প্রান্তিক কৃষক উৎপাদিত কৃষিপণ্য সরাসরি বিক্রির সুযোগে পাবে কৃষক বাজারে…. জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মো আরেফিন
- আপডেট সময় : ০৭:৩২:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫ ১২৩ বার পড়া হয়েছে
কলাপাড়ার প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকরা যেন তাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য ন্যায্যমূল্যে সরাসরি ভোক্তার কাছে বিক্রি করতে পারেন এ জন্যই এই কৃষক বাজার স্থায়ীভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে। এখানে কোন মধ্যস্বত্ত্বভোগী যেন সুযোগ নিতে না পারে এ জন্য সবাই কে সজাগ থাকতে হবে।’ তিনি প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকের কাছে সরকারের সকল ধরনের সেবা নিশ্চিতে উপজেলা প্রশাসনকে সজাগ থাকাতে হবে। এবং এই উৎপাদিত কৃষি পণ্য যাতে বাণিজ্যিকভাবে রপ্তানি করতে পারে এজন্য কৃষককে সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। গতবুধবার (২জুলাই) বিকাল ৪টায় কৃষক বাজারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কালে সব কথা বলেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মো আরেফিন।
এছাড়া কলাপাড়ায় আন্ধার মানিক নদী তীরে শিশু পার্ক, ইউএনও পার্ক
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উপজেলা পরিষদ ভবনের সামনে এ ফল মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মো. আরেফিন।
এসময় কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো রবিউল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকসেদুল আলম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আরাফাত রহমান, সহকারী কমিশনার ভূমি মো ইয়াসীন সাদেক, উপজেলা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মকর্তা আছাউদুজ্জামান খান, কলাপাড়া প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক মো হুমায়ুন কবিরসহ সরকারি কর্মকর্তা,প্রিন্ট ইলেকট্রিক মিডিয়ার গণমাধ্যম কর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
নীলগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা কৃষক মো.সুলতান জানান, আমরা অনেক টাকা খরচ করে কৃষি পণ্য উৎপাদন করি ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার কারণে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। কিন্তু মধ্যসত্যভোগীরা এই কৃষি পণ্য বিক্রি করে দ্বিগুণ লাভ নিয়ে যাচ্ছে। এজন্য দীর্ঘদিনের দাবি ছিল আমাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য যাতে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করে পরিবার পরিজন নিয়ে ভালো থাকার জন্য আধুনিক “কৃষি বাজার” দরকার। উপজেলা প্রশাসকের সহযোগিতায় কৃষক বাজারে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলো এজন্য আমরা আনন্দিত। ধন্যবাদ জানাই জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসকে।
কলাপাড়া স্থানীয় বাসিন্দা ক্রেতা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, বাজারের সকল পণ্যের মূল্য ঊর্ধ্বগতি। এই কৃষি বাজার স্থাপনের ফলে আমরা মধ্যবর্তী নিম্ন আয়ের যারা আছি তারা এই বাজার থেকে ন্যায্য মূল্যে কৃষি পণ্য পাওয়া যাবে। এতে কিছুটা হলেও টাকা সাশ্রয় হবে। এমন উদ্যোগকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের স্বাগত জানাই।









