ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়া সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি ইউসুফ, সম্পাদক ইলিয়াস জাবেদ কলাপাড়া ধানখালী ডিগ্রি কলেজ শিক্ষক কর্তৃক অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত: সরকারি কাজে বাধা প্রদানের দায়ে অধ্যক্ষের মামলা। কলাপাড়ায় আগামীকাল শুরু হবে রাখাইন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা কলাপাড়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন ‘আমি আপনাদের সেবক, আপনাদের কর্মচারী’-এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি   কালবৈশাখী তান্ডবে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বিভিন্ন এলাকায় রাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সজল গাইন বার কাউন্সিলে পরিক্ষায় উত্তীর্ণ। অনৈতিক ভিডিও ভাইরলের ঘটনায় খেপুপাড়া  বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত কলাপাড়ায় এ্যাডভোকেট রুবেলের দাফন সম্পন্ন: বিভিন্ন মহলের শোক

ধানখালী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বশির আহমেদ এর বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ।

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:২০:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫ ২৮১ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার, ধানখালী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ বশির আহমেদ এর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ।

আওয়ামী ফ্যাসিবাদ সরকারের দোসর ধানখালী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ বশির আহমেদ এর বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অপকর্ম ,দুর্নীতি, নিয়োগ বাণিজ্য সহ জমি অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ।

তদন্ত সুত্রে জনাযায় আশুগঞ্জ পাওয়ার প্লান্ট এর জমি অধিগ্রহণের (১৩ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩২৩ টাকা এবং ক্ষতিপূরণ বাবদ ১ লক্ষ ৬২ হাজার টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। কলেজের গাছ বিক্রি ৩০ হাজার টাকা, কলেজের দোকান ভাড়া বাবদ ৪৬,৫৮৮ টাকা সহ কলেজ নামিয় জমির ক্ষতিপূরন ১৪ লক্ষ টাকাও আত্মসাৎ করছে বলে জানা গেছে। সরকারের অনুমতি ব্যতীত একাধিকবার বিদেশ সফর করেছেন। কলেজের শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে উৎকোচ গ্রহণ করেছেন।
এছাড়াও ৪ নং মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের, পূর্ব মধুখালী সালিয়া দাখিল মাদ্রাসা দুই মেয়াদে গভর্নিং বডির সভাপতি ছিলেন। সেখানেও স্বজনপ্রীতি করে নিয়োগ বাণিজ্য করেছেন বলেও জানা গেছে।

কলেজের অধ্যক্ষ থাকা কালিন ছাত্র/ছাত্রীদের দিয়ে ফ্যাসিবাদ সরকারের মিছিল মিটিং করাতেন, শিক্ষকসহ সকল কর্মকর্তাকে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করাতে বাধ্য করতেন তিনি। তিনি নিজে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ গ্রহণ করেছেন।

কলেজ সম্পর্কিত ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দেন, মোঃ মনিরুল ইসলাম (সহকারী শিক্ষা পরিদর্শন) পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঢাকা, সুলতান আহমেদ (অডিট অফিসার) পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে এবং অভিযোগ সমূহ প্রমানিত হওয়ার প্রেক্ষিতে আইনঅনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তাকে চাকরিচুত্য করার সিদ্ধান্ত নিয়ে সবশেষ কারন দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে গত ২১/০৫/২০২৫ তারিখ। ৩ দিনের সময় দিয়ে প্রেরিত উক্ত নোটিশ ইতোমধ্যে তিনি রিসিভ করেছেন। আগামী ২১/০৫/২০২৫ তারিখে তার বেতন ভাতা বন্ধ সহ সাময়িক বরখাস্তের আদেশ হবে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মো: মঈন উদ্দিন।

এবিষয়ে অধ্যক্ষ বশির আহমেদ জানান, ঘটনা সব ঠিক আছে তবে টাকার যে বিষয় টা বলা হয়েছে, আমি সব খরচের ভাউচার দিয়েছি কিছু ভাউচার তারা পায়নি বিদায় আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠছে। তবে আমি তিন কার্জ দিবসের মধ্যে জবাব দেয়ার জন্য প্রস্তুত আছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ধানখালী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বশির আহমেদ এর বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ।

আপডেট সময় : ০৬:২০:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫

পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার, ধানখালী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ বশির আহমেদ এর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ।

আওয়ামী ফ্যাসিবাদ সরকারের দোসর ধানখালী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ বশির আহমেদ এর বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অপকর্ম ,দুর্নীতি, নিয়োগ বাণিজ্য সহ জমি অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ।

তদন্ত সুত্রে জনাযায় আশুগঞ্জ পাওয়ার প্লান্ট এর জমি অধিগ্রহণের (১৩ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩২৩ টাকা এবং ক্ষতিপূরণ বাবদ ১ লক্ষ ৬২ হাজার টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। কলেজের গাছ বিক্রি ৩০ হাজার টাকা, কলেজের দোকান ভাড়া বাবদ ৪৬,৫৮৮ টাকা সহ কলেজ নামিয় জমির ক্ষতিপূরন ১৪ লক্ষ টাকাও আত্মসাৎ করছে বলে জানা গেছে। সরকারের অনুমতি ব্যতীত একাধিকবার বিদেশ সফর করেছেন। কলেজের শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে উৎকোচ গ্রহণ করেছেন।
এছাড়াও ৪ নং মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের, পূর্ব মধুখালী সালিয়া দাখিল মাদ্রাসা দুই মেয়াদে গভর্নিং বডির সভাপতি ছিলেন। সেখানেও স্বজনপ্রীতি করে নিয়োগ বাণিজ্য করেছেন বলেও জানা গেছে।

কলেজের অধ্যক্ষ থাকা কালিন ছাত্র/ছাত্রীদের দিয়ে ফ্যাসিবাদ সরকারের মিছিল মিটিং করাতেন, শিক্ষকসহ সকল কর্মকর্তাকে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করাতে বাধ্য করতেন তিনি। তিনি নিজে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ গ্রহণ করেছেন।

কলেজ সম্পর্কিত ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দেন, মোঃ মনিরুল ইসলাম (সহকারী শিক্ষা পরিদর্শন) পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঢাকা, সুলতান আহমেদ (অডিট অফিসার) পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে এবং অভিযোগ সমূহ প্রমানিত হওয়ার প্রেক্ষিতে আইনঅনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তাকে চাকরিচুত্য করার সিদ্ধান্ত নিয়ে সবশেষ কারন দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে গত ২১/০৫/২০২৫ তারিখ। ৩ দিনের সময় দিয়ে প্রেরিত উক্ত নোটিশ ইতোমধ্যে তিনি রিসিভ করেছেন। আগামী ২১/০৫/২০২৫ তারিখে তার বেতন ভাতা বন্ধ সহ সাময়িক বরখাস্তের আদেশ হবে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মো: মঈন উদ্দিন।

এবিষয়ে অধ্যক্ষ বশির আহমেদ জানান, ঘটনা সব ঠিক আছে তবে টাকার যে বিষয় টা বলা হয়েছে, আমি সব খরচের ভাউচার দিয়েছি কিছু ভাউচার তারা পায়নি বিদায় আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠছে। তবে আমি তিন কার্জ দিবসের মধ্যে জবাব দেয়ার জন্য প্রস্তুত আছি।