কলাপাড়ায তরমুজ খেত নষ্ট করায় ছাগল ধরে পুলিশে দিল কৃষক
- আপডেট সময় : ০৮:০৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এক প্রতিবেশীর পালন কৃত গবাদি পশুর যন্ত্রণায় অতিষ্ট হয়ে ছাগল ধরে পুলিশ দিয়েছেন এক কৃষক। রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে মোটরসাইকেল যোগে একটি ছাগল কোলে বসিয়ে নিয়ে থানায় আসেন ভুক্তভোগী কৃষক আলাউদ্দিন।
পরে প্রতিবেশী রফিক হাওলাদারের বিরুদ্ধে তিনি একটি লিখিত অভিযোগ দায়েরের পাশাপাশি ছাগলটি পুলিশের সুপার্দ করেন।
বিষয়টি প্রথমে হাস্যকর মনে হলেও পরে তার অভিযোগের আদ্যপ্রান্তে জানা যায় কতটা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন তিনি।
উপজেলার টিয়াখালী ইউপির টিয়াখালী গ্রামের এই প্রান্তিক কৃষক একজন সৃজনশীল খামারি আলাউদ্দিন হাওলাদার। চলতি মৌসুমে বেশ কিছু জমিতে রবিশস্যের আবাদ করেছেন তিনি।
কিন্তু প্রতিবেশী রফিক হাওলাদারের পালিত গরু, ভেড়া এবং ছাগল প্রতিদিনই তার খেতে ঢুকে ফসল নষ্ট করে যায়। গতকাল শনিবার দুপুরেও এক পাল ভেড়া ও ছাগল তার তরমুজ খেতে প্রবেশ করে ৩০ শতক জমির ফসল নষ্ট করে। এছাড়া গত এক মাস ধরে এসব ভেড়া, ছাগল ও গরু তার প্রতিনিয়ত ক্ষতি সাধন করে আসছিল।
এ নিয়ে ভুক্তভোগী আলাউদ্দিন তার প্রতিবেশী রফিক হাওলাদার কে বেশ কয়েকবার অবহিত করলেও তিনি কর্ণপাত করেননি। তাই বাধ্য হয়ে গতকাল একটি ছাগল তিনি আটক করেন।
পরে একাধিকবার জানানো হলেও তিনি খোঁজ নিতে আসেননি। তাই এর ফায়সালা পেতে ছাগল নিয়ে থানায় হাজির হন তিনি।
এছাড়া তিনি বলেন, প্রতিবেশী রফিক হাওলাদারের পালিত গবাদি পশু তার অন্তত ২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করেছে। তাই অত্যাচার সইতে না পেরে বাধ্য হয়ে ছাগল নিয়ে থানা এসেছেন তিনি।
এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এস আই) রাসেল জানান, অভিযোগ পেয়ে রফিক হাওলাদারের সঙ্গে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তিনি সাড়া দেননি। আর থানায় তো পশু রাখার কোন জায়গা নেই। তাই স্থানীয় গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে যোগাযোগ করে ছাগলটি আলাউদ্দিনের জিম্মাতেই রাখা হয়েছে। পরবর্তী তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।













