যুবদল নেতার বিরুদ্ধে দুই সন্তানের জননী প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৯:৩৪:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মহিপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারন সম্পাদক সুমন হাওলাদার ও তার ভাই মিরাজের বিরুদ্ধে সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী দুই সন্তানের জননী জান্নাতী বেগম (২৫) কে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। এসময় তার স্ত্রী হাসিনা বেগম (৫০) কেও মারধর করা হয়। শনিবার দুপুরে ওই ইউনিয়নের বিপিনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় আহত জান্নাতীকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করেছে। আর হাসিনা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
শরীরের যন্ত্রনা নিয়ে হাসপাতালের বিছানায় কাতরানো জান্নাতী বলেন, ৩ থেকে ৪ বছর ধরে প্রতিবেশী সুমনের সঙ্গে ১৩ শতাংশ জমি নিয়ে আমার শ্বাশুরী হাসিনা বেগমের বিরোধ চলে আসছে। এ জমি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বেশ কয়েকবার শালিস বৈঠক হয়েছে। কিন্তু সুমন কোন শালিস বৈঠক মানে। আমার স্বামী সৌদি থাকার সুবাদে আমি ও আমার স্ত্রী ওই বাড়িতেই থাকি। আজ সুমন ও তার ভাই মিরাজ আমাদের ওই জমি দখল করতে আসে। এসময় আমি ও আমার শ্বাশুরি হাসিনা বাঁধা দিলে তারা দুই ভাই আমাদের ব্যাপক মারধর করে। চার মাস আগে সিজারের মাধ্যমে আমার এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। সুমন আমার তল পেটে লাথি দেওয়ায় আমি ব্যাপক আহত হই। তারপরও তারা আমাকে মারতে থাকে। এক পর্যায়ে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।
হাসিনা বেগম বলেন, আমাকে ও আমার ছেলের স্ত্রীকে মারধর করার সময় আমাদের বাড়ির পাশের হাসান সম্পূর্ন ভিডিও করে। আমরা চলে আসার পর তারা হাসানকেও মারধর করে। এছাড়া বিরোধীয় উপর আমাদের কাঠ এবং টিন ছিলো। পরে সুমন তার লোকজন নিয়ে সব লুটপাট করে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে জানতে মহিপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারন সম্পাদক সুমন হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার জমি তারা দখল নিয়েছে। আমি বাঁধা দিতে গেলে তারা আমাকে মারধর করে। আমি হাসপাতাল ভর্তি আছি।
মহিপুর থানার ওসি মহব্বত খান বলেন, এ ঘটনায় কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হইবে।













