ঢাকা ১২:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আইফোন কিনতে বিক্রি করা সেই শিশুকে উদ্ধার, দাদা-দাদির কাছে হস্তান্তর কলাপাড়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত কলাপাড়ায় আওয়ামীলীগ নেতাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম কলাপাড়ায় বাক প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার ঘটনা নিয়ে ব্যবসায়ীদের দুই গ্রুপের মধ্যে দু’দফা সংঘর্ষ, আহত-১০ রংপুরে শিক্ষক পরিবারে চার হত্যাকাণ্ড: আদালতে দুই আসামির চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ও নেপথ্যের রহস্য গ্রাহকের মৃত্যুতে কিস্তি মওকুফ, পরিবারের হাতে ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দিল কলাপাড়া ওয়ালটন প্লাজা। কলাপাড়ায় বাল্য বিবাহকে লাল কার্ড দেখালো শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা, ১০ জন মেয়ে শিশু পেলো শিক্ষা বৃত্তি। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট। মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ: আলোচনায় আলহাজ্ব এবিএম মোশাররফ হোসেন। কলাপাড়ায় অবৈধ ভুসনা জাল বিক্রেতাকে অর্থদণ্ড, জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট।

আইফোন কিনতে বিক্রি করা সেই শিশুকে উদ্ধার, দাদা-দাদির কাছে হস্তান্তর

বাংলাদেশ সংলাপ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১১:৪১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আইফোন কিনতে বিক্রি করা সেই শিশুকে উদ্ধার, দাদা-দাদির কাছে হস্তান্তর

পটুয়াখালীর দশমিনায় আইফোন কেনার জন্য বাবার কাছে এক লাখ টাকায় বিক্রি হয়ে যাওয়া দেড় বছরের শিশু মুসাকে উদ্ধার করে তার দাদা-দাদির কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে প্রশাসন।

সোমবার রাত ১২টার দিকে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে। পরে দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসানের উপস্থিতিতে শিশুটিকে তার দাদা মফিজ মুন্সী ও দাদি মাহফুজা বেগমের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।

এ সময় শিশুটির বাবা মারুফ মুন্সী এবং শিশুটিকে কিনে নেওয়ার অভিযোগ থাকা ইমরান হোসেনের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের মাছুয়াখালী গ্রামের কাঠমিস্ত্রি মারুফ মুন্সী ঢাকার সাভার এলাকার বৃষ্টি নামে এক তরুণীকে বিয়ে করেন। আড়াই বছর পর তাদের ঘরে মুসার জন্ম হয়। প্রায় এক মাস আগে দাম্পত্য কলহের জেরে বৃষ্টি বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর কিছুদিন পর মারুফও ঢাকায় চলে যান।

গত শুক্রবার সন্ধ্যার আগে মারুফ বাড়িতে ফেরেন। পরদিন শনিবার সকালে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে দেড় বছরের শিশু মুসাকে সঙ্গে নিয়ে আলীপুর ইউনিয়নের রোমানাথসেন গ্রামের ইমরান হোসেনের কাছে যান। সেখানে এক লাখ টাকার বিনিময়ে লিখিতভাবে শিশুটিকে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে প্রশাসন ও পুলিশের উদ্যোগে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, শিশুটিকে উদ্ধার করে তার দাদা-দাদির জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। শিশুটির ভবিষ্যৎ সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার নামে একটি ব্যাংক হিসাব খোলাসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আইফোন কিনতে বিক্রি করা সেই শিশুকে উদ্ধার, দাদা-দাদির কাছে হস্তান্তর

আপডেট সময় : ১১:৪১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

আইফোন কিনতে বিক্রি করা সেই শিশুকে উদ্ধার, দাদা-দাদির কাছে হস্তান্তর

পটুয়াখালীর দশমিনায় আইফোন কেনার জন্য বাবার কাছে এক লাখ টাকায় বিক্রি হয়ে যাওয়া দেড় বছরের শিশু মুসাকে উদ্ধার করে তার দাদা-দাদির কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে প্রশাসন।

সোমবার রাত ১২টার দিকে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে। পরে দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসানের উপস্থিতিতে শিশুটিকে তার দাদা মফিজ মুন্সী ও দাদি মাহফুজা বেগমের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।

এ সময় শিশুটির বাবা মারুফ মুন্সী এবং শিশুটিকে কিনে নেওয়ার অভিযোগ থাকা ইমরান হোসেনের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের মাছুয়াখালী গ্রামের কাঠমিস্ত্রি মারুফ মুন্সী ঢাকার সাভার এলাকার বৃষ্টি নামে এক তরুণীকে বিয়ে করেন। আড়াই বছর পর তাদের ঘরে মুসার জন্ম হয়। প্রায় এক মাস আগে দাম্পত্য কলহের জেরে বৃষ্টি বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর কিছুদিন পর মারুফও ঢাকায় চলে যান।

গত শুক্রবার সন্ধ্যার আগে মারুফ বাড়িতে ফেরেন। পরদিন শনিবার সকালে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে দেড় বছরের শিশু মুসাকে সঙ্গে নিয়ে আলীপুর ইউনিয়নের রোমানাথসেন গ্রামের ইমরান হোসেনের কাছে যান। সেখানে এক লাখ টাকার বিনিময়ে লিখিতভাবে শিশুটিকে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে প্রশাসন ও পুলিশের উদ্যোগে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, শিশুটিকে উদ্ধার করে তার দাদা-দাদির জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। শিশুটির ভবিষ্যৎ সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার নামে একটি ব্যাংক হিসাব খোলাসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।