ঢাকা ১০:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়া ধানখালী ডিগ্রি কলেজ শিক্ষক কর্তৃক অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত: সরকারি কাজে বাধা প্রদানের দায়ে অধ্যক্ষের মামলা। কলাপাড়ায় আগামীকাল শুরু হবে রাখাইন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা কলাপাড়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন ‘আমি আপনাদের সেবক, আপনাদের কর্মচারী’-এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি   কালবৈশাখী তান্ডবে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বিভিন্ন এলাকায় রাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সজল গাইন বার কাউন্সিলে পরিক্ষায় উত্তীর্ণ। অনৈতিক ভিডিও ভাইরলের ঘটনায় খেপুপাড়া  বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত কলাপাড়ায় এ্যাডভোকেট রুবেলের দাফন সম্পন্ন: বিভিন্ন মহলের শোক খেপুপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল কলাপাড়ায় ধর্ষন চেষ্টায় অভিযুক্তকে ৫০ জুতার বাড়ি ও ৫ হাজারে সমঝোতা

কলাপাড়া ধানখালী ডিগ্রি কলেজ শিক্ষক কর্তৃক অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত: সরকারি কাজে বাধা প্রদানের দায়ে অধ্যক্ষের মামলা।

কলাপাড়া প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:১০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ডিগ্রি কলেজে সরকারি বিধিমালা লঙ্ঘন করে অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দিয়েছেন অন্য শিক্ষারা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী অধ্যক্ষ কলাপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন যাহার নং- ০৯/২০২৬ ইং। এবিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এবং দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

গত ২৬ মে ২০২৫ তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এর ৬৬৪ নং স্মারকে সাবেক অধ্যক্ষ বশির আহম্মেদ এর বিরুদ্ধে কলেজ পরিচালনায় দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ায় তার এমপিও Stop Payment করা হয়। এর পরপরই কলেজের সার্বিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় কলেজের অন্যান্য সহকারী আধ্যাপক/জ্যেষ্ঠ প্রভাষকগন দায়িত্ব পালনে অপরগতা প্রকাশ করলে, ধানখালী কলেজের প্রশাসনিক, আর্থিক এবং একাডেমিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য আঠেরো জন প্রভাষকের স্বাক্ষরিত সম্মতিক্রমে ৩০শে জুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কলাপাড়া এর স্মারক নং ৭১৭, মূলে কলেজের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক জনাব মোঃ আবুল কালাম আজাদ কে সাময়িকভাবে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ প্রদান করা হয়।

নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষে অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়ম মেনে কলেজ পরিচালনা করে আসছেন। তবে একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে এবং কলেজের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করার চেষ্টা করছে।

অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ অভিযোগ করেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে কলেজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে এবং তাকে দায়িত্ব থেকে সরানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, পূর্বে কলেজের প্রশাসনিক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে একটি পক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে নানা মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। এমনকি তার দায়িত্ব পালনে বাঁধা সৃষ্টি, মানসিক চাপ প্রয়োগ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। কিছু ব্যক্তি জোরপূর্বক কলেজের প্রশাসনিক কার্যক্রমে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে এবং শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করছে। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে এবং প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

আবুল কালাম আজাদ আরও বলেন, অধ্যক্ষ হিসেবে আবুল কালাম আজাদ নিয়োগ পাওয়ার পর থেকেই দুর্নীতির অভিযোগে বরখাস্ত হওয়া আওয়ামী পন্থী সাবেক অধ্যক্ষের প্ররোচনায় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে থাকা ধানখালী কলেজের সহকারি অধ্যাপক মাসুম বিল্লাহ (বাংলা), আনোয়ার হোসেন সিকদার (হিসাব বিজ্ঞান), সজল চন্দ্র ভাট (ইতিহাস), তৌহিদুল ইসলাম (সমাজ কর্ম), মোশাররফ মৃধা (কম্পিউটার শিক্ষা) গন ৬ এপ্রিল (সোমবার) ২০২৬ কলেজ চলাকালীন সময় উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে সন্ত্রাসী স্টাইলে ডাক চিৎকার করে কলেজে আতঙ্ক সৃষ্টি করে, এতে ভয়ে কলেজের ছাত্রছাত্রীরা ছোটাছুটি শুরু করে, অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বিষয়টির প্রতিবাদ জানালে অধ্যক্ষ’কে মানহানি কর গালাগাল করতে করতে অধ্যক্ষের কক্ষে প্রবেশ করে মব সৃষ্টি করে খুন জখমের হুমকি দেখিয়ে জোরপূর্বক অধ্যক্ষকে কক্ষ থেকে বের করে দেয় এবং পরবর্তীতে অধ্যক্ষ কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে কলেজের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকরা প্রকাশ্যে মিডিয়ার সামনে অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেয়ার বিষয়টি দম্ভ করে স্বীকার করেন। শিক্ষকরা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদকে কলেজ থেকে তাড়িয়ে দিয়ে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদের মানহানি কর কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেন।

এ বিষয়ে ধানখালী ডিগ্রি কলেজ সহকারি অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, আবুল কালাম আজাদ অবৈধভাবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে পদ দখল করে আছেন তাই আমরা সকল শিক্ষকরা মিলে তার কক্ষে তালা এবং নেমপ্লেট খুলে ফেলছি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ আছে । আগামী শনিবার এ বিষয়ে ফয়সালার জন্য আলোচনা হবার কথা। বিষয়টি সমাধান না হলে আমরা শিক্ষকরা মিলে কঠোর আন্দোলন করবো।

এবিষয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, ধানখালি ডিগ্রি কলেজের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হয়েছে। তদন্তপূর্বক সত্যতা যাচাই বাছাই করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কলাপাড়া ধানখালী ডিগ্রি কলেজ শিক্ষক কর্তৃক অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত: সরকারি কাজে বাধা প্রদানের দায়ে অধ্যক্ষের মামলা।

আপডেট সময় : ১০:১০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ডিগ্রি কলেজে সরকারি বিধিমালা লঙ্ঘন করে অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দিয়েছেন অন্য শিক্ষারা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী অধ্যক্ষ কলাপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন যাহার নং- ০৯/২০২৬ ইং। এবিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এবং দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

গত ২৬ মে ২০২৫ তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এর ৬৬৪ নং স্মারকে সাবেক অধ্যক্ষ বশির আহম্মেদ এর বিরুদ্ধে কলেজ পরিচালনায় দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ায় তার এমপিও Stop Payment করা হয়। এর পরপরই কলেজের সার্বিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় কলেজের অন্যান্য সহকারী আধ্যাপক/জ্যেষ্ঠ প্রভাষকগন দায়িত্ব পালনে অপরগতা প্রকাশ করলে, ধানখালী কলেজের প্রশাসনিক, আর্থিক এবং একাডেমিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য আঠেরো জন প্রভাষকের স্বাক্ষরিত সম্মতিক্রমে ৩০শে জুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কলাপাড়া এর স্মারক নং ৭১৭, মূলে কলেজের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক জনাব মোঃ আবুল কালাম আজাদ কে সাময়িকভাবে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ প্রদান করা হয়।

নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষে অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়ম মেনে কলেজ পরিচালনা করে আসছেন। তবে একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে এবং কলেজের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করার চেষ্টা করছে।

অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ অভিযোগ করেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে কলেজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে এবং তাকে দায়িত্ব থেকে সরানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, পূর্বে কলেজের প্রশাসনিক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে একটি পক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে নানা মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। এমনকি তার দায়িত্ব পালনে বাঁধা সৃষ্টি, মানসিক চাপ প্রয়োগ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। কিছু ব্যক্তি জোরপূর্বক কলেজের প্রশাসনিক কার্যক্রমে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে এবং শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করছে। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে এবং প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

আবুল কালাম আজাদ আরও বলেন, অধ্যক্ষ হিসেবে আবুল কালাম আজাদ নিয়োগ পাওয়ার পর থেকেই দুর্নীতির অভিযোগে বরখাস্ত হওয়া আওয়ামী পন্থী সাবেক অধ্যক্ষের প্ররোচনায় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে থাকা ধানখালী কলেজের সহকারি অধ্যাপক মাসুম বিল্লাহ (বাংলা), আনোয়ার হোসেন সিকদার (হিসাব বিজ্ঞান), সজল চন্দ্র ভাট (ইতিহাস), তৌহিদুল ইসলাম (সমাজ কর্ম), মোশাররফ মৃধা (কম্পিউটার শিক্ষা) গন ৬ এপ্রিল (সোমবার) ২০২৬ কলেজ চলাকালীন সময় উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে সন্ত্রাসী স্টাইলে ডাক চিৎকার করে কলেজে আতঙ্ক সৃষ্টি করে, এতে ভয়ে কলেজের ছাত্রছাত্রীরা ছোটাছুটি শুরু করে, অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বিষয়টির প্রতিবাদ জানালে অধ্যক্ষ’কে মানহানি কর গালাগাল করতে করতে অধ্যক্ষের কক্ষে প্রবেশ করে মব সৃষ্টি করে খুন জখমের হুমকি দেখিয়ে জোরপূর্বক অধ্যক্ষকে কক্ষ থেকে বের করে দেয় এবং পরবর্তীতে অধ্যক্ষ কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে কলেজের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকরা প্রকাশ্যে মিডিয়ার সামনে অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেয়ার বিষয়টি দম্ভ করে স্বীকার করেন। শিক্ষকরা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদকে কলেজ থেকে তাড়িয়ে দিয়ে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদের মানহানি কর কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেন।

এ বিষয়ে ধানখালী ডিগ্রি কলেজ সহকারি অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, আবুল কালাম আজাদ অবৈধভাবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে পদ দখল করে আছেন তাই আমরা সকল শিক্ষকরা মিলে তার কক্ষে তালা এবং নেমপ্লেট খুলে ফেলছি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ আছে । আগামী শনিবার এ বিষয়ে ফয়সালার জন্য আলোচনা হবার কথা। বিষয়টি সমাধান না হলে আমরা শিক্ষকরা মিলে কঠোর আন্দোলন করবো।

এবিষয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, ধানখালি ডিগ্রি কলেজের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হয়েছে। তদন্তপূর্বক সত্যতা যাচাই বাছাই করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবো।