ঢাকা ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়া সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি ইউসুফ, সম্পাদক ইলিয়াস জাবেদ কলাপাড়া ধানখালী ডিগ্রি কলেজ শিক্ষক কর্তৃক অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত: সরকারি কাজে বাধা প্রদানের দায়ে অধ্যক্ষের মামলা। কলাপাড়ায় আগামীকাল শুরু হবে রাখাইন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা কলাপাড়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন ‘আমি আপনাদের সেবক, আপনাদের কর্মচারী’-এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি   কালবৈশাখী তান্ডবে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বিভিন্ন এলাকায় রাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সজল গাইন বার কাউন্সিলে পরিক্ষায় উত্তীর্ণ। অনৈতিক ভিডিও ভাইরলের ঘটনায় খেপুপাড়া  বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত কলাপাড়ায় এ্যাডভোকেট রুবেলের দাফন সম্পন্ন: বিভিন্ন মহলের শোক

লালমনিরহাটে রোপা-আমন ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫ ১৬৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি


মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ, লালমনিরহাট প্রতিনিধি: চলতি রোপা-আমন মৌসুমের এ সময়ে ধান পরিচর্যা করছেন লালমনিরহাট জেলার কৃষক ও শ্রমিকরা। ইরি-বোরো শেষে রোপ-আমন চাষে কোমর বেঁধে মাঠে নামেন তারা। বর্তমানে ধান গাছের পরিচর্যায় যেন দম ফেলার সময় নেই তাদের।

কৃষি নির্ভর লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভার প্রায় ৮০ ভাগ মানুষের ফসল উৎপাদন ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটে।

গত ইরি-বোরো মৌসুমে বৈরী আবহাওয়ায় অনেক কৃষকের পাকা ধান নষ্ট হয়ে গেছে। তবে ধান ও খড় তেমন পাওয়া যায়নি। বর্তমানে ধানের দাম ভালো।

এতে লোকসান কাটিয়ে কোনো রকমে উৎপাদন খরচ জুটছে কৃষকের কপালে। এমনটি বলছিলেন কোদালখাতা গ্রামের কৃষক কমল কান্তি বর্মন।

ইরি-বোরো কর্তন শেষে রোপা-আমন চাষে কোমর বেঁধে মাঠে নামেন কৃষক ও শ্রমিকরা। বাড়ির আশ-পাশে বিস্তীর্ণ রোপা-আমন ফসলের মাঠ, সবুজে সমারোহ। কেউ ধান গাছের আগাছা পরিস্কার করছেন। আবার কেউ সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করছেন। সবুজ পাতায় বাতাসে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন।

ফুলগাছ গ্রামের কৃষক হযরত আলী ভাষায় এ লালমনিরহাট জেলায় রোপা-আমন এর বিভিন্ন জাতের ধান রোপণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগ জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষ করা হয়।

ধান গাছের চেহারায় তিনি মুগ্ধ। পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে কীটনাশক প্রয়োগ ও আগাছা পরিস্কারে ব্যস্ত রয়েছেন আর সব কৃষকের মতো তিনিও।

লালমনিরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে প্রায় ৮০হাজার হেক্টর জমিতে রোপা-আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে রোপা-আমন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে কৃষক গোলায় উঠাবেন সোনার ফসল এমন প্রত্যাশায় আশাবাদি তিনি।

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, তৃতীয় দফার বন্যায় লালমনিরহাট জেলার ৯শত ১৫হেক্টর আমন ক্ষেত পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে; যার সামান্য কিছু নষ্ট হলেও নতুন করে রোপণ করার সময় রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

লালমনিরহাটে রোপা-আমন ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক

আপডেট সময় : ০৮:০৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫


মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ, লালমনিরহাট প্রতিনিধি: চলতি রোপা-আমন মৌসুমের এ সময়ে ধান পরিচর্যা করছেন লালমনিরহাট জেলার কৃষক ও শ্রমিকরা। ইরি-বোরো শেষে রোপ-আমন চাষে কোমর বেঁধে মাঠে নামেন তারা। বর্তমানে ধান গাছের পরিচর্যায় যেন দম ফেলার সময় নেই তাদের।

কৃষি নির্ভর লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভার প্রায় ৮০ ভাগ মানুষের ফসল উৎপাদন ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটে।

গত ইরি-বোরো মৌসুমে বৈরী আবহাওয়ায় অনেক কৃষকের পাকা ধান নষ্ট হয়ে গেছে। তবে ধান ও খড় তেমন পাওয়া যায়নি। বর্তমানে ধানের দাম ভালো।

এতে লোকসান কাটিয়ে কোনো রকমে উৎপাদন খরচ জুটছে কৃষকের কপালে। এমনটি বলছিলেন কোদালখাতা গ্রামের কৃষক কমল কান্তি বর্মন।

ইরি-বোরো কর্তন শেষে রোপা-আমন চাষে কোমর বেঁধে মাঠে নামেন কৃষক ও শ্রমিকরা। বাড়ির আশ-পাশে বিস্তীর্ণ রোপা-আমন ফসলের মাঠ, সবুজে সমারোহ। কেউ ধান গাছের আগাছা পরিস্কার করছেন। আবার কেউ সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করছেন। সবুজ পাতায় বাতাসে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন।

ফুলগাছ গ্রামের কৃষক হযরত আলী ভাষায় এ লালমনিরহাট জেলায় রোপা-আমন এর বিভিন্ন জাতের ধান রোপণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগ জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষ করা হয়।

ধান গাছের চেহারায় তিনি মুগ্ধ। পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে কীটনাশক প্রয়োগ ও আগাছা পরিস্কারে ব্যস্ত রয়েছেন আর সব কৃষকের মতো তিনিও।

লালমনিরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে প্রায় ৮০হাজার হেক্টর জমিতে রোপা-আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে রোপা-আমন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে কৃষক গোলায় উঠাবেন সোনার ফসল এমন প্রত্যাশায় আশাবাদি তিনি।

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, তৃতীয় দফার বন্যায় লালমনিরহাট জেলার ৯শত ১৫হেক্টর আমন ক্ষেত পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে; যার সামান্য কিছু নষ্ট হলেও নতুন করে রোপণ করার সময় রয়েছে।