ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়ায় জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ, আহত ১। মহিপুরে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান, ৬০ ইয়াবাসহ আটক-৩ কলাপাড়ার বিএনপি’র নেতা তোফাজ্জল ভিজিএফের চাল বিতরনে চালবাজি  কলাপাড়ায় ১দিন আগেই প্রায় ১০ হাজার মানুষের ঈদ উদযাপন পায়ে হেটে ৪ শিক্ষার্থীর ১৫০ কিলোমিটার পরিভ্রমন সাংবাদিক তুহিনের উপর হামলার প্রতিবাদে কলাপাড়ায় মানববন্ধন সোশ্যাল মিডিয়ায় কিংবা রঙীন পোষ্টারে কলাপাড়া পৌরবাসীকে মেয়র প্রার্থীদের ঈদ শুভেচ্ছার হিড়িক   ৫০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কৃষির স্বর্গরাজ্য পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস-২০২৬  ওয়ারেন্ট তামিলে বিশেষ পুরস্কার পেলেন কলাপাড়া থানার এএসআই জসিম আকন।

উপকূলে অতিভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত,বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫ ৪৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দক্ষিন-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সক্রিয়য়তার কারনে পটুয়াখালীতে অতিভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ছয়টা থেকে পরবর্তী পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় ২০০.২ মিলমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। টানা বৃষ্টিতে পৌর শহরের নতুন বাজার, পুরান বাজার, সবুজ বাগ ও তিতাস মোর সহ বিভিন্ন নিচু স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া পানিতে তলিয়ে আছে জেলা সদর সহ বিভিন্ন পৌর শহরের অনেক সড়ক। অনেকের বাসা বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। এছাড়া তলিয়ে গেছে গ্রামাঞ্চলের অসংখ্য মাছের ঘের ও পুকুর। লোকসানে পড়েছেন মৎস্য চাষীরা। এদিকে লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল রয়েছে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর। তীড়ে আছড়ে পড়ছে বড় বড় ঢেউ। উপকূলীয় এলাকা দিয়ে যে কোন সময় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই পটুয়াখালীর পায়রা সহ দেশের সকল সমুদ্র বন্দরকে ০৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। মাছধরা ট্রলার সমূহকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। 

আলিপুর জেলে জাকির হোসেন বলেন, অবরোধ শেষে ধার দেনা করিয়া ট্রলার নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে আশানারুপ মাছ পাইনী। এর পর দীর্ঘদিন  আবহাওয়া খারাপ  থাকার কারণে আর মাছ ধরতে যাওয়া হয়নি।

প্রতিদিন পাওনাদারের জ্বালার অতিষ্ঠ।  কোন পাওনাদারের তাগাদা, ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া, সংসার চালিয়ে যেতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। ভাবছি এই পেশা ছেড়ে দিযে অন্য পেশায় যাওয়া   ছাড়া আর কোন উপায় নেই।

কৃষক হাসমত মিয়া বলেন, টানা বৃষ্টির কারনে আমাদের ধানের বীজতলা তলিয়ে গেছে। গরু ছাগলের খাবার সংকটে পরেছি। আমদের কষ্টের  শেষ নেই। 

মৎস খামারী হামিদ বলেন,আমাদের মাছের ঘের, পুকুর বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে। পানির স্রোতে মাছ নেমে গেছে। আমি প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পরেছি। আমাদের দেখার কেউ নেই। 

দিনমজুর বশির উদ্দিন বলেন,দীর্ঘদিন  বৃষ্টি থাকার কারণে আমাদের কাম কাইজ নেই বললেই চলে। কোনরকম খেয়ে না খেয়ে বেঁচে আছি। না করলে আমারা কাজ পাবনা। পরিবার পরিজন নিয়ে কিভাবে দিন পার করবো সেই দুশ্চিন্তায় আছি। 

পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিস  সূএে জানা যায়,

এছাড়া পটুয়াখালী, বরিশাল, খুলনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্রগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে দক্ষিনপূর্ব দিক থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার শংকায় এসব নদী বন্দর সমূহকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত ০১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উপকূলে অতিভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত,বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি

আপডেট সময় : ০৪:২৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

দক্ষিন-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সক্রিয়য়তার কারনে পটুয়াখালীতে অতিভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ছয়টা থেকে পরবর্তী পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় ২০০.২ মিলমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। টানা বৃষ্টিতে পৌর শহরের নতুন বাজার, পুরান বাজার, সবুজ বাগ ও তিতাস মোর সহ বিভিন্ন নিচু স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া পানিতে তলিয়ে আছে জেলা সদর সহ বিভিন্ন পৌর শহরের অনেক সড়ক। অনেকের বাসা বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। এছাড়া তলিয়ে গেছে গ্রামাঞ্চলের অসংখ্য মাছের ঘের ও পুকুর। লোকসানে পড়েছেন মৎস্য চাষীরা। এদিকে লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল রয়েছে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর। তীড়ে আছড়ে পড়ছে বড় বড় ঢেউ। উপকূলীয় এলাকা দিয়ে যে কোন সময় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই পটুয়াখালীর পায়রা সহ দেশের সকল সমুদ্র বন্দরকে ০৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। মাছধরা ট্রলার সমূহকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। 

আলিপুর জেলে জাকির হোসেন বলেন, অবরোধ শেষে ধার দেনা করিয়া ট্রলার নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে আশানারুপ মাছ পাইনী। এর পর দীর্ঘদিন  আবহাওয়া খারাপ  থাকার কারণে আর মাছ ধরতে যাওয়া হয়নি।

প্রতিদিন পাওনাদারের জ্বালার অতিষ্ঠ।  কোন পাওনাদারের তাগাদা, ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া, সংসার চালিয়ে যেতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। ভাবছি এই পেশা ছেড়ে দিযে অন্য পেশায় যাওয়া   ছাড়া আর কোন উপায় নেই।

কৃষক হাসমত মিয়া বলেন, টানা বৃষ্টির কারনে আমাদের ধানের বীজতলা তলিয়ে গেছে। গরু ছাগলের খাবার সংকটে পরেছি। আমদের কষ্টের  শেষ নেই। 

মৎস খামারী হামিদ বলেন,আমাদের মাছের ঘের, পুকুর বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে। পানির স্রোতে মাছ নেমে গেছে। আমি প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পরেছি। আমাদের দেখার কেউ নেই। 

দিনমজুর বশির উদ্দিন বলেন,দীর্ঘদিন  বৃষ্টি থাকার কারণে আমাদের কাম কাইজ নেই বললেই চলে। কোনরকম খেয়ে না খেয়ে বেঁচে আছি। না করলে আমারা কাজ পাবনা। পরিবার পরিজন নিয়ে কিভাবে দিন পার করবো সেই দুশ্চিন্তায় আছি। 

পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিস  সূএে জানা যায়,

এছাড়া পটুয়াখালী, বরিশাল, খুলনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্রগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে দক্ষিনপূর্ব দিক থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার শংকায় এসব নদী বন্দর সমূহকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত ০১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।