ঢাকা ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সারাদেশে শুরু হতে যাচ্ছে বিশেষ অভিযান: র‍্যাব মহাপরিচালক। আইফোন কিনতে বিক্রি করা সেই শিশুকে উদ্ধার, দাদা-দাদির কাছে হস্তান্তর কলাপাড়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত কলাপাড়ায় আওয়ামীলীগ নেতাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম কলাপাড়ায় বাক প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার ঘটনা নিয়ে ব্যবসায়ীদের দুই গ্রুপের মধ্যে দু’দফা সংঘর্ষ, আহত-১০ রংপুরে শিক্ষক পরিবারে চার হত্যাকাণ্ড: আদালতে দুই আসামির চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ও নেপথ্যের রহস্য গ্রাহকের মৃত্যুতে কিস্তি মওকুফ, পরিবারের হাতে ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দিল কলাপাড়া ওয়ালটন প্লাজা। কলাপাড়ায় বাল্য বিবাহকে লাল কার্ড দেখালো শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা, ১০ জন মেয়ে শিশু পেলো শিক্ষা বৃত্তি। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট। মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ: আলোচনায় আলহাজ্ব এবিএম মোশাররফ হোসেন।

গলাচিপায় ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ধর্ষণ, অভিযুক্ত পলাতক

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা
  • আপডেট সময় : ০৮:০৫:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫ ৭২ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালীর গলাচিপায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের মোটরসাইকেলচালক বাহাদূর হাওলাদারের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার (১৬ জুন) রাত ৩টার দিকে গলাচিপা সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়ার সোমবাড়িয়া বাজারে।

এই ঘটনায় বুধবার (১৮ জুন) শিক্ষার্থীর মামা গলাচিপা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত বাহাদূর পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণ এবং পরিবার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী গলাচিপা সদর ইউনিয়নের পক্ষিয়া গ্রামের বাসিন্দা। জন্ম থেকেই বাবা নিরুদ্দেশ থাকায় সে তার মামাবাড়িতেই বসবাস করে আসছিল এবং সামাজিকভাবে কিছুটা অসহায় ছিল। এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে বাহাদূর হাওলাদার তাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখানো শুরু করে এবং একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে বাহাদূর বিয়ের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

গত সোমবার (১৬ জুন) রাত আনুমানিক ৩টার দিকে শিক্ষার্থী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে উঠানে বের হয়। সে সময় আগে থেকে লুকিয়ে থাকা বাহাদূর কৌশলে তাকে বাড়ির কাছে সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়ার সোমবাড়িয়া বাজারে তার বড় ভাই বাদশার টেইলারিং দোকানের পেছনের ঘরে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধস্তাধস্তি এবং ডাকচিৎকার শুনে এলাকার লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এলে বাহাদূর দৌড়ে পালিয়ে যায়।

গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীর এই ঘটনায় গলাচিপা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান চলমান রয়েছে। একইসঙ্গে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে চিকিৎসা এবং মেডিক্যাল রিপোর্টের জন্য পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা ঘটনার একমাত্র আসামি বাহাদূরকে দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছি।”

এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা অভিযুক্তের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গলাচিপায় ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ধর্ষণ, অভিযুক্ত পলাতক

আপডেট সময় : ০৮:০৫:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫

পটুয়াখালীর গলাচিপায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের মোটরসাইকেলচালক বাহাদূর হাওলাদারের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার (১৬ জুন) রাত ৩টার দিকে গলাচিপা সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়ার সোমবাড়িয়া বাজারে।

এই ঘটনায় বুধবার (১৮ জুন) শিক্ষার্থীর মামা গলাচিপা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত বাহাদূর পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণ এবং পরিবার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী গলাচিপা সদর ইউনিয়নের পক্ষিয়া গ্রামের বাসিন্দা। জন্ম থেকেই বাবা নিরুদ্দেশ থাকায় সে তার মামাবাড়িতেই বসবাস করে আসছিল এবং সামাজিকভাবে কিছুটা অসহায় ছিল। এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে বাহাদূর হাওলাদার তাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখানো শুরু করে এবং একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে বাহাদূর বিয়ের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

গত সোমবার (১৬ জুন) রাত আনুমানিক ৩টার দিকে শিক্ষার্থী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে উঠানে বের হয়। সে সময় আগে থেকে লুকিয়ে থাকা বাহাদূর কৌশলে তাকে বাড়ির কাছে সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়ার সোমবাড়িয়া বাজারে তার বড় ভাই বাদশার টেইলারিং দোকানের পেছনের ঘরে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধস্তাধস্তি এবং ডাকচিৎকার শুনে এলাকার লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এলে বাহাদূর দৌড়ে পালিয়ে যায়।

গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীর এই ঘটনায় গলাচিপা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান চলমান রয়েছে। একইসঙ্গে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে চিকিৎসা এবং মেডিক্যাল রিপোর্টের জন্য পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা ঘটনার একমাত্র আসামি বাহাদূরকে দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছি।”

এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা অভিযুক্তের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।