ঢাকা ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জমি দখলের বিষয়ে মুখ খুললেন এনসিপি নেতা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর কাফি কলাপাড়ায় ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগ, গ্রেফতার-১ ঠিকাদারির নামে প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত প্রণব শাখারি গোপাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও এনসিপি নেতা কাফির বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের জমি দখল রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ কলাপাড়ায় “প্রাণ সংহতি” সম্মাননা পেলেন এসিল্যান্ড। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে পায়রা বন্দরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন কলাপাড়া পৌর শহর ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি নাজমুল, রাসেল সম্পাদক নির্বাচিত হায়াতো ও মোকো এডিশন স্মার্টওয়াচ এবং হেডফোন আনল ওরাইমো বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: নিখোঁজ ৬ জেলেকে খুঁজতে নৌবাহিনীর ‘বানৌজা গোমতি’র উদ্ধার অভিযান মহিপুর থানাকে প্রশাসনিক উপজেলা ঘোষনার প্রস্তুতির খবরে উপকূলে উৎসবের আমেজ

গাইবান্ধায় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনে।

অর্পিতা চ্যাটার্জী, গোবিন্দগঞ্জ প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫ ৮৯ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড়ে সাংবাদিক পরিচয়ে মুক্তা মিয়া ও মিজানুর রহমান মিলনের চাঁদাবাজির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে এলাকাবাসী।

তাদের শাস্তির দাবিতে বুধবার শহরের কাচারি বাজার এলাকায় ডিবি রোডে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। পরে একই দাবিতে গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উক্ত চাঁদাবাজদের চাচাতো ভাই জুয়েল মিয়া।

মানববন্ধনে বক্তারা উল্লেখ করেন, সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের দক্ষিণ খোলাবাড়ী মাস্টারপাড়া গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে মুক্তা মিয়া ও মিজানুর রহমান মিলন ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সাংবাদিক পরিচয়ে নিরীহ ব্যক্তিদের কাছে চাঁদাবাজি করেছেন। তাদের এই চাঁদাবাজি এখনও অব্যাহত রয়েছে। তাদের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। চাঁদা দিতে না চাইলে তারা বিভিন্ন কৌশলে ও মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার শুরু করেন। মুক্তার মিয়ার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির একাধিক মামলা রয়েছে। এমনকি মুক্তার বিরুদ্ধে তার বাবা-মাও মামলা দায়ের করেছে।

সম্প্রতি মুক্তা মিয়ার জেঠাতো ভাই ঢাকায় বায়িং হাউজে কর্মরত জুয়েল মিয়াকে গাঁজা ও ইয়াবা ব্যবসায়ী বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম- ফেসবুকে অপপ্রচার চালায় মুক্তা মিয়া। তিনি ফেসবুকের ওই পোস্টটি জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অফিস ও পুলিশ সুপারকে ট্যাগ করেন। এ নিয়ে ডিএসবি তদন্তও করেন। কিন্তু জুয়েল মিয়ার বিরুদ্ধে কোনো মাদক দ্রব্য বিক্রির সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাননি তারা। এভাবেই মুক্তা মিয়া ও তার সহোদর ভাই মিজানুর রহমান মিলন এখনও এলাকার নিরীহ মানুষকে হয়রানী করে আসছে। তাদের দুজনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বক্তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গাইবান্ধায় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনে।

আপডেট সময় : ০৫:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড়ে সাংবাদিক পরিচয়ে মুক্তা মিয়া ও মিজানুর রহমান মিলনের চাঁদাবাজির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে এলাকাবাসী।

তাদের শাস্তির দাবিতে বুধবার শহরের কাচারি বাজার এলাকায় ডিবি রোডে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। পরে একই দাবিতে গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উক্ত চাঁদাবাজদের চাচাতো ভাই জুয়েল মিয়া।

মানববন্ধনে বক্তারা উল্লেখ করেন, সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের দক্ষিণ খোলাবাড়ী মাস্টারপাড়া গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে মুক্তা মিয়া ও মিজানুর রহমান মিলন ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সাংবাদিক পরিচয়ে নিরীহ ব্যক্তিদের কাছে চাঁদাবাজি করেছেন। তাদের এই চাঁদাবাজি এখনও অব্যাহত রয়েছে। তাদের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। চাঁদা দিতে না চাইলে তারা বিভিন্ন কৌশলে ও মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার শুরু করেন। মুক্তার মিয়ার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির একাধিক মামলা রয়েছে। এমনকি মুক্তার বিরুদ্ধে তার বাবা-মাও মামলা দায়ের করেছে।

সম্প্রতি মুক্তা মিয়ার জেঠাতো ভাই ঢাকায় বায়িং হাউজে কর্মরত জুয়েল মিয়াকে গাঁজা ও ইয়াবা ব্যবসায়ী বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম- ফেসবুকে অপপ্রচার চালায় মুক্তা মিয়া। তিনি ফেসবুকের ওই পোস্টটি জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অফিস ও পুলিশ সুপারকে ট্যাগ করেন। এ নিয়ে ডিএসবি তদন্তও করেন। কিন্তু জুয়েল মিয়ার বিরুদ্ধে কোনো মাদক দ্রব্য বিক্রির সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাননি তারা। এভাবেই মুক্তা মিয়া ও তার সহোদর ভাই মিজানুর রহমান মিলন এখনও এলাকার নিরীহ মানুষকে হয়রানী করে আসছে। তাদের দুজনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বক্তারা।