লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি’র অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা ও ইস্কাফ সিরাপ জব্দ।
- আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫ ১৩২ বার পড়া হয়েছে
লালমনিরহাট সীমান্তে ১৫ বিজিবি’র অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা ও ইস্কাফ সিরাপ জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাতে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিজিবি’র বিশেষ টহলদল কর্তৃক সীমান্ত এলাকায় ৩টি বিশেষ টহল দল একযোগে অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা ও ইস্কাফ সিরাপ জব্দ করেছে। চোরাচালান প্রতিরোধের মাধ্যমে সীমান্ত নিরাপত্তা ও মাদকবিরোধী অভিযানে বিজিবি’র দৃঢ় অবস্থানের প্রমাণ মিলেছে।
বিশ্বস্ত গোয়েন্দা সূত্রে বিজিবি জানতে পারে যে, বৈরী আবহাওয়ার সুযোগে রাতের অন্ধকারে চোরাকারবারীরা মাদক পাচার করবে। উক্ত তথ্যানুযায়ী, দৈখাওয়া বিওপি’র কুরুশা-ফেরুসা, কাশিপুর বিওপি’র মধ্য কাশিপুর ও শিমুলবাড়ী বিওপি’র নন্দিরকুটি (থানা- ফুলবাড়ী, জেলা- কুড়িগ্রাম) নামক স্থানে বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাতে স্থানীয় জনসাধারণের সহায়তায় বিজিবি’র ৩টি বিশেষ টহলদল একযোগে অভিযান চালায়। কতিপয় সন্দেহজনক ব্যক্তির গতিবিধি লক্ষ্য করে বিজিবি টহল দলের সদস্যরা ধাওয়া করলে চোরাকারবারীরা তাদের সাথে থাকা মালামাল ফেলে বৈরী আবহাওয়ার সুযোগে অন্ধকারে পালিয়ে যায়। পরে ফেলে রাখা মালামালগুলো তল্লাশি করে ১টি মোটর সাইকেলসহ বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র অধিনায়কের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের মধ্যে গাঁজা ২৬.৫০০কেজি বাজার মূল্য ৯২হাজার ৭শত ৫০টাকা এবং ইস্কাফ সিরাপ-৯৪ বোতলসহ মোটর সাইকেল ১টি বাজার মূল্য ১লক্ষ ৮৭হাজার ৬শত টাকা। যার সর্বমোট বাজার মূল্য ২লক্ষ ৮০হাজার ৩শত ৫০টাকা। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চোরাকারবীদের তথ্য সংগ্রহ পূর্বক তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বলেন, দেশের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। মাদক পাচার রোধে সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করে বিজিবি’র গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।
এছাড়াও তিনি স্থানীয় জনগণকে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা এবং প্রতিরোধে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান এবং গোপন তথ্য প্রদানকারীদের পরিচয় গোপন রাখার নিশ্চয়তা দেন।
এই অভিযানে বিজিবির সাহসিকতা ও কৌশলগত দক্ষতা প্রশংসার দাবিদার, যা মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।








