ঢাকা ১০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়া সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি ইউসুফ, সম্পাদক ইলিয়াস জাবেদ কলাপাড়া ধানখালী ডিগ্রি কলেজ শিক্ষক কর্তৃক অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত: সরকারি কাজে বাধা প্রদানের দায়ে অধ্যক্ষের মামলা। কলাপাড়ায় আগামীকাল শুরু হবে রাখাইন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা কলাপাড়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন ‘আমি আপনাদের সেবক, আপনাদের কর্মচারী’-এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি   কালবৈশাখী তান্ডবে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বিভিন্ন এলাকায় রাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সজল গাইন বার কাউন্সিলে পরিক্ষায় উত্তীর্ণ। অনৈতিক ভিডিও ভাইরলের ঘটনায় খেপুপাড়া  বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত কলাপাড়ায় এ্যাডভোকেট রুবেলের দাফন সম্পন্ন: বিভিন্ন মহলের শোক

লালমনিরহাটের প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে অপরূপ কাশফুল

মাসুদ রানা রাশেদ, লালমনিরহাট প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫ ১৮৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি


লালমনিরহাটের গ্রাম-বাংলার শরৎকালের সেই চিরচেনা প্রকৃতিতে অপরূপ শোভাবর্ধনকারী কাশফুলের দৃশ্য এখন আর চোখেই পড়ে না। শরৎকাল শেষে হেমন্তের শুরুতেও তিস্তা, ধরলা, সতী/ মরাসতি, স্বর্ণামতি, ভ্যাটেশ্বরী, রত্নাই, সানিয়াজান, সাঁকোয়া, মালদহ, ত্রিমোহনী, গিরিধারী/ গিদারী, ছিনাকাটা, ধোলাই, শিংগীমারী নদীর তীরবর্তী কিছু এলাকায় প্রকৃতিতে অপরূপ শোভাবর্ধনকারী কাশফুল বাতাসে দোল খাচ্ছে। সকাল-বিকাল এলাকার বিভিন্ন বয়সের ছেলে-মেয়েরা মোবাইলে ছবি/ সেলফি তুলছে। নিকট অতীতেও দেখা গেছে শরৎকাল এলেই গ্রাম-বাংলার ঝোপ-জঙ্গল, রাস্তা-ঘাট ও নদীর দুই ধারসহ আনাচে-কানাচে শোভা পেত কাশফুলের মন মাতানো নাচানাচি। কাশবনের ফুলগুলো দোল খেত একটার সাথে আর একটা। এ সময় অজান্তেই মানুষের মনে ভিন্ন রকম আনন্দের ঝিলিক বয়ে যেত।

লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলাতে শরৎকালে সেই চিরচেনা কাশফুলের দৃশ্য এখন কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে। এখন গ্রাম-বাংলায় বিচ্ছিন্নভাবে থাকা যে কয়েকটি কাশফুল চোখে পড়ে সেগুলোও হারিয়ে যাচ্ছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রয়োজনের তাগিদেই মানুষ ঝোপঝাড়, বনজঙ্গল ও অন্যান্য পতিত স্থান কেটে কৃষি জমি সম্প্রসারণ করাসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং আবাসিক এলাকা গড়ে তুলছেন। এতে প্রকৃতিতে অপরূপ শোভাদানকারী কাশবনসহ গ্রাম-বাংলার অনেক অনেক ঐতিহ্যবাহী ও মন মাতানো দৃশ্যগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। মানুষ একটু সচেতন হলেই কাশবনসহ গ্রাম-বাংলার চিরচেনা ঐতিহ্যগুলো হারিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

লালমনিরহাটের প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে অপরূপ কাশফুল

আপডেট সময় : ১০:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫


লালমনিরহাটের গ্রাম-বাংলার শরৎকালের সেই চিরচেনা প্রকৃতিতে অপরূপ শোভাবর্ধনকারী কাশফুলের দৃশ্য এখন আর চোখেই পড়ে না। শরৎকাল শেষে হেমন্তের শুরুতেও তিস্তা, ধরলা, সতী/ মরাসতি, স্বর্ণামতি, ভ্যাটেশ্বরী, রত্নাই, সানিয়াজান, সাঁকোয়া, মালদহ, ত্রিমোহনী, গিরিধারী/ গিদারী, ছিনাকাটা, ধোলাই, শিংগীমারী নদীর তীরবর্তী কিছু এলাকায় প্রকৃতিতে অপরূপ শোভাবর্ধনকারী কাশফুল বাতাসে দোল খাচ্ছে। সকাল-বিকাল এলাকার বিভিন্ন বয়সের ছেলে-মেয়েরা মোবাইলে ছবি/ সেলফি তুলছে। নিকট অতীতেও দেখা গেছে শরৎকাল এলেই গ্রাম-বাংলার ঝোপ-জঙ্গল, রাস্তা-ঘাট ও নদীর দুই ধারসহ আনাচে-কানাচে শোভা পেত কাশফুলের মন মাতানো নাচানাচি। কাশবনের ফুলগুলো দোল খেত একটার সাথে আর একটা। এ সময় অজান্তেই মানুষের মনে ভিন্ন রকম আনন্দের ঝিলিক বয়ে যেত।

লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলাতে শরৎকালে সেই চিরচেনা কাশফুলের দৃশ্য এখন কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে। এখন গ্রাম-বাংলায় বিচ্ছিন্নভাবে থাকা যে কয়েকটি কাশফুল চোখে পড়ে সেগুলোও হারিয়ে যাচ্ছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রয়োজনের তাগিদেই মানুষ ঝোপঝাড়, বনজঙ্গল ও অন্যান্য পতিত স্থান কেটে কৃষি জমি সম্প্রসারণ করাসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং আবাসিক এলাকা গড়ে তুলছেন। এতে প্রকৃতিতে অপরূপ শোভাদানকারী কাশবনসহ গ্রাম-বাংলার অনেক অনেক ঐতিহ্যবাহী ও মন মাতানো দৃশ্যগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। মানুষ একটু সচেতন হলেই কাশবনসহ গ্রাম-বাংলার চিরচেনা ঐতিহ্যগুলো হারিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পাবে।