ঢাকা ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়ায় জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ, আহত ১। মহিপুরে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান, ৬০ ইয়াবাসহ আটক-৩ কলাপাড়ার বিএনপি’র নেতা তোফাজ্জল ভিজিএফের চাল বিতরনে চালবাজি  কলাপাড়ায় ১দিন আগেই প্রায় ১০ হাজার মানুষের ঈদ উদযাপন পায়ে হেটে ৪ শিক্ষার্থীর ১৫০ কিলোমিটার পরিভ্রমন সাংবাদিক তুহিনের উপর হামলার প্রতিবাদে কলাপাড়ায় মানববন্ধন সোশ্যাল মিডিয়ায় কিংবা রঙীন পোষ্টারে কলাপাড়া পৌরবাসীকে মেয়র প্রার্থীদের ঈদ শুভেচ্ছার হিড়িক   ৫০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কৃষির স্বর্গরাজ্য পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস-২০২৬  ওয়ারেন্ট তামিলে বিশেষ পুরস্কার পেলেন কলাপাড়া থানার এএসআই জসিম আকন।

লালমনিরহাটে ৫৪বছরেও হয়নি খোরারপুলে সেতু

মাসুদ রানা রাশেদ, লালমনিরহাট প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫ ৬১ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মহান স্বাধীনতার ৫৪বছরেও হয়নি লালমনিরহাট পৌরসভার সাথে উপজেলা সদরের ১নং মোগলহাট ইউনিয়নের ফুলগাছ ও বত্রিশ হাজারী গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম খোরারপুল সেতু।

এখানে সাবরীখানা নদীর ওপর রেলওয়ে লাইন দিয়ে প্রতিদিন রেলওয়ে ঝুঁকি পূর্ণ সেতু হয়ে কয়েক হাজার মানুষ পাড়াপাড় হয়। তবে সেতুটি অতি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় মাঝে মাঝে ভোগান্তিতে পড়তে হয় যাতায়াতকারীদের।

তাই মহান স্বাধীনতার ৫৪বছর ধরে সাবরিখানা নদীতে ফুলগাছ খোরারপুলে একটি সেতুর জন্য আকুতি জানিয়ে আসছেন এলাকাবাসী। সেই সাথে বিকল্প একটি সড়কও প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

কারণ লালমনিরহাট-মোগলহাট (১০কিলোমিটার) রেলওয়ে লাইনে ট্রেন চলাচল চালু হলে একটি সেতু ও একটি বিকল্প রাস্তার প্রয়োজন হবে। ইতিপূর্বে উক্ত স্থানে একটি স্থায়ী বাঁশের সাঁকো ছিলো মর্মে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট দপ্তর ওই খোরারপুল নামক জায়গায় সেতু ও রাস্তা নির্মাণের পদক্ষেপ নিতে দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ফুলগাছ ও বত্রিশ হাজারী এলাকাবাসী।

প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে শুরু করে রাত ১২টা পর্যন্ত চলে এই পথে যাতায়াতকারীরা। অথচ, একটি রাস্তা ও একটি সেতুর কারণে কৃষি পণ্য পরিবহন এবং গুরুত্বর অসুস্থ্য রোগী নিয়ে বিপাকে পড়তে হয় উত্তর পাড়ের এলাকার বাসিন্দাদের। তাই সীমাহীন দুর্ভোগ লাঘবে ফুলগাছের খোরারপুল সাবরিখানা নদীতে সেতু চান স্থানীয়রা।

১নং মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ দুলাল হোসেন বলেন, আমাদের এই কাঙ্খিত সেতুটা অবিলম্বে যাতে হয়। এই সেতুটা যদি হয়ে যায় তাহলে সেবার মান বাড়বে, এলাকার উন্নয়ন হবে।

উল্লেখ্য যে, এখানে সেতু হলে সরাসরি সড়ক যোগাযোগে যুক্ত হবে লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নের সাকোয়া ও লালমনিরহাট পৌরসভার খোঁচাবাড়ী, সবুজপাড়া, শাহজাহান কলোনী, সাধুটারী এবং ১নং মোগলহাট ইউনিয়নের ফুলগাছ, বত্রিশ হাজারী, কোদালখাতা গ্রাম। কষ্ট দূর হবে কয়েক হাজার মানুষের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

লালমনিরহাটে ৫৪বছরেও হয়নি খোরারপুলে সেতু

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

মহান স্বাধীনতার ৫৪বছরেও হয়নি লালমনিরহাট পৌরসভার সাথে উপজেলা সদরের ১নং মোগলহাট ইউনিয়নের ফুলগাছ ও বত্রিশ হাজারী গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম খোরারপুল সেতু।

এখানে সাবরীখানা নদীর ওপর রেলওয়ে লাইন দিয়ে প্রতিদিন রেলওয়ে ঝুঁকি পূর্ণ সেতু হয়ে কয়েক হাজার মানুষ পাড়াপাড় হয়। তবে সেতুটি অতি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় মাঝে মাঝে ভোগান্তিতে পড়তে হয় যাতায়াতকারীদের।

তাই মহান স্বাধীনতার ৫৪বছর ধরে সাবরিখানা নদীতে ফুলগাছ খোরারপুলে একটি সেতুর জন্য আকুতি জানিয়ে আসছেন এলাকাবাসী। সেই সাথে বিকল্প একটি সড়কও প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

কারণ লালমনিরহাট-মোগলহাট (১০কিলোমিটার) রেলওয়ে লাইনে ট্রেন চলাচল চালু হলে একটি সেতু ও একটি বিকল্প রাস্তার প্রয়োজন হবে। ইতিপূর্বে উক্ত স্থানে একটি স্থায়ী বাঁশের সাঁকো ছিলো মর্মে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট দপ্তর ওই খোরারপুল নামক জায়গায় সেতু ও রাস্তা নির্মাণের পদক্ষেপ নিতে দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ফুলগাছ ও বত্রিশ হাজারী এলাকাবাসী।

প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে শুরু করে রাত ১২টা পর্যন্ত চলে এই পথে যাতায়াতকারীরা। অথচ, একটি রাস্তা ও একটি সেতুর কারণে কৃষি পণ্য পরিবহন এবং গুরুত্বর অসুস্থ্য রোগী নিয়ে বিপাকে পড়তে হয় উত্তর পাড়ের এলাকার বাসিন্দাদের। তাই সীমাহীন দুর্ভোগ লাঘবে ফুলগাছের খোরারপুল সাবরিখানা নদীতে সেতু চান স্থানীয়রা।

১নং মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ দুলাল হোসেন বলেন, আমাদের এই কাঙ্খিত সেতুটা অবিলম্বে যাতে হয়। এই সেতুটা যদি হয়ে যায় তাহলে সেবার মান বাড়বে, এলাকার উন্নয়ন হবে।

উল্লেখ্য যে, এখানে সেতু হলে সরাসরি সড়ক যোগাযোগে যুক্ত হবে লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নের সাকোয়া ও লালমনিরহাট পৌরসভার খোঁচাবাড়ী, সবুজপাড়া, শাহজাহান কলোনী, সাধুটারী এবং ১নং মোগলহাট ইউনিয়নের ফুলগাছ, বত্রিশ হাজারী, কোদালখাতা গ্রাম। কষ্ট দূর হবে কয়েক হাজার মানুষের।