ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারি চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধি: স্বচ্ছতা ও যোগ্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্য সাতক্ষীরায় মাদকসহ দুই পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার: দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেটের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের সফট ওপেনিং ১৬ ডিসেম্বর: বিমানমন্ত্রী চমেক হাসপাতালের মেঝেতে রোগীর চরম দুর্দশা: মাথার ওপর ঝুলছে ঝুঁকিপূর্ণ মাল্টিপ্লাগ ও বৈদ্যুতিক তার নেপালের নুওয়াকোটে ভয়াবহ বন্যা: ধ্বংসস্তূপে ৮২ বছরের মাকে খুঁজছেন ছেলে বিষ্ণু পান ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে প্রাডার ককটেল ইভেন্টে সুনেরাহর নজরকাড়া বোল্ড লুক বজ্রপাতে নিখোঁজ জেলের মরদেহ দুইদিন পর উদ্ধার। কলাপাড়ায় পৃথক অভিযানে ৯৫ পিস ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার বাবার নামের সঙ্গে মিল থাকায় ২০ দিনের কারাভোগ করলেন নিরপরাধ জলিল। কবি-সাহিত্যিকদের একত্রিত করে কাব্যগ্রন্থ কবিতা কানন বইটি প্রকাশ

শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের সফট ওপেনিং ১৬ ডিসেম্বর: বিমানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কি ঘটেছে?
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, আগামী ১৬ ডিসেম্বর সম্ভাব্য তারিখ ধরে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের ‘সফট ওপেনিং’-এর কার্যক্রম এগিয়ে চলেছে। তবে এই টার্মিনালটি পুরোপুরিভাবে যাত্রীদের জন্য চালু হতে আরও কিছু সময় প্রয়োজন হবে। মঙ্গলবার সকালে টার্মিনালের সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এই ঘোষণা দেন।

মূল কারণ কী?
গত সরকারের আমলে শুধুমাত্র রাজনৈতিক চমক সৃষ্টির জন্য তাড়াহুড়ো করে এই টার্মিনালের ভবন উদ্বোধন করা হয়েছিল, কিন্তু এর পেছনের কারিগরি প্রস্তুতি বা চালুর সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা ছিল না। ভবনে প্রয়োজনীয় অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়নি এবং অপারেশনাল কোনো রূপরেখাও প্রস্তুত করা ছিল না। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এসে সেই অসম্পূর্ণ কাজগুলো গুছিয়ে আনছে এবং আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন ও জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে সুসমন্বয়ের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কার্যক্ষমতা অর্জনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

রাজস্ব ভাগাভাগি ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে কী পরিবর্তন আসছে?
পূর্বের চুক্তি অনুযায়ী টার্মিনালের রাজস্বের মাত্র ১৫ শতাংশ পাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের এবং বাকি ৮৫ শতাংশ নেওয়ার কথা ছিল জাপানি কোম্পানির। তবে বর্তমান সরকারের জোরালো কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে এই অসম অনুপাত পরিবর্তন করে বাংলাদেশের অংশ বাড়িয়ে ২৭ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে। এছাড়া, যাত্রীদের ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং সেবার মান বাড়াতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাশাপাশি দ্বিতীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ‘কেপিআই’ (KPI) বা কি পারফরম্যান্স ইনডিকেটরের মাধ্যমে কঠোরভাবে মনিটর করা হবে। বর্তমানে যেখানে প্রথম ব্যাগেজ পেতে ১৮ মিনিট সময় লাগে, তা আরও কমিয়ে আনার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চলছে।

সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতিক্রিয়া কী?
বিমানবন্দরের এই মেগা প্রকল্পের গতি প্রকৃতি এবং সেবার মানোন্নয়নের উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। সাধারণ যাত্রীরা দীর্ঘদিন ধরে লাগেজ ডিলে এবং হযবরল ব্যবস্থাপনার শিকার হয়ে আসছিলেন। সরকারের পক্ষ থেকে রাজস্ব পুনর্বিন্যাস ও দ্বিতীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার যুক্ত করার পদক্ষেপে যাত্রী সাধারণ মনে করছেন যে, আগামী বিজয় দিবসে সফট ওপেনিংয়ের মাধ্যমে দেশের এভিয়েশন খাতে একটি নতুন এবং স্বস্তিদায়ক অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি এবং ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন উপস্থিত থেকে এই রূপরেক্ষাকে আরও বেশি গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের সফট ওপেনিং ১৬ ডিসেম্বর: বিমানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:৪৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কি ঘটেছে?
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, আগামী ১৬ ডিসেম্বর সম্ভাব্য তারিখ ধরে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের ‘সফট ওপেনিং’-এর কার্যক্রম এগিয়ে চলেছে। তবে এই টার্মিনালটি পুরোপুরিভাবে যাত্রীদের জন্য চালু হতে আরও কিছু সময় প্রয়োজন হবে। মঙ্গলবার সকালে টার্মিনালের সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এই ঘোষণা দেন।

মূল কারণ কী?
গত সরকারের আমলে শুধুমাত্র রাজনৈতিক চমক সৃষ্টির জন্য তাড়াহুড়ো করে এই টার্মিনালের ভবন উদ্বোধন করা হয়েছিল, কিন্তু এর পেছনের কারিগরি প্রস্তুতি বা চালুর সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা ছিল না। ভবনে প্রয়োজনীয় অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়নি এবং অপারেশনাল কোনো রূপরেখাও প্রস্তুত করা ছিল না। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এসে সেই অসম্পূর্ণ কাজগুলো গুছিয়ে আনছে এবং আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন ও জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে সুসমন্বয়ের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কার্যক্ষমতা অর্জনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

রাজস্ব ভাগাভাগি ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে কী পরিবর্তন আসছে?
পূর্বের চুক্তি অনুযায়ী টার্মিনালের রাজস্বের মাত্র ১৫ শতাংশ পাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের এবং বাকি ৮৫ শতাংশ নেওয়ার কথা ছিল জাপানি কোম্পানির। তবে বর্তমান সরকারের জোরালো কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে এই অসম অনুপাত পরিবর্তন করে বাংলাদেশের অংশ বাড়িয়ে ২৭ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে। এছাড়া, যাত্রীদের ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং সেবার মান বাড়াতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাশাপাশি দ্বিতীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ‘কেপিআই’ (KPI) বা কি পারফরম্যান্স ইনডিকেটরের মাধ্যমে কঠোরভাবে মনিটর করা হবে। বর্তমানে যেখানে প্রথম ব্যাগেজ পেতে ১৮ মিনিট সময় লাগে, তা আরও কমিয়ে আনার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চলছে।

সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতিক্রিয়া কী?
বিমানবন্দরের এই মেগা প্রকল্পের গতি প্রকৃতি এবং সেবার মানোন্নয়নের উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। সাধারণ যাত্রীরা দীর্ঘদিন ধরে লাগেজ ডিলে এবং হযবরল ব্যবস্থাপনার শিকার হয়ে আসছিলেন। সরকারের পক্ষ থেকে রাজস্ব পুনর্বিন্যাস ও দ্বিতীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার যুক্ত করার পদক্ষেপে যাত্রী সাধারণ মনে করছেন যে, আগামী বিজয় দিবসে সফট ওপেনিংয়ের মাধ্যমে দেশের এভিয়েশন খাতে একটি নতুন এবং স্বস্তিদায়ক অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি এবং ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন উপস্থিত থেকে এই রূপরেক্ষাকে আরও বেশি গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।