ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খালেদা জিয়ার ওসিয়ত রক্ষায় কলাপাড়াবাসীকে ধানের শীষে ভোট দেয়ায় আহবান জানালেন এবিএম মোশাররফ। কলাপাড়ায় বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাড়ালেন গণ অধিকার পরিষদ প্রার্থী রবিউল হাসান ফেরাউনের মসনত টেকেনাই, নমরুদের মসনদ টেকেনাই, সাদ্দাতের মসনত টেকেনাই, জালেম-দুর্নীতিবাজদেরও মসনত টেকবেনা……রেজাউল করিম বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ২০  হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে…….এবিএম মোশাররফ হোসেন কলাপাড়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান, ৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার কুয়াকাটায় ফ্রি হোটেল ম্যানেজমেন্ট ও ই-টিকেটিং কোর্সের শুভ উদ্বোধন ধানের শীষে ভোট দিলে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আওয়ামীলীগের লোকেরা নিরাপদে থাকবে…এবিএম মোশাররফ হোসেন বিএনপি ক্ষমতায় যাবে তাই ধানের শীষের প্রার্থীকে এমপি নির্বাচিত করতে হবে….এবিএম মোশাররফ হোসেন আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নুরুল হক নূরকে শোকজ। বেগম খালেদা জিয়া প্রাইমারি শিক্ষা ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক ও দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়ালেখার সুযোগ দিয়ে নারী জাগরণ সৃষ্টি করেছিলো….এবিএম মোশাররফ হোসেন

আওয়ামী লীগের ভোটকে টার্গেট করে পটুয়াখালী-৪ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ডা. জহির উদ্দিন আহম্মেদ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে উত্তাপ ছড়াচ্ছে ভোটের মাঠে। নির্বাচনে কৌশলগত কারণে পরিবর্তন হচ্ছে জোটের প্রার্থী। পটুয়াখালী-৪ আসনে জোটের প্রার্থী হচ্ছেন ডাক্তার জহির উদ্দিন আহম্মেদ ।

১০ দলের যে জোট গঠন করা হয়েছে এর মধ্যে অন্যতম হলো খেলাফত মজলিস। আর এই খেলাফত মজলিস থেকেই জোটের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। জহির উদ্দিন আহম্মেদ রাঙ্গাবালী উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও রাঙ্গাবালী উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন।

এখানে জোটের প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল ইসলামী আন্দোলনের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমানের। জোট ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে ডা.জহির উদ্দিন আহমেদের জনপ্রিয়তা ও আওয়ামী লীগের ভোটকে টার্গেট করে তাকে জোটেরপ্রার্থী করা হয়েছে।

ডা. জহির উদ্দিন আহম্মেদ জানান, জোটের প্রার্থী হিসেবে এখানে আমাকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম তার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আবেদন রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, ‘আমি কখনোই আওয়ামী লীগের উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলাম না। দোয়াত কলম মার্কা নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হয়েছিলাম। পরে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের ৫ বছর শেষে আমাকে পটুয়াখালী-৪ আসনের তৎকালীন এমপি মহিববুর রহমান আমাকে বলল আপনাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা করছি। তবে আমি তাতে সম্মতি দেইনি। তাছাড়া একজন এমপি কখনোই দলের পদ দিতে পারে না। দলের পদ হবে জেলা কমিটির স্বাক্ষরে, কিংবা কাউন্সিলের মাধ্যমে। এমপির স্বাক্ষরে দলের পদ দেয়া যায় না। যেহেতু এ ব্যাপারে আমি জানতাম না। আমি কখনই আওয়ামী লীগ করতামও না। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হচ্ছে।

জেলা জামায়াতে আমির এডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, এখানে আমাদের জোট থেকে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী ডা. জহির উদ্দিন আহমেদকে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, ‘পটুয়াখালী-৪ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে ডা. জহির উদ্দিন আহমেদকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁকে আমরা সহযোগিতা করবো।

১০দলীয় জোটের প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে পটুয়াখালী–৪ আসনের নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আওয়ামী লীগের ভোটকে টার্গেট করে পটুয়াখালী-৪ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ডা. জহির উদ্দিন আহম্মেদ

আপডেট সময় : ০৬:০৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে উত্তাপ ছড়াচ্ছে ভোটের মাঠে। নির্বাচনে কৌশলগত কারণে পরিবর্তন হচ্ছে জোটের প্রার্থী। পটুয়াখালী-৪ আসনে জোটের প্রার্থী হচ্ছেন ডাক্তার জহির উদ্দিন আহম্মেদ ।

১০ দলের যে জোট গঠন করা হয়েছে এর মধ্যে অন্যতম হলো খেলাফত মজলিস। আর এই খেলাফত মজলিস থেকেই জোটের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। জহির উদ্দিন আহম্মেদ রাঙ্গাবালী উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও রাঙ্গাবালী উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন।

এখানে জোটের প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল ইসলামী আন্দোলনের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমানের। জোট ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে ডা.জহির উদ্দিন আহমেদের জনপ্রিয়তা ও আওয়ামী লীগের ভোটকে টার্গেট করে তাকে জোটেরপ্রার্থী করা হয়েছে।

ডা. জহির উদ্দিন আহম্মেদ জানান, জোটের প্রার্থী হিসেবে এখানে আমাকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম তার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আবেদন রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, ‘আমি কখনোই আওয়ামী লীগের উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলাম না। দোয়াত কলম মার্কা নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হয়েছিলাম। পরে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের ৫ বছর শেষে আমাকে পটুয়াখালী-৪ আসনের তৎকালীন এমপি মহিববুর রহমান আমাকে বলল আপনাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা করছি। তবে আমি তাতে সম্মতি দেইনি। তাছাড়া একজন এমপি কখনোই দলের পদ দিতে পারে না। দলের পদ হবে জেলা কমিটির স্বাক্ষরে, কিংবা কাউন্সিলের মাধ্যমে। এমপির স্বাক্ষরে দলের পদ দেয়া যায় না। যেহেতু এ ব্যাপারে আমি জানতাম না। আমি কখনই আওয়ামী লীগ করতামও না। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হচ্ছে।

জেলা জামায়াতে আমির এডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, এখানে আমাদের জোট থেকে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী ডা. জহির উদ্দিন আহমেদকে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, ‘পটুয়াখালী-৪ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে ডা. জহির উদ্দিন আহমেদকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁকে আমরা সহযোগিতা করবো।

১০দলীয় জোটের প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে পটুয়াখালী–৪ আসনের নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।