামূল্যে অনেক মৎস্য চাষ উপকরণ পেয়েছি। কোন রকমের রোগ কিংবা দুর্যোগ না হলে আশা করছি মাছ বড় হলে বিক্রি করে ভালো দাম পাবো।’

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্পের অধীন ১২ ইউনিয়নের ১২ জন নারীকে বিনামূল্যে মৎস্য উপকরণ সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া আরও  ২টা অল মেইল গলদা চিংড়ী চাষ প্রদর্শনী ও ২টা কার্প জাতীয় মাছ 

প্রদর্শনী জন্য ১টা এয়ারেটর, ২ বস্তা চুন এবং প্রয়োজনীয় চিংড়ি রেনু মাছের পোনা সরবরাহ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কলাপাড়ায় তৃণমূলের ১২ নারী পেল পুকুরে মৎস্য চাষের  উপকরণ 

আপডেট সময় : ১০:১৩:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় তৃণমূলের ১২ জন নারী পেল গৃহস্থালি পুকুরে মৎস্য চাষের উপকরণ। সোমবার বিকেলে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপকারভোগী মৎস্য চাষী নারীদের মাঝে প্রধান অতিথি হিসেবে মৎস্য উপকরণ তুলে দেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  মো. আরিফুজ্জামান। 

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো ইয়াসীন সাদেক, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা,উপসহকারী কর্মকর্তা মো মহসিন সহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মৎস্যজীবী পরিবারের সদস্যরা।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্প (৩য় পর্যায়) এর অধীনে পুকুরে মৎস্য চাষ প্রদর্শনী প্রকল্পের আওতায় ইউনিয়ন পর্যায়ের ১২ জন নারী প্রত্যেককে ১ বস্তা খৈল, ৬ বস্তা মাছের খাবার, ১০ টি গাছের চারা, ৫ প্যাকেট সবজির বীজ, ১ কয়েল জাল ও  ২০০০ পিস করে মাছের পোনা বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের উপকারভোগী মৎস্য চাষী মোসা. জাহানারা বেগম (৪২) বলেন, ‘অভাব অনটনের মধ্য দিয়ে কোনভাবে  সংসার চলছিল। এরপর মৎস্য চাষ প্রশিক্ষণ পেয়ে বাড়ির পুকুরে মৎস্য চাষ শুরু করি। মৎস্য অফিসের পরামর্শ ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রথম বছরেই সব খরচ বাদ দিয়ে লাভের মুখ দেখি। এতে মৎস্য চাষে অনেকটা সাহস পাই। আজ আবার অফিস থেকে বিনামূল্যে অনেক মৎস্য চাষ উপকরণ পেয়েছি। কোন রকমের রোগ কিংবা দুর্যোগ না হলে আশা করছি মাছ বড় হলে বিক্রি করে ভালো দাম পাবো।’

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্পের অধীন ১২ ইউনিয়নের ১২ জন নারীকে বিনামূল্যে মৎস্য উপকরণ সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া আরও  ২টা অল মেইল গলদা চিংড়ী চাষ প্রদর্শনী ও ২টা কার্প জাতীয় মাছ 

প্রদর্শনী জন্য ১টা এয়ারেটর, ২ বস্তা চুন এবং প্রয়োজনীয় চিংড়ি রেনু মাছের পোনা সরবরাহ করা হয়েছে।