ঢাকা ১২:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়া সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি ইউসুফ, সম্পাদক ইলিয়াস জাবেদ কলাপাড়া ধানখালী ডিগ্রি কলেজ শিক্ষক কর্তৃক অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত: সরকারি কাজে বাধা প্রদানের দায়ে অধ্যক্ষের মামলা। কলাপাড়ায় আগামীকাল শুরু হবে রাখাইন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা কলাপাড়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন ‘আমি আপনাদের সেবক, আপনাদের কর্মচারী’-এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি   কালবৈশাখী তান্ডবে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বিভিন্ন এলাকায় রাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সজল গাইন বার কাউন্সিলে পরিক্ষায় উত্তীর্ণ। অনৈতিক ভিডিও ভাইরলের ঘটনায় খেপুপাড়া  বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত কলাপাড়ায় এ্যাডভোকেট রুবেলের দাফন সম্পন্ন: বিভিন্ন মহলের শোক

বিয়ের প্রলোভনে ৪৭ লাখ টাকা  ও সর্বস্ব হারিয়ে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে নারীর সংবাদ সম্মেলন

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫ ১৪৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিয়ের প্রলোভনে অর্থ ও সম্পদের সঙ্গে  সর্বস্ব হারিয়ে লালুয়া ইউনিয়ন

বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর প্যাদার বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন  মরিয়ম বেগম(৪৩)  নামের এক নারী। মঙ্গলবার বেলা এগারোটায় কলাপাড়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট ফোরামে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ওই নারীর পিতা মো. মোসলেম দফাদার, ভাই মো. আব্দুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে মরিয়ম বেগম বলেন,  বালিয়াতলী  ইউনিয়নের দিগর বালিয়াতলী   গ্রামের বাসিন্দা মৃত আফতের গাজীর ছেলে  কামাল হোসেন  সঙ্গে তার  বিয়ে হয়। বিয়ের ১৭  বছর পর কামাল হোসেনের মৃত্যু হয়। সেই সংসারে তাদের ২ ছেলে ও ১  মেয়ে রয়েছে। ওই নারীর স্বামী কামাল হোসেন জীবিত থাকা অবস্থায় তাদের বাড়ির পাশে লালুয়া ইউনিয়নের  কলাউপাড়া গ্রামের  বাসিন্দা ইয়াসিন প্যাদার ছেলে মজিবর প্যাদা মাছের ব্যবসা করত। সেই সুবাদে তাদের  বাড়িতে যাতায়াত ছিলো। তার স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে ওই নারীকে বিয়ে করার জন্য বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে আসছিলো মজিবর। পরবর্তীতে ৪ বছর আগে পটুয়াখালী নিয়ে গিয়ে ভুয়া কাবিন নামার মাধ্যমে বিয়ের নাটক সাজিয়ে স্ত্রী হিসেবে ওই নারীকে গ্রহন করে মজিবর। পরে তার পিতা-মাতাসহ পরিবারের সকলকে সন্তুষ্ট করে তাদের সম্পত্তি আত্মসাতের পথে নামে মজিবর। 

২০২১ সালে আমাদের বসতবাড়িসহ জমি পায়রা বন্দরের অধিগ্রহন করে। অধিগ্রহনকৃত আমার এবং আমার ভাই আব্দুর রহমান এর ৪৭ লাখ টাকা কৌশলে আত্মসাৎ করে সটকে পরে। টাকা এবং স্ত্রীর অধিকার আদায়ে গেলেই ২৭ লাখ টাকা দেয়ার কথা বলে আমাকে তাড়িয়ে দেয়াহয়। টাকা এবং স্বামীর অধিকার চাওয়ায় মজিবুর রহমান মরিয়ম বেগম এবং তার বাবা মোসলেম দফাদার, ভাই আব্দুর রহমানকে আসামী করে কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করে হয়রানী করছে। বিধবা নারী প্রতিকার ও ন্যায় বিচারের নিশ্চিতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছেন। 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মজিবর প্যাদা বলেন,মরিয়ম বেগমের সাথে আমার কোন বৈবাহিক সম্পর্ক নেই। তাদের কাছে আমি টাকা পাবো। এজন্য মামলা দায়ের করেছি, মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। পাওনা টাকা যাতে চাইতে না পারি এজন্য আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। তাদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিয়ের প্রলোভনে ৪৭ লাখ টাকা  ও সর্বস্ব হারিয়ে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে নারীর সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৬:৪৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিয়ের প্রলোভনে অর্থ ও সম্পদের সঙ্গে  সর্বস্ব হারিয়ে লালুয়া ইউনিয়ন

বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর প্যাদার বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন  মরিয়ম বেগম(৪৩)  নামের এক নারী। মঙ্গলবার বেলা এগারোটায় কলাপাড়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট ফোরামে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ওই নারীর পিতা মো. মোসলেম দফাদার, ভাই মো. আব্দুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে মরিয়ম বেগম বলেন,  বালিয়াতলী  ইউনিয়নের দিগর বালিয়াতলী   গ্রামের বাসিন্দা মৃত আফতের গাজীর ছেলে  কামাল হোসেন  সঙ্গে তার  বিয়ে হয়। বিয়ের ১৭  বছর পর কামাল হোসেনের মৃত্যু হয়। সেই সংসারে তাদের ২ ছেলে ও ১  মেয়ে রয়েছে। ওই নারীর স্বামী কামাল হোসেন জীবিত থাকা অবস্থায় তাদের বাড়ির পাশে লালুয়া ইউনিয়নের  কলাউপাড়া গ্রামের  বাসিন্দা ইয়াসিন প্যাদার ছেলে মজিবর প্যাদা মাছের ব্যবসা করত। সেই সুবাদে তাদের  বাড়িতে যাতায়াত ছিলো। তার স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে ওই নারীকে বিয়ে করার জন্য বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে আসছিলো মজিবর। পরবর্তীতে ৪ বছর আগে পটুয়াখালী নিয়ে গিয়ে ভুয়া কাবিন নামার মাধ্যমে বিয়ের নাটক সাজিয়ে স্ত্রী হিসেবে ওই নারীকে গ্রহন করে মজিবর। পরে তার পিতা-মাতাসহ পরিবারের সকলকে সন্তুষ্ট করে তাদের সম্পত্তি আত্মসাতের পথে নামে মজিবর। 

২০২১ সালে আমাদের বসতবাড়িসহ জমি পায়রা বন্দরের অধিগ্রহন করে। অধিগ্রহনকৃত আমার এবং আমার ভাই আব্দুর রহমান এর ৪৭ লাখ টাকা কৌশলে আত্মসাৎ করে সটকে পরে। টাকা এবং স্ত্রীর অধিকার আদায়ে গেলেই ২৭ লাখ টাকা দেয়ার কথা বলে আমাকে তাড়িয়ে দেয়াহয়। টাকা এবং স্বামীর অধিকার চাওয়ায় মজিবুর রহমান মরিয়ম বেগম এবং তার বাবা মোসলেম দফাদার, ভাই আব্দুর রহমানকে আসামী করে কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করে হয়রানী করছে। বিধবা নারী প্রতিকার ও ন্যায় বিচারের নিশ্চিতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছেন। 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মজিবর প্যাদা বলেন,মরিয়ম বেগমের সাথে আমার কোন বৈবাহিক সম্পর্ক নেই। তাদের কাছে আমি টাকা পাবো। এজন্য মামলা দায়ের করেছি, মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। পাওনা টাকা যাতে চাইতে না পারি এজন্য আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। তাদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন।