ঢাকা ০৮:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়া সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি ইউসুফ, সম্পাদক ইলিয়াস জাবেদ কলাপাড়া ধানখালী ডিগ্রি কলেজ শিক্ষক কর্তৃক অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত: সরকারি কাজে বাধা প্রদানের দায়ে অধ্যক্ষের মামলা। কলাপাড়ায় আগামীকাল শুরু হবে রাখাইন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা কলাপাড়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন ‘আমি আপনাদের সেবক, আপনাদের কর্মচারী’-এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি   কালবৈশাখী তান্ডবে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বিভিন্ন এলাকায় রাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সজল গাইন বার কাউন্সিলে পরিক্ষায় উত্তীর্ণ। অনৈতিক ভিডিও ভাইরলের ঘটনায় খেপুপাড়া  বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত কলাপাড়ায় এ্যাডভোকেট রুবেলের দাফন সম্পন্ন: বিভিন্ন মহলের শোক

উপকূলে অতিভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত,বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫ ১৩২ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দক্ষিন-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সক্রিয়য়তার কারনে পটুয়াখালীতে অতিভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ছয়টা থেকে পরবর্তী পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় ২০০.২ মিলমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। টানা বৃষ্টিতে পৌর শহরের নতুন বাজার, পুরান বাজার, সবুজ বাগ ও তিতাস মোর সহ বিভিন্ন নিচু স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া পানিতে তলিয়ে আছে জেলা সদর সহ বিভিন্ন পৌর শহরের অনেক সড়ক। অনেকের বাসা বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। এছাড়া তলিয়ে গেছে গ্রামাঞ্চলের অসংখ্য মাছের ঘের ও পুকুর। লোকসানে পড়েছেন মৎস্য চাষীরা। এদিকে লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল রয়েছে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর। তীড়ে আছড়ে পড়ছে বড় বড় ঢেউ। উপকূলীয় এলাকা দিয়ে যে কোন সময় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই পটুয়াখালীর পায়রা সহ দেশের সকল সমুদ্র বন্দরকে ০৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। মাছধরা ট্রলার সমূহকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। 

আলিপুর জেলে জাকির হোসেন বলেন, অবরোধ শেষে ধার দেনা করিয়া ট্রলার নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে আশানারুপ মাছ পাইনী। এর পর দীর্ঘদিন  আবহাওয়া খারাপ  থাকার কারণে আর মাছ ধরতে যাওয়া হয়নি।

প্রতিদিন পাওনাদারের জ্বালার অতিষ্ঠ।  কোন পাওনাদারের তাগাদা, ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া, সংসার চালিয়ে যেতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। ভাবছি এই পেশা ছেড়ে দিযে অন্য পেশায় যাওয়া   ছাড়া আর কোন উপায় নেই।

কৃষক হাসমত মিয়া বলেন, টানা বৃষ্টির কারনে আমাদের ধানের বীজতলা তলিয়ে গেছে। গরু ছাগলের খাবার সংকটে পরেছি। আমদের কষ্টের  শেষ নেই। 

মৎস খামারী হামিদ বলেন,আমাদের মাছের ঘের, পুকুর বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে। পানির স্রোতে মাছ নেমে গেছে। আমি প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পরেছি। আমাদের দেখার কেউ নেই। 

দিনমজুর বশির উদ্দিন বলেন,দীর্ঘদিন  বৃষ্টি থাকার কারণে আমাদের কাম কাইজ নেই বললেই চলে। কোনরকম খেয়ে না খেয়ে বেঁচে আছি। না করলে আমারা কাজ পাবনা। পরিবার পরিজন নিয়ে কিভাবে দিন পার করবো সেই দুশ্চিন্তায় আছি। 

পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিস  সূএে জানা যায়,

এছাড়া পটুয়াখালী, বরিশাল, খুলনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্রগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে দক্ষিনপূর্ব দিক থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার শংকায় এসব নদী বন্দর সমূহকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত ০১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উপকূলে অতিভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত,বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি

আপডেট সময় : ০৪:২৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

দক্ষিন-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সক্রিয়য়তার কারনে পটুয়াখালীতে অতিভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ছয়টা থেকে পরবর্তী পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় ২০০.২ মিলমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। টানা বৃষ্টিতে পৌর শহরের নতুন বাজার, পুরান বাজার, সবুজ বাগ ও তিতাস মোর সহ বিভিন্ন নিচু স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া পানিতে তলিয়ে আছে জেলা সদর সহ বিভিন্ন পৌর শহরের অনেক সড়ক। অনেকের বাসা বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। এছাড়া তলিয়ে গেছে গ্রামাঞ্চলের অসংখ্য মাছের ঘের ও পুকুর। লোকসানে পড়েছেন মৎস্য চাষীরা। এদিকে লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল রয়েছে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর। তীড়ে আছড়ে পড়ছে বড় বড় ঢেউ। উপকূলীয় এলাকা দিয়ে যে কোন সময় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই পটুয়াখালীর পায়রা সহ দেশের সকল সমুদ্র বন্দরকে ০৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। মাছধরা ট্রলার সমূহকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। 

আলিপুর জেলে জাকির হোসেন বলেন, অবরোধ শেষে ধার দেনা করিয়া ট্রলার নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে আশানারুপ মাছ পাইনী। এর পর দীর্ঘদিন  আবহাওয়া খারাপ  থাকার কারণে আর মাছ ধরতে যাওয়া হয়নি।

প্রতিদিন পাওনাদারের জ্বালার অতিষ্ঠ।  কোন পাওনাদারের তাগাদা, ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া, সংসার চালিয়ে যেতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। ভাবছি এই পেশা ছেড়ে দিযে অন্য পেশায় যাওয়া   ছাড়া আর কোন উপায় নেই।

কৃষক হাসমত মিয়া বলেন, টানা বৃষ্টির কারনে আমাদের ধানের বীজতলা তলিয়ে গেছে। গরু ছাগলের খাবার সংকটে পরেছি। আমদের কষ্টের  শেষ নেই। 

মৎস খামারী হামিদ বলেন,আমাদের মাছের ঘের, পুকুর বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে। পানির স্রোতে মাছ নেমে গেছে। আমি প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পরেছি। আমাদের দেখার কেউ নেই। 

দিনমজুর বশির উদ্দিন বলেন,দীর্ঘদিন  বৃষ্টি থাকার কারণে আমাদের কাম কাইজ নেই বললেই চলে। কোনরকম খেয়ে না খেয়ে বেঁচে আছি। না করলে আমারা কাজ পাবনা। পরিবার পরিজন নিয়ে কিভাবে দিন পার করবো সেই দুশ্চিন্তায় আছি। 

পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিস  সূএে জানা যায়,

এছাড়া পটুয়াখালী, বরিশাল, খুলনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্রগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে দক্ষিনপূর্ব দিক থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার শংকায় এসব নদী বন্দর সমূহকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত ০১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।