ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
 কালবৈশাখী তান্ডবে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বিভিন্ন এলাকায় রাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সজল গাইন বার কাউন্সিলে পরিক্ষায় উত্তীর্ণ। অনৈতিক ভিডিও ভাইরলের ঘটনায় খেপুপাড়া  বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত কলাপাড়ায় এ্যাডভোকেট রুবেলের দাফন সম্পন্ন: বিভিন্ন মহলের শোক খেপুপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল কলাপাড়ায় ধর্ষন চেষ্টায় অভিযুক্তকে ৫০ জুতার বাড়ি ও ৫ হাজারে সমঝোতা খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারীর দুই হাত ভাঙার অভিযোগ। কলাপাড়ায় বিয়ে করতে গিয়েও দিতে হল চাঁদা, অভিযোগ যুবদল নেতা দেলোয়ার মৃধার বিরুদ্ধে। কলাপাড়ায তরমুজ খেত নষ্ট করায় ছাগল ধরে পুলিশে দিল কৃষক  হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ গ্রেফতার

 কালবৈশাখী তান্ডবে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বিভিন্ন এলাকায় রাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সমুদ্র উপকূলীয় উপজেলা পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া গতকাল মধ্যরাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে বিভিন্ন এলাকা।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২ টা ৪০ মিনিটের সময় হঠাৎই প্রচন্ড ঝড়ের গতিতে কালবৈশাখী তাণ্ডব শুরু হয়। প্রায় ২৫ মিনিটের 

এসময় বাতাসের তীব্রতায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর শহর এলাকায় একাধিক টিনশেডের ঘর,কুঁড়ে ঘর ও আধাপাকা ঘর বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ধানখালীর দুইটি বসতঘর কলাপাড়া পৌর শহরের চারটি ও কুয়াকাটার অন্তত ১৪ টি দোকান ঘর পুরোপুরি বিধ্বস্ত  খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও উপজেলায় আংশিক  ক্ষতিগ্রস্ত  হয়েছে অন্তত ৩ শতাধিক ঘরবাড়ি। 

অপরদিকে বিভিন্ন প্রজাতির বড় বড় গাছ উপরে ও ডাল ভেঙে পড়ে (গাছের গুড়ি) একাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থাপনায় চাপা পড়ে আছে । এ উপজেলায় ঠিক কতটা ঘর বাড়ি বিধ্বস্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে  ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

কুয়াকাটার লেম্বুর বন এলাকার বাসিন্দা ফারুক জানান, রাতের কালবৈশাখী ঝড়ে এখানে অন্তত ১৪ টি দোকান পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়াও একাধিক দোকান ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

ধানখালির ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোঃ মামুন জানান, পাচজুনিয়া গ্রামের ছিদ্দিক মিয়ার ঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। একই ইউপির বাসীন্দা সম্রাট জানান, রাতের আচমকা ঝড়ে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জলিল হাওলাদারের বাড়ি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে যায়। এ সময় ঘরের মধ্যে শবে কদরের নামাজ রত অবস্থায় থাকা ঘরের সদস্যরা নিচে চাপা পড়েন। কিন্তু মালামালের ক্ষতি হলেও তারা অক্ষত আছেন। 

কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, একাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পেয়েছি। আংশিক ক্ষতি কতটা হয়েছে তা জানতে আমরা স্থানীয় চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে খোঁজখবর নিচ্ছি। তবে অতিগ্রস্ত পরিবারে ঢেউটিন এবং সহায়তা প্রদান করা হবে বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

 কালবৈশাখী তান্ডবে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বিভিন্ন এলাকায় রাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন

আপডেট সময় : ০৩:৫৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

সমুদ্র উপকূলীয় উপজেলা পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া গতকাল মধ্যরাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে বিভিন্ন এলাকা।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২ টা ৪০ মিনিটের সময় হঠাৎই প্রচন্ড ঝড়ের গতিতে কালবৈশাখী তাণ্ডব শুরু হয়। প্রায় ২৫ মিনিটের 

এসময় বাতাসের তীব্রতায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর শহর এলাকায় একাধিক টিনশেডের ঘর,কুঁড়ে ঘর ও আধাপাকা ঘর বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ধানখালীর দুইটি বসতঘর কলাপাড়া পৌর শহরের চারটি ও কুয়াকাটার অন্তত ১৪ টি দোকান ঘর পুরোপুরি বিধ্বস্ত  খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও উপজেলায় আংশিক  ক্ষতিগ্রস্ত  হয়েছে অন্তত ৩ শতাধিক ঘরবাড়ি। 

অপরদিকে বিভিন্ন প্রজাতির বড় বড় গাছ উপরে ও ডাল ভেঙে পড়ে (গাছের গুড়ি) একাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থাপনায় চাপা পড়ে আছে । এ উপজেলায় ঠিক কতটা ঘর বাড়ি বিধ্বস্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে  ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

কুয়াকাটার লেম্বুর বন এলাকার বাসিন্দা ফারুক জানান, রাতের কালবৈশাখী ঝড়ে এখানে অন্তত ১৪ টি দোকান পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়াও একাধিক দোকান ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

ধানখালির ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোঃ মামুন জানান, পাচজুনিয়া গ্রামের ছিদ্দিক মিয়ার ঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। একই ইউপির বাসীন্দা সম্রাট জানান, রাতের আচমকা ঝড়ে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জলিল হাওলাদারের বাড়ি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে যায়। এ সময় ঘরের মধ্যে শবে কদরের নামাজ রত অবস্থায় থাকা ঘরের সদস্যরা নিচে চাপা পড়েন। কিন্তু মালামালের ক্ষতি হলেও তারা অক্ষত আছেন। 

কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, একাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পেয়েছি। আংশিক ক্ষতি কতটা হয়েছে তা জানতে আমরা স্থানীয় চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে খোঁজখবর নিচ্ছি। তবে অতিগ্রস্ত পরিবারে ঢেউটিন এবং সহায়তা প্রদান করা হবে বলে জানান তিনি।