কলাপাড়ায় ফানুস উড়ানোর মধ্য দিয়ে শেষ হলো প্রবারনা উৎসব
- আপডেট সময় : ১০:২৮:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫ ৯৮ বার পড়া হয়েছে
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বৌদ্ধ বিহারগুলোতে উদযাপিত হয়েছে প্রবারনা উৎসব। সোমবার রাত আটটায় কলাপাড়ার নতুনপাড়া বৌদ্ধ বিহারে ফানুস উড়ানোর মধ্য দিয়ে শেষ হয় এ উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। এছাড়া কুয়াকাটার রাখাইনপাড়া, মহিপুরের কালাচানপাড়া, অমখোলাপাড়া, মিস্রিপাড়া ও নয়াপাড়া রাখাইন পল্লীতে শত শত ফানুস উড়িয়ে এ উৎসবের সমাপ্তি করা হয়।
এসময় আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠেন রাখাইন নর-নারীরা। এর আগে গৌতম বুদ্ধকে স্মরনে হাজারো প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়। উৎসবকে ঘিরে বৌদ্ধবিহার গুলো সজ্জিত করা হয় বর্নিল আলোকসজ্জায়। দেশের নানা প্রান্ত থেকে বৌদ্ধ ধর্মের লোকেরা জমায়েত হয়েছে বৌদ্ধ বিহারে এ উৎসবকে পালন করেছে। পাড়ায় পাড়ায় নানা বয়সের রাখাইন নারী পুরুষরা নতুন পোশাক পরিধান করে বৌদ্ধ বিহারে অংশ গ্রহন করে। অতিথিদেরকে নিজস্ব সংস্কৃতিতে তৈরি করা নানান পিঠাপুলি আর হরেক রকমের খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।
মিশ্রীপাড়া সিমা বৌদ্ধ বিহারের সভাপতি মংলাচি তালুকদার বলেন, এটা আমাদের প্রধান উৎসবের মধ্যে অন্যতম উৎসব। জগতের সবার মঙ্গল কামনা করেছি। আলোর ঝলকানিতে ফানুস উড়ানো হয়েছে।
কুয়াকাটার মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ বিহারের উত্তম ভিক্ষু বলেন, আজ থেকে আড়াই হাজার বছর আগে গৌতম বুদ্ধ বুদ্ধত্ব লাভের পর আষাঢ়ী পূর্নিমা থেকে আশ্বিনী তিথি পর্যন্ত তিন মাস বর্ষাবাস পালন করে প্রবারণা উৎসব পালন করে আসছে। আজকে ভানুস উড়িয়েছি। গৌতম বুদ্ধের কাছে চেয়েছি জাগতিক সবাই ভালো থাকুক। কারো অমঙ্গল না হোক।
কলাপাড়া পৌর শহরের নতুন পাড়া রাখাইন কো কো মং বলেন, আমরা মাথার চুল কেটে ফানুস উড়িয়ে গৌতম বুদ্ধকে উৎসর্গ করেছি। সব ধর্ম বর্ণের মানুষ বিশ্বের সবাই ভালো থাকে মারামারি হানাহানি রক্তপাত চাই না। সকলের শান্তি কামনায় এই ফানুস উৎসব পালন করেছি।
এ উৎসবে অংশ নেয় কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা। আগামীকাল থেকে শুরু হবে কঠিন চিবরদান অনুষ্ঠান।









