ঢাকা ০৮:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়া সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি ইউসুফ, সম্পাদক ইলিয়াস জাবেদ কলাপাড়া ধানখালী ডিগ্রি কলেজ শিক্ষক কর্তৃক অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত: সরকারি কাজে বাধা প্রদানের দায়ে অধ্যক্ষের মামলা। কলাপাড়ায় আগামীকাল শুরু হবে রাখাইন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা কলাপাড়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন ‘আমি আপনাদের সেবক, আপনাদের কর্মচারী’-এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি   কালবৈশাখী তান্ডবে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বিভিন্ন এলাকায় রাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সজল গাইন বার কাউন্সিলে পরিক্ষায় উত্তীর্ণ। অনৈতিক ভিডিও ভাইরলের ঘটনায় খেপুপাড়া  বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত কলাপাড়ায় এ্যাডভোকেট রুবেলের দাফন সম্পন্ন: বিভিন্ন মহলের শোক

গাইবান্ধায় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনে।

অর্পিতা চ্যাটার্জী, গোবিন্দগঞ্জ প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫ ১৭৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড়ে সাংবাদিক পরিচয়ে মুক্তা মিয়া ও মিজানুর রহমান মিলনের চাঁদাবাজির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে এলাকাবাসী।

তাদের শাস্তির দাবিতে বুধবার শহরের কাচারি বাজার এলাকায় ডিবি রোডে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। পরে একই দাবিতে গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উক্ত চাঁদাবাজদের চাচাতো ভাই জুয়েল মিয়া।

মানববন্ধনে বক্তারা উল্লেখ করেন, সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের দক্ষিণ খোলাবাড়ী মাস্টারপাড়া গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে মুক্তা মিয়া ও মিজানুর রহমান মিলন ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সাংবাদিক পরিচয়ে নিরীহ ব্যক্তিদের কাছে চাঁদাবাজি করেছেন। তাদের এই চাঁদাবাজি এখনও অব্যাহত রয়েছে। তাদের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। চাঁদা দিতে না চাইলে তারা বিভিন্ন কৌশলে ও মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার শুরু করেন। মুক্তার মিয়ার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির একাধিক মামলা রয়েছে। এমনকি মুক্তার বিরুদ্ধে তার বাবা-মাও মামলা দায়ের করেছে।

সম্প্রতি মুক্তা মিয়ার জেঠাতো ভাই ঢাকায় বায়িং হাউজে কর্মরত জুয়েল মিয়াকে গাঁজা ও ইয়াবা ব্যবসায়ী বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম- ফেসবুকে অপপ্রচার চালায় মুক্তা মিয়া। তিনি ফেসবুকের ওই পোস্টটি জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অফিস ও পুলিশ সুপারকে ট্যাগ করেন। এ নিয়ে ডিএসবি তদন্তও করেন। কিন্তু জুয়েল মিয়ার বিরুদ্ধে কোনো মাদক দ্রব্য বিক্রির সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাননি তারা। এভাবেই মুক্তা মিয়া ও তার সহোদর ভাই মিজানুর রহমান মিলন এখনও এলাকার নিরীহ মানুষকে হয়রানী করে আসছে। তাদের দুজনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বক্তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গাইবান্ধায় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনে।

আপডেট সময় : ০৫:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড়ে সাংবাদিক পরিচয়ে মুক্তা মিয়া ও মিজানুর রহমান মিলনের চাঁদাবাজির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে এলাকাবাসী।

তাদের শাস্তির দাবিতে বুধবার শহরের কাচারি বাজার এলাকায় ডিবি রোডে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। পরে একই দাবিতে গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উক্ত চাঁদাবাজদের চাচাতো ভাই জুয়েল মিয়া।

মানববন্ধনে বক্তারা উল্লেখ করেন, সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের দক্ষিণ খোলাবাড়ী মাস্টারপাড়া গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে মুক্তা মিয়া ও মিজানুর রহমান মিলন ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সাংবাদিক পরিচয়ে নিরীহ ব্যক্তিদের কাছে চাঁদাবাজি করেছেন। তাদের এই চাঁদাবাজি এখনও অব্যাহত রয়েছে। তাদের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। চাঁদা দিতে না চাইলে তারা বিভিন্ন কৌশলে ও মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার শুরু করেন। মুক্তার মিয়ার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির একাধিক মামলা রয়েছে। এমনকি মুক্তার বিরুদ্ধে তার বাবা-মাও মামলা দায়ের করেছে।

সম্প্রতি মুক্তা মিয়ার জেঠাতো ভাই ঢাকায় বায়িং হাউজে কর্মরত জুয়েল মিয়াকে গাঁজা ও ইয়াবা ব্যবসায়ী বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম- ফেসবুকে অপপ্রচার চালায় মুক্তা মিয়া। তিনি ফেসবুকের ওই পোস্টটি জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অফিস ও পুলিশ সুপারকে ট্যাগ করেন। এ নিয়ে ডিএসবি তদন্তও করেন। কিন্তু জুয়েল মিয়ার বিরুদ্ধে কোনো মাদক দ্রব্য বিক্রির সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাননি তারা। এভাবেই মুক্তা মিয়া ও তার সহোদর ভাই মিজানুর রহমান মিলন এখনও এলাকার নিরীহ মানুষকে হয়রানী করে আসছে। তাদের দুজনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বক্তারা।