ঢাকা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জ্যোতিষি ছালামের ভবিষ্যত বানী: ফুটবল বিশ্ব কাপে চ্যাম্পিয়ন হচ্ছে ফ্রান্স প্রাথমিক শিক্ষার বাতিঘর কলাপাড়া মঙ্গল সুখ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কলাপাড়ায় বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা কলাপাড়ায় জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ, আহত ১। মহিপুরে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান, ৬০ ইয়াবাসহ আটক-৩ কলাপাড়ার বিএনপি’র নেতা তোফাজ্জল ভিজিএফের চাল বিতরনে চালবাজি  কলাপাড়ায় ১দিন আগেই প্রায় ১০ হাজার মানুষের ঈদ উদযাপন পায়ে হেটে ৪ শিক্ষার্থীর ১৫০ কিলোমিটার পরিভ্রমন সাংবাদিক তুহিনের উপর হামলার প্রতিবাদে কলাপাড়ায় মানববন্ধন সোশ্যাল মিডিয়ায় কিংবা রঙীন পোষ্টারে কলাপাড়া পৌরবাসীকে মেয়র প্রার্থীদের ঈদ শুভেচ্ছার হিড়িক  

কলাপাড়ায় বিএসটিআ’র অনুমোদন ছাড়া ড্রিংকো জুস তৈরী, মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা সহ ১ বছরের জেল

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৫:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬ ৫৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালীর কলাপাড়া অবৈধ শিশু খাদ্য ‘ড্রিংকোর জুস’ কারখানায় অভিযান চালিয়ে ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পানীয় উৎপাদনের অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শুক্রবার দুপুরে পৌর শহরের কবি নজরুল ইসলাম সড়ক সংলগ্ন এলাকার ওই কারখানায় অভিযান চালিয়ে এ কারাদন্ড প্রদান করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ। পরে ১৫৫ প্যাকেট অবৈধ ড্রিংকো জুস জনসম্মুখ্যে পেভার মেশিন দিয়ে ধ্বংস করা হয় এবং কারখানাটি সিলগালা করে দেয়া হয়।

অভিযানে দেখা যায়, কোনো ধরনের লাইসেন্স বা সরকারি অনুমোদন ছাড়াই সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে জুস উৎপাদন করা হচ্ছিল। উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রিজারভেটিভ ও বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানও ছিল অনুমোদনহীন। পরে কারখানাটিতে উৎপাদিত জুস বাজারজাতের প্রস্তুতির প্রমাণও পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় কারখানার মালিক মাসুদ সিকদার (৩৪)-কে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫০ ও ৫২ ধারায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. কাউছার হামিদ বলেন, 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে  এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। 

“এই ধরনের জুস মূলত শিশুরাই বেশি খেয়ে থাকে। অনুমোদনহীন রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে এসব পানীয় শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এতে কিডনি, লিভারসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “কলাপাড়াসহ সারাদেশে অবৈধ জুস কারখানা, বেকারি ও আইসক্রিম কারখানার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কলাপাড়ায় বিএসটিআ’র অনুমোদন ছাড়া ড্রিংকো জুস তৈরী, মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা সহ ১ বছরের জেল

আপডেট সময় : ০৬:৫৫:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

পটুয়াখালীর কলাপাড়া অবৈধ শিশু খাদ্য ‘ড্রিংকোর জুস’ কারখানায় অভিযান চালিয়ে ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পানীয় উৎপাদনের অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শুক্রবার দুপুরে পৌর শহরের কবি নজরুল ইসলাম সড়ক সংলগ্ন এলাকার ওই কারখানায় অভিযান চালিয়ে এ কারাদন্ড প্রদান করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ। পরে ১৫৫ প্যাকেট অবৈধ ড্রিংকো জুস জনসম্মুখ্যে পেভার মেশিন দিয়ে ধ্বংস করা হয় এবং কারখানাটি সিলগালা করে দেয়া হয়।

অভিযানে দেখা যায়, কোনো ধরনের লাইসেন্স বা সরকারি অনুমোদন ছাড়াই সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে জুস উৎপাদন করা হচ্ছিল। উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রিজারভেটিভ ও বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানও ছিল অনুমোদনহীন। পরে কারখানাটিতে উৎপাদিত জুস বাজারজাতের প্রস্তুতির প্রমাণও পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় কারখানার মালিক মাসুদ সিকদার (৩৪)-কে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫০ ও ৫২ ধারায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. কাউছার হামিদ বলেন, 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে  এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। 

“এই ধরনের জুস মূলত শিশুরাই বেশি খেয়ে থাকে। অনুমোদনহীন রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে এসব পানীয় শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এতে কিডনি, লিভারসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “কলাপাড়াসহ সারাদেশে অবৈধ জুস কারখানা, বেকারি ও আইসক্রিম কারখানার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”