কলাপাড়ায় কৃষি জমির চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়ে ৭ লাখ টাকা চাঁদা দাবীর অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৯:৫৭:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
মো:ফরিদ উদ্দিন,কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)প্রতিনিধি।। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃষি জমির চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়ে ৭ লাখ টাকা চাঁদা দাবী অভিযোগ উঠেছে এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী (৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার) বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যজিস্ট্রেট আদালতে ২ জনার নাম উল্লেখ করে একটি চাঁদাবাজী মামলা দায়ের করেছেন। গত ২৯ জুলাই বুধবার উপজেলার বালীয়াতলী ইউপির বড় বালীয়াতলী গ্রামে এই চাঁদা দাবীর ঘটনা ঘটে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার নিবারণে ভুক্তভোগী অহিদুজ্জামান মুসা উল্লেখ করেছেন, প্রভাশালী তুহিন বিশ্বাস একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং চাঁদাবাজ। তাই তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পাচ্ছে না স্থানীয়রা। তিনি উল্লেখ করেছেন,বালিয়াতলী মৌজার ৫৫০ বিএস খতিয়ান থেকে ২০১০ সালে ১ একর ৪৮ শতাংশ জমি সাব কবলা ক্রয় করেন তিনি। এর পরে সকল কাগজ সম্পাদন করে তিনি দীর্ঘ ১৬ বছর বর্গাচাষের মাধ্যমে ভোগ দখল করে আসছিলেন। কিন্তু (২৯ জুলাই) হঠাৎই জানতে পারেন তার সেই জমিতে গিয়ে প্রভাবশালী তুহিনের নেতৃত্বে চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়েছে অজ্ঞাতনামা সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। এবং চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়ে তার বর্গা চাষিকে মারধর করেন তারা। তিনি মামলায় উল্লেখ করেন, এ ঘটনার খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে অন্তত ৭ লাখ টাকা চাঁদার দাবী করেন হামলাকারীরা। আর নাহলে চাষাবাদ বন্ধ করা সহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে সশস্ত্র অভিযুক্তরা। ভুক্তভোগী মুসা বলেন, আমি হঠাৎই অবাক বনে গিয়েছি। কিভাবে অনাধিকার প্রবেশ করে চাষ বন্ধ রেখে চাঁদা দাবী করতে পারে। তিনি বলেন, ক্ষমতার পালা বদলে এরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তুহিনে শশুর ক্ষমতাসীন দলের নেতা হওয়ায় তার প্রভাব খাটিয়ে এলাকার মানুষকে তটস্থ করে রাখার চেষ্টা করছে এরা। এবং তুহিনেট স্ত্রী লিনা মোনালিসা একজন মহিলা ক্যাডার। তার দাপট আন্দাজ করাও অসম্ভব। মুসার অভিযোগ, যে জমি দীর্ঘ বছর ধরে চাষাবাদ করে আসছি সেখানে চাঁদা দেব কেন? তাও নিজের জমিতে চাষাবাদ করতে চাঁদা দিতে হবে এর চেয়ে করুন আর কি হতে পারে। তাই এ ঘটানার দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন তিনি। তবে এবিষয়ে প্রধান অভিযুক্ত তুহিন বিশ্বাস অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, মুসা আমার স্ত্রীর নিকট আত্মীয়। ওই জমিতে আমাদেরও একটি দলিল রয়েছে। একই ক্ষতিয়ানে ক্রয়কৃত জমির মালিক আমি এবং আমার স্ত্রী। তিনি বলেন, আমাদের জমি সহ তিনি চাষাবাদ করছেন, তাই চাষ বন্ধ করেছি। ঝামেলা নিষ্পত্তি হলে তার জমি তিনি চাষাবাদ করবেন। কিন্তু চাঁদা দাবী তো দূরে থাক তার সঙ্গে আমার কোন কথাই হইনি। যা কথা হয়েছে আমার স্ত্রীর সঙ্গে।কলাপাড়া থানার সেকেন্ড অফিসার (এসআই) জাকির হোসেন বলেন, এ বিষয়ে বিজ্ঞ আদালত থেকে কোন তদন্তভার আমাদের কাছে আসেনি। যদি আসে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



















