কলাপাড়ায় জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ, আহত ১।
- আপডেট সময় : ০৭:০৫:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬ ৪৩ বার পড়া হয়েছে
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় জামাল আকন (৪০) নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার (২৭ মে) বিকেল ৪টার দিকে মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের আলীগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মোঃ জামাল আকনের সঙ্গে প্রতিবেশী নুর আলম হাওলাদারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। আহত জামাল আকন ১২০ শতাংশ জমিতে আউশ ধানের চাষাবাদ করেন।
অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে নুর আলম হাওলাদারের তিনটি গরু আউশ ধানের বীজতলা নষ্ট করে আসছিল। ঘটনার দিন জামাল আকন গরুগুলো বীজতলা থেকে সরিয়ে দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্কের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে নুর আলমের ছেলে অভিযুক্ত তামিম, শামীম, মেহেদী হাসানসহ আরও অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে জামাল আকনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। এছাড়া তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
জামাল আকনের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে জামাল আকন কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে জামাল আকনের ছোট ভাই লিমন আকন জানান, “আমরা কিছু জমিতে আউশ ধানের চাষাবাদ করেছি। নুর আলমসহ তার ছেলেরা গরু দিয়ে আমাদের বীজতলা নষ্ট করে ফেলছে।
এগুলোর প্রতিবাদ করায় বুধবার বিকেলে আমার ভাইকে ডেকে নিয়ে তামিম, শামীম ও মেহেদী লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে একটি নির্জন স্থানে ফেলে রেখে যায়। পরবর্তীতে রুবেল নামের এক কৃষক জামালকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পেয়ে ডাকচিৎকার দিলে পরিবারের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে।
নুর আলমের কাছে মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনার সময় আমি বাড়িতে ছিলাম। আমার ছেলেদের সঙ্গে মারামারি হয়েছে বলে জেনেছি। বৃহস্পতিবার আমি হাসপাতালে গিয়ে জামালকে দেখে এসেছি। পরবর্তীতে স্থানীয় সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হবে।
এ ঘটনায় জামাল আকনের ছোট ভাই লিমন আকন বাদী হয়ে কলাপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
কলাপাড়া থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।









