কলাপাড়ায় ডাকাতির সময় আমিরিকা প্রবাসী নববধূ দলবদ্ধ ধর্ষনের ঘটনায় মামলা,আটক-২
- আপডেট সময় : ০৩:৪৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫ ১৪৩ বার পড়া হয়েছে
মাত্র দুমাস আগে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার টিয়াখালীতে স্বামীর বাড়িতে এসেছেন আমিরিকা প্রবাসী (২৭) বছর বয়সী সুন্দরী নববধূ। সোমবার রাতের খাবার খেয়ে শিক্ষক স্বামীর সঙ্গে একই শয়নকক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। আর পাশের রুমেই ঘুমিয়ে ছিলেন বড় বোন সহ ছোট দুই কন্যা সন্তান। হঠাৎই রাতের আধারে বসত প্রাচীরের গ্রীল কেটে ঘরে প্রবেশ করে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল।
এসময় ঘুমন্ত শিশুসহ একে একে সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত পা ও মুখ বেধে নেওয়া হয় আলাদা কক্ষে। আর প্রবাসী সুন্দরী নববধূকে স্বামীর হাত,পা মুখ বেধে তার সামনেই করা হয় পাশবিক অত্যাচার। এক এক করে চার জন মিলে ওই শয়ন কক্ষেই গনধর্ষণ শেষে ঘরে থাকা ১৩ ভরি স্বর্ণ সহ নগদ ৫০ হাজার টাকা লুটে নেয় ডাকাত দল। আর স্বামীর পাশে প্রিয়তমা স্ত্রীকে নির্যাতনের সময় তার করুন বিলাপেও মন গলেনি হায়েনাদের। এদিকে এ ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকাজুড়ে। ভয়ে আতকে উঠছেন স্থানীয় গৃহবধূরা। তারা বলছেন, নিজ ঘরেও এখন নিরাপদ নয় নারীরা। এদিকে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার পর নরেচরে বসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা
এই ঘটনায় গতকাল সোমবার রাতে কলাপাড়া থানায় নবধূর স্বামী তরিকুল ইসলাম সুনান বাদী হয়ে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা নাসির তালুকদার বলেন, আমাদের এলাকায় ডাকাতি ও নারী নির্যাতনের ঘটনায আমরা আতংকের দিন পার করছি। এভাবে চলতে থাকলে এই গ্রামের বসবাস করা আমাদের সম্ভব হবে না। প্রশাসনের কাছে দোষীদের সনাক্ত করে বিচরের দাবি জানাই।
গৃহবধূ শাহানাজ বলেন,আমরা নারীরাও ঘরের ভিতর নিরাপদ মনে করছি না। এই ডাকাত দল টাকা পয়সা লুট করে নিয়ে ওই বাড়ির নববধূকে অমানবিক নির্যাতন করেছে। আমাদেরও মেয়েছেলে আছে। সন্ধ্যা হলেই আমাদের ভয়ে ভয়ে রাত কাটে। আমি চাই ভুক্তভোগী নববধূর নির্যাতনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়।
নিজাম উদ্দিন বলেন, আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে নির্ঘুম রাত পার কাটছি। কখন কোন সময় আমাদের বাড়িতেও ডাকাত দল হানা দেয়। আমাদের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।
শিলা রানী বলেন, আমাদের বাড়ির পিছনে একটি বাড়িতে ডাকাতির পর গৃহবধুকে ধর্ষণ ঘটনা ঘটেছে। এঘটনার পর থেকে আমরা আতঙ্কে মধ্যে আছি। আমার বাড়িতে মেয়ে পুত্রবধু আছে কখন কি ঘটনা ঘটে তা বলা যায় না। আমরা সরকারের কাছে নিরাপত্তা চাই।
এ বিষয় কলাপাড়া থানার অফিসার্স ইনচার্জ জুয়েল ইসলাম বলেন,এই বিষয়ে একটি ডাকাতি ও ধর্ষণ মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে সন্দেহভাজন হিসেবে দুজনকে আটক করা হয়েছে। ভিকটিমের তথ্য মতে দোষীদের ধরতে আমাদের অভিযান চলছে।









