ঢাকা ১১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খেপুপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল কলাপাড়ায় ধর্ষন চেষ্টায় অভিযুক্তকে ৫০ জুতার বাড়ি ও ৫ হাজারে সমঝোতা খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারীর দুই হাত ভাঙার অভিযোগ। কলাপাড়ায় বিয়ে করতে গিয়েও দিতে হল চাঁদা, অভিযোগ যুবদল নেতা দেলোয়ার মৃধার বিরুদ্ধে। কলাপাড়ায তরমুজ খেত নষ্ট করায় ছাগল ধরে পুলিশে দিল কৃষক  হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ গ্রেফতার কলাপাড়ায় উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন জাকির মৃধা কলাপাড়ায় আবাসিক এলাকা থেকে দুই পতিতা ও খদ্দের সহ দেহ ব্যবসায়ী গ্রেফতার যুবদল নেতার বিরুদ্ধে দুই সন্তানের জননী প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ কলাপাড়ায় মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা প্রত্যাহার ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সুমন, রাসেল ও সজিবের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

দুর্নীতির মামলায় যবিপ্রবির সাবেক উপাচার্য আব্দুস সাত্তার কারাগারে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৭:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫ ১৫১ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তার। সংগৃহীত ছবি

দুর্নীতির মামলায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

সোমবার (১৬ জুন) দুপুরে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ নাজমুল আলম এই আদেশ দেন।

মামলার ধার্য দিনে আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানালে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের পিপি সিরাজুল ইসলাম।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সরকারি ৬১ লাখ ৩১ হাজার ৭৩২ টাকা আত্মসাৎ এবং অবৈধ নিয়োগের অভিযোগে ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট ড. আব্দুস সাত্তার, যবিপ্রবির উপ-পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) আব্দুর রউফ এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য ড. কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলাটি করেন যশোর দুদকের তৎকালীন উপ-পরিচালক আল-আমিন।

মামলার তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। চার্জশিটে বলা হয়, ২০০৯ সালের একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে আবেদন করেন আব্দুর রউফ। অথচ অভিজ্ঞতার শর্ত পূরণ না করেও তৎকালীন উপাচার্য ড. আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বাধীন বাছাই বোর্ড তাকে প্রথমে ওই পদে, পরে সেকশন অফিসার পদে নিয়োগের সুপারিশ করে।

পরে রিজেন্ট বোর্ডের সভাপতি হিসেবে ড. সাত্তার উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই তাকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেন। পরে বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে আব্দুর রউফ ধাপে ধাপে উপ-পরিচালক পদে পৌঁছান। ২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত বেতন-ভাতা বাবদ আত্মসাৎ করেন ৬১ লাখ ৩১ হাজার ৭৩২ টাকা।

এ মামলায় ড. আব্দুস সাত্তার আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে আদালত তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, মামলার অপর দুই আসামি আব্দুর রউফ ও ড. কামাল উদ্দিন বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দুর্নীতির মামলায় যবিপ্রবির সাবেক উপাচার্য আব্দুস সাত্তার কারাগারে

আপডেট সময় : ০২:৫৭:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তার। সংগৃহীত ছবি

দুর্নীতির মামলায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

সোমবার (১৬ জুন) দুপুরে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ নাজমুল আলম এই আদেশ দেন।

মামলার ধার্য দিনে আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানালে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের পিপি সিরাজুল ইসলাম।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সরকারি ৬১ লাখ ৩১ হাজার ৭৩২ টাকা আত্মসাৎ এবং অবৈধ নিয়োগের অভিযোগে ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট ড. আব্দুস সাত্তার, যবিপ্রবির উপ-পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) আব্দুর রউফ এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য ড. কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলাটি করেন যশোর দুদকের তৎকালীন উপ-পরিচালক আল-আমিন।

মামলার তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। চার্জশিটে বলা হয়, ২০০৯ সালের একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে আবেদন করেন আব্দুর রউফ। অথচ অভিজ্ঞতার শর্ত পূরণ না করেও তৎকালীন উপাচার্য ড. আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বাধীন বাছাই বোর্ড তাকে প্রথমে ওই পদে, পরে সেকশন অফিসার পদে নিয়োগের সুপারিশ করে।

পরে রিজেন্ট বোর্ডের সভাপতি হিসেবে ড. সাত্তার উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই তাকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেন। পরে বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে আব্দুর রউফ ধাপে ধাপে উপ-পরিচালক পদে পৌঁছান। ২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত বেতন-ভাতা বাবদ আত্মসাৎ করেন ৬১ লাখ ৩১ হাজার ৭৩২ টাকা।

এ মামলায় ড. আব্দুস সাত্তার আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে আদালত তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, মামলার অপর দুই আসামি আব্দুর রউফ ও ড. কামাল উদ্দিন বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।