ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়া সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি ইউসুফ, সম্পাদক ইলিয়াস জাবেদ কলাপাড়া ধানখালী ডিগ্রি কলেজ শিক্ষক কর্তৃক অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত: সরকারি কাজে বাধা প্রদানের দায়ে অধ্যক্ষের মামলা। কলাপাড়ায় আগামীকাল শুরু হবে রাখাইন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা কলাপাড়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন ‘আমি আপনাদের সেবক, আপনাদের কর্মচারী’-এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি   কালবৈশাখী তান্ডবে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বিভিন্ন এলাকায় রাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সজল গাইন বার কাউন্সিলে পরিক্ষায় উত্তীর্ণ। অনৈতিক ভিডিও ভাইরলের ঘটনায় খেপুপাড়া  বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত কলাপাড়ায় এ্যাডভোকেট রুবেলের দাফন সম্পন্ন: বিভিন্ন মহলের শোক

মহিপুরে দিনমজুরকে পেটানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন

মহিপুর প্রতিনিধি/এস আর
  • আপডেট সময় : ০৭:০১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫ ১৬৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ‘মহিপুরে চাঁদা না দেয়াকে কেন্দ্র করে দিনমজুরকে পিটিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ’ এমন শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

এ সংবাদে বলা হয়েছে গত ২০ আগস্ট দুপুর ১২টার সময় আলতাফ ও তাঁর ছেলে রনি এবং আলতাফের অপর ভাই চান মিয়া ও ফুল মিয়াসহ অজ্ঞাত কয়েকজন পরিকল্পিতভাবে চাঁদার বিষয়কে কেন্দ্র করে ফারুক হাওলাদারের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। হামলাকারী রনি ও তাঁর সহযোগীরা ফারুককে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়।

প্রকৃত সত্য হচ্ছে, সেদিন এ ধরণের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তা ছাড়া ওই সংবাদে বলা হয়েছে, আলতাফ হোসেন ও তাঁর ছেলে রনি প্রায় সময় বিভিন্ন লোকের কাছে চাঁদা দাবি করেছে। আলতাফ ও রনি চাঁদা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হইয়া এলাকার মানুষের ওপর হামলা, অত্যাচার শুরু করে দেয়।

প্রকৃত সত্য হচ্ছে, সেদিন তুচ্ছ একটা ঘটনা নিয়ে আলতাফ এবং ফারুক হাওলাদারের সাথে তর্ক-বিতর্ক হয়েছি। এর চেয়ে বেশি কিছু ছিলনা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আলতাফ হোসেন এবং তাঁদের পরিবার পারিবারিকভাবেই সম্পদশালী। আলতাফ হোসেন, তাঁর ভাই চান মিয়া, ফুল মিয়া মহিপুর বন্দরে মৎস্য ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছেন। বিগত ৩০-৪০ বছর ধরে সুনামের সাথে তাঁরা মৎস্য ব্যবসা করে আসছেন। এ ছাড়া তাঁদের মাছের আড়ত রয়েছে।

আলতাফ হোসেন দাবি করে বলেন, তাঁদের নিজস্ব ট্রলারসহ জেলেরা সমুদ্রে গিয়ে প্রতিনিয়ত গভীর সমুদ্রে মাছ শিকার করে থাকে। এসব ট্রলার এবং আড়তদারী ব্যবসায় বহু লোককে কাজ দিয়ে তাঁরা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। তাঁরা যেখানে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল, তাঁরা যেখানে এলাকার বহু মানুষককে নানা সময়ে সাহায্য-সহযোগিতা করে থাকেন, সেখানে কোনো মানুষকে জিম্মি করে চাঁদা দাবি করবে এটা শুধু মিথ্যাচার নয়। পুরো অভিযোগটি একেবারে ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রনোদিত।

আলতাফ হোসেনের ছেলে রনি গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা লাভ করেছেন। রনি দেশের বাহিরে গিয়ে আরও শিক্ষা গ্রহন করবেন সে প্রস্ততিও নিচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে আসা এরকম একজন শিক্ষিত তরুণকে জড়িয়ে যেসব কথা বলা হচ্ছে তাও মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্য প্রনোদিত। কোনো মহলের দ্বারা হয়তো প্রভাবিত হয়ে অভিযোগকারীরা আলতাফ হোসেন, তাঁর ছেলে রনিসহ অপর ভাইদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছেন বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মহিপুরে দিনমজুরকে পেটানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন

আপডেট সময় : ০৭:০১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ‘মহিপুরে চাঁদা না দেয়াকে কেন্দ্র করে দিনমজুরকে পিটিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ’ এমন শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

এ সংবাদে বলা হয়েছে গত ২০ আগস্ট দুপুর ১২টার সময় আলতাফ ও তাঁর ছেলে রনি এবং আলতাফের অপর ভাই চান মিয়া ও ফুল মিয়াসহ অজ্ঞাত কয়েকজন পরিকল্পিতভাবে চাঁদার বিষয়কে কেন্দ্র করে ফারুক হাওলাদারের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। হামলাকারী রনি ও তাঁর সহযোগীরা ফারুককে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়।

প্রকৃত সত্য হচ্ছে, সেদিন এ ধরণের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তা ছাড়া ওই সংবাদে বলা হয়েছে, আলতাফ হোসেন ও তাঁর ছেলে রনি প্রায় সময় বিভিন্ন লোকের কাছে চাঁদা দাবি করেছে। আলতাফ ও রনি চাঁদা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হইয়া এলাকার মানুষের ওপর হামলা, অত্যাচার শুরু করে দেয়।

প্রকৃত সত্য হচ্ছে, সেদিন তুচ্ছ একটা ঘটনা নিয়ে আলতাফ এবং ফারুক হাওলাদারের সাথে তর্ক-বিতর্ক হয়েছি। এর চেয়ে বেশি কিছু ছিলনা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আলতাফ হোসেন এবং তাঁদের পরিবার পারিবারিকভাবেই সম্পদশালী। আলতাফ হোসেন, তাঁর ভাই চান মিয়া, ফুল মিয়া মহিপুর বন্দরে মৎস্য ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছেন। বিগত ৩০-৪০ বছর ধরে সুনামের সাথে তাঁরা মৎস্য ব্যবসা করে আসছেন। এ ছাড়া তাঁদের মাছের আড়ত রয়েছে।

আলতাফ হোসেন দাবি করে বলেন, তাঁদের নিজস্ব ট্রলারসহ জেলেরা সমুদ্রে গিয়ে প্রতিনিয়ত গভীর সমুদ্রে মাছ শিকার করে থাকে। এসব ট্রলার এবং আড়তদারী ব্যবসায় বহু লোককে কাজ দিয়ে তাঁরা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। তাঁরা যেখানে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল, তাঁরা যেখানে এলাকার বহু মানুষককে নানা সময়ে সাহায্য-সহযোগিতা করে থাকেন, সেখানে কোনো মানুষকে জিম্মি করে চাঁদা দাবি করবে এটা শুধু মিথ্যাচার নয়। পুরো অভিযোগটি একেবারে ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রনোদিত।

আলতাফ হোসেনের ছেলে রনি গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা লাভ করেছেন। রনি দেশের বাহিরে গিয়ে আরও শিক্ষা গ্রহন করবেন সে প্রস্ততিও নিচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে আসা এরকম একজন শিক্ষিত তরুণকে জড়িয়ে যেসব কথা বলা হচ্ছে তাও মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্য প্রনোদিত। কোনো মহলের দ্বারা হয়তো প্রভাবিত হয়ে অভিযোগকারীরা আলতাফ হোসেন, তাঁর ছেলে রনিসহ অপর ভাইদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছেন বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।