ঢাকা ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল নেতা জাহিরুল বহিষ্কার। ধুলাসার ইউনিয়ন বিএনপির ওয়ার্ড সভাপতিকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি। দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে কলাপাড়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের তিন নেতা বহিষ্কার কুয়াকাটায় ইয়াবা সেবনে বাধা: হোটেল মালিককে পিটিয়ে পা থেঁতলে দিল সন্ত্রাসীরা মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন সিলেট হাইওয়ে পুলিশ সুপার। কলাপাড়ায় চাঁদা বাজির অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়কসহ দুই সহযোগী গ্রেফতার  কলাপাড়ায় ভূমিদস্যুরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দখল নেয়া ১৫ একর জমি পুনরুদ্ধার করেছে উপজেলা বিএনপি কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবককে মারধরের অভিযোগ কলাপাড়ায় আওয়ামীলীগের সমর্থকের বিরুদ্ধে বিএনপির সমর্থককে মারধর করার অভিযোগ কলাপাড়ায় গভীর রাতে বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান, ৪ জনের কারাদণ্ড

ভূমিদস্যু, মামলাবাজ, প্রতারক চক্রের হয়রানী থেকে প্রতিকার পেতে সাংবাদিক সম্মেলন 

কলাপাড়া প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:৩০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫ ৯৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভূমিদস্যু, মামলাবাজ, প্রতারক চক্রের হয়রানী থেকে প্রতিকার পেতে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন পটুয়াখালীর কলাপাড়ার টিয়াখালীতে পায়রা বন্দরের ভূমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিকগন। বুধবার বেলা ১২টায় কলাপাড়া রিপর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোহাহাম্মদ কামরুল ইসলাম ঢালী।  

লিখিত বক্তব্যে মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম ঢালী বলেন, কলাপাড়ার ইটবাড়ীয়া মৌজায় পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের প্রয়োজনে পটুয়াখালী ভূমি অধিগ্রহন শাখার মাধ্যমে এল.এ কেস নং-০৬/২০১৮-১৯ এর মাধ্যমে আমাদের ৫৩ জন প্রকৃত ভূমি মালিকের জমি অধিগ্রহন করেন। পূর্বে রাখাইন সম্প্রদায় মালিকদের কাছ থেকে আমাদের পূর্ব পুরুষগন ১৯৫৮ইং সন হইতে ক্রয় করে এই জমি দখল স্বত্বসূত্রে ভোগ করে পর্যায়েক্রমে ওয়ারিশ হিসাবে আমরা ভোগবান মালিক দখলকার বিদ্যমান আছি। কিন্তু ভূমি অধিগ্রহন করার পর স্থানীয় ভূমিদস্যু, মামলাবাজ, প্রতারক চক্রের সদস্য কলাপাড়ার ধুলাসার এলাকার আহসান হাবীব কিছু রাখাইন সম্প্রদায়কে ভুল বুঝাইয়া ভূয়া ওয়ারিশ দেখিয়ে তাহাদের কাছ আমমোক্তারনামা নিয়ে বিভিন্ন মামলা-মোকদ্দমা সৃষ্টি করিয়া আমাদের মধ্যে জমির অংশ দাবী করিয়া নানাভাবে আমাদের নিকট চাঁদা চাহিয়া হয়রানী করে আসছে।

বক্তব্যে আরও বলেন,  ০৫/০৭/১৯৫৮ ইং তারিখে ২৩৪৯ ও ২৩৫০ নং সাব-কবলা দলিলমূলে আ. মজিদ মিয়া বরাবরে ৪-৩২ একর ভূমি হস্তান্তর করিয়া দখল বুঝাইয়া দিয়া হাল এস.এ ১১৫ ন্ং খতিয়ানের নেবাও মগ নি:স্বত্ত্ববান হন। আর.এস ১৬নং খতিয়ানে ৫.৪১ একর ভূমি নিবাও মগের দ্বিতীয় স্ত্রী মেজাউ মগনী ১৪১/৫৬নং ডিক্রির মাধ্যমে প্রাপ্ত হন। মেজাউ মগনী মারা যাবার পর তার পুত্র গমবুশে মগ ওরফে মংবশি মগ, গমবুশের স্ত্রী নেমউ এবং মংমংশে মগ (পুত্র) কন্যা লালয়ি, সোসোমা ও মিশো, আর.এস তথা হাল এস.এ ১৮০নং খতিয়ানে মালিক দখলকার থাকিয়া মিউটিশণ করাইয়া এস.এ ১৮০ নং খতিয়ানে ৫.৪১ একর ভূমির মধ্যে বিভিন্ন তারিখে ৫টি দলিল মূলে ফকর উদ্দিনসহ বিভিন্ন লোকদেরকে ৫.৪১ একর ভূমি হস্তান্তর করে গংবুশে মগ @ মংবশি গন নি:স্বত্ত্ববান হন। গংবুশে মগ ওরফে মংবশি মগ এর ওয়ারিশগন এস.এ ১১৫ নং খতিয়ানে কোন ভূমি প্রাপ্ত হয়নাই এবং সম্পূর্ন নিঃস্বত্ত্ববান হন। নিঃস্বত্ত্ববান ও দখলবিহিন অবস্থায়  ০১/০১/২০২১ তারিখে ১৩৩৬ নং পাওয়র অব এ্যার্টনি ১১জন লোককে নিযুক্ত করিয়া আমমোক্তারকারী পক্ষে বিজ্ঞ আদালতে ইতিপূর্বে দেওয়ানী ১৮৫/২০ নং মোকদ্দমা দায়ের করিয়া ছিলেন।

কামরুল ইসলাম বলেন, ১৯৫৬ সন থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ২৬৭/২০২১ নং মামলার রায় ও ডিক্রি আমাদের পক্ষে। কিন্তু ভূমিদস্যু ও মামলা চক্রের প্রধান আহসান হাবীবসহ আমমোক্তারকারীগন এরপরেও একের পর এক মামলা অনায়ন করে আমাদের নানাভাবে হয়রানী করছে। ফলে ভূমি অধিগ্রহনে জীবন-জীবিকা হারিয়ে জমির মূল্য না পেয়ে আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে বর্তমানে মানবেতর জীবন-যাপন করছি।

এসময় ভূমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থ ও হয়রানির শিকার জমির মালিকগন উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভূমিদস্যু, মামলাবাজ, প্রতারক চক্রের হয়রানী থেকে প্রতিকার পেতে সাংবাদিক সম্মেলন 

আপডেট সময় : ০৩:৩০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

ভূমিদস্যু, মামলাবাজ, প্রতারক চক্রের হয়রানী থেকে প্রতিকার পেতে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন পটুয়াখালীর কলাপাড়ার টিয়াখালীতে পায়রা বন্দরের ভূমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিকগন। বুধবার বেলা ১২টায় কলাপাড়া রিপর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোহাহাম্মদ কামরুল ইসলাম ঢালী।  

লিখিত বক্তব্যে মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম ঢালী বলেন, কলাপাড়ার ইটবাড়ীয়া মৌজায় পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের প্রয়োজনে পটুয়াখালী ভূমি অধিগ্রহন শাখার মাধ্যমে এল.এ কেস নং-০৬/২০১৮-১৯ এর মাধ্যমে আমাদের ৫৩ জন প্রকৃত ভূমি মালিকের জমি অধিগ্রহন করেন। পূর্বে রাখাইন সম্প্রদায় মালিকদের কাছ থেকে আমাদের পূর্ব পুরুষগন ১৯৫৮ইং সন হইতে ক্রয় করে এই জমি দখল স্বত্বসূত্রে ভোগ করে পর্যায়েক্রমে ওয়ারিশ হিসাবে আমরা ভোগবান মালিক দখলকার বিদ্যমান আছি। কিন্তু ভূমি অধিগ্রহন করার পর স্থানীয় ভূমিদস্যু, মামলাবাজ, প্রতারক চক্রের সদস্য কলাপাড়ার ধুলাসার এলাকার আহসান হাবীব কিছু রাখাইন সম্প্রদায়কে ভুল বুঝাইয়া ভূয়া ওয়ারিশ দেখিয়ে তাহাদের কাছ আমমোক্তারনামা নিয়ে বিভিন্ন মামলা-মোকদ্দমা সৃষ্টি করিয়া আমাদের মধ্যে জমির অংশ দাবী করিয়া নানাভাবে আমাদের নিকট চাঁদা চাহিয়া হয়রানী করে আসছে।

বক্তব্যে আরও বলেন,  ০৫/০৭/১৯৫৮ ইং তারিখে ২৩৪৯ ও ২৩৫০ নং সাব-কবলা দলিলমূলে আ. মজিদ মিয়া বরাবরে ৪-৩২ একর ভূমি হস্তান্তর করিয়া দখল বুঝাইয়া দিয়া হাল এস.এ ১১৫ ন্ং খতিয়ানের নেবাও মগ নি:স্বত্ত্ববান হন। আর.এস ১৬নং খতিয়ানে ৫.৪১ একর ভূমি নিবাও মগের দ্বিতীয় স্ত্রী মেজাউ মগনী ১৪১/৫৬নং ডিক্রির মাধ্যমে প্রাপ্ত হন। মেজাউ মগনী মারা যাবার পর তার পুত্র গমবুশে মগ ওরফে মংবশি মগ, গমবুশের স্ত্রী নেমউ এবং মংমংশে মগ (পুত্র) কন্যা লালয়ি, সোসোমা ও মিশো, আর.এস তথা হাল এস.এ ১৮০নং খতিয়ানে মালিক দখলকার থাকিয়া মিউটিশণ করাইয়া এস.এ ১৮০ নং খতিয়ানে ৫.৪১ একর ভূমির মধ্যে বিভিন্ন তারিখে ৫টি দলিল মূলে ফকর উদ্দিনসহ বিভিন্ন লোকদেরকে ৫.৪১ একর ভূমি হস্তান্তর করে গংবুশে মগ @ মংবশি গন নি:স্বত্ত্ববান হন। গংবুশে মগ ওরফে মংবশি মগ এর ওয়ারিশগন এস.এ ১১৫ নং খতিয়ানে কোন ভূমি প্রাপ্ত হয়নাই এবং সম্পূর্ন নিঃস্বত্ত্ববান হন। নিঃস্বত্ত্ববান ও দখলবিহিন অবস্থায়  ০১/০১/২০২১ তারিখে ১৩৩৬ নং পাওয়র অব এ্যার্টনি ১১জন লোককে নিযুক্ত করিয়া আমমোক্তারকারী পক্ষে বিজ্ঞ আদালতে ইতিপূর্বে দেওয়ানী ১৮৫/২০ নং মোকদ্দমা দায়ের করিয়া ছিলেন।

কামরুল ইসলাম বলেন, ১৯৫৬ সন থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ২৬৭/২০২১ নং মামলার রায় ও ডিক্রি আমাদের পক্ষে। কিন্তু ভূমিদস্যু ও মামলা চক্রের প্রধান আহসান হাবীবসহ আমমোক্তারকারীগন এরপরেও একের পর এক মামলা অনায়ন করে আমাদের নানাভাবে হয়রানী করছে। ফলে ভূমি অধিগ্রহনে জীবন-জীবিকা হারিয়ে জমির মূল্য না পেয়ে আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে বর্তমানে মানবেতর জীবন-যাপন করছি।

এসময় ভূমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থ ও হয়রানির শিকার জমির মালিকগন উপস্থিত ছিলেন।