ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়া সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি ইউসুফ, সম্পাদক ইলিয়াস জাবেদ কলাপাড়া ধানখালী ডিগ্রি কলেজ শিক্ষক কর্তৃক অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত: সরকারি কাজে বাধা প্রদানের দায়ে অধ্যক্ষের মামলা। কলাপাড়ায় আগামীকাল শুরু হবে রাখাইন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা কলাপাড়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন ‘আমি আপনাদের সেবক, আপনাদের কর্মচারী’-এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি   কালবৈশাখী তান্ডবে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বিভিন্ন এলাকায় রাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সজল গাইন বার কাউন্সিলে পরিক্ষায় উত্তীর্ণ। অনৈতিক ভিডিও ভাইরলের ঘটনায় খেপুপাড়া  বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত কলাপাড়ায় এ্যাডভোকেট রুবেলের দাফন সম্পন্ন: বিভিন্ন মহলের শোক

কলাপাড়ায় ঝড়, জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি/এস আর
  • আপডেট সময় : ১০:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫ ১৬৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার দুর্গত এলাকা ঘুরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন কলাপাড়া ইউএনও মো. রবিউল ইসলাম।

শনিবার ৩১ মে সকাল থেকে অত্র উপজেলায় নিম্নচাপের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ১২০০ পরিবারের মাঝে এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এসময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক মো. ইয়াসীন সাদেক, উপজেলা  দুর্যোগ ও ত্রাণ কর্মকর্তা মো. মোকসেদুল আলম, মহিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো, ফজলু গাজী, লতাচাপলী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো,মিজানুর রহমান, ধুলাসার চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহিমসহ স্থানীয় সরকার বিভাগের জনপ্রতিনিধি ও দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে নিম্নচাপের প্রভাব কেটে গেলেও আজ শনিবার সকাল থেকে থেমে থেমে উপকূলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি প্রবেশ করে শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে । দু’দফা জোয়ারে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বেড়িবাঁধের বাইরে শত শত ঘর বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। টানা বৃষ্টি ও ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি প্রবেশ করে গ্রামের পর গ্রাম তলিয়ে রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে কৃষি ও মৎস্য খাতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কলাপাড়া  দুর্যোগ ও ত্রাণ কর্মকর্তা মো. মোকছেদুল আলম বলেন, আজ উপজেলার মহিপুর, লতাচাপলি, ধূলাসার, চম্পাপুর, লালুয়া, কুয়াকাটা এলাকার দুর্গত ১২০০ পরিবারের মাঝে ত্রান সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়েছে। বিতরণকৃত এ ত্রান সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১০ কেজি চাল, ৫০০ গ্রাম চিনি, ২৫০ গ্রাম চিড়া, এক প্যাকেট বিস্কিট সহ পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, পানিবন্দি ও বাড়িঘর বিধ্বস্ত ১২০০ পরিবারের মধ্যে আপাতত শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে সঠিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নিরুপন করে বরাদ্দ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কলাপাড়ায় ঝড়, জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

আপডেট সময় : ১০:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার দুর্গত এলাকা ঘুরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন কলাপাড়া ইউএনও মো. রবিউল ইসলাম।

শনিবার ৩১ মে সকাল থেকে অত্র উপজেলায় নিম্নচাপের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ১২০০ পরিবারের মাঝে এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এসময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক মো. ইয়াসীন সাদেক, উপজেলা  দুর্যোগ ও ত্রাণ কর্মকর্তা মো. মোকসেদুল আলম, মহিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো, ফজলু গাজী, লতাচাপলী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো,মিজানুর রহমান, ধুলাসার চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহিমসহ স্থানীয় সরকার বিভাগের জনপ্রতিনিধি ও দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে নিম্নচাপের প্রভাব কেটে গেলেও আজ শনিবার সকাল থেকে থেমে থেমে উপকূলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি প্রবেশ করে শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে । দু’দফা জোয়ারে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বেড়িবাঁধের বাইরে শত শত ঘর বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। টানা বৃষ্টি ও ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি প্রবেশ করে গ্রামের পর গ্রাম তলিয়ে রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে কৃষি ও মৎস্য খাতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কলাপাড়া  দুর্যোগ ও ত্রাণ কর্মকর্তা মো. মোকছেদুল আলম বলেন, আজ উপজেলার মহিপুর, লতাচাপলি, ধূলাসার, চম্পাপুর, লালুয়া, কুয়াকাটা এলাকার দুর্গত ১২০০ পরিবারের মাঝে ত্রান সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়েছে। বিতরণকৃত এ ত্রান সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১০ কেজি চাল, ৫০০ গ্রাম চিনি, ২৫০ গ্রাম চিড়া, এক প্যাকেট বিস্কিট সহ পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, পানিবন্দি ও বাড়িঘর বিধ্বস্ত ১২০০ পরিবারের মধ্যে আপাতত শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে সঠিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নিরুপন করে বরাদ্দ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।