ঢাকা ০১:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারীর দুই হাত ভাঙার অভিযোগ। কলাপাড়ায় বিয়ে করতে গিয়েও দিতে হল চাঁদা, অভিযোগ যুবদল নেতা দেলোয়ার মৃধার বিরুদ্ধে। কলাপাড়ায তরমুজ খেত নষ্ট করায় ছাগল ধরে পুলিশে দিল কৃষক  হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ গ্রেফতার কলাপাড়ায় উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন জাকির মৃধা কলাপাড়ায় আবাসিক এলাকা থেকে দুই পতিতা ও খদ্দের সহ দেহ ব্যবসায়ী গ্রেফতার যুবদল নেতার বিরুদ্ধে দুই সন্তানের জননী প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ কলাপাড়ায় মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা প্রত্যাহার ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সুমন, রাসেল ও সজিবের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন ঈদে কলাপাড়ায় ৮৬৩টি অভাবী পরিবারকে ভিজিএফ চাল উপহার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল নেতা জাহিরুল বহিষ্কার।

গতানুগতিক বাজেট, উচ্ছ্বসিত হওয়ার কিছু নেই : ইসলামী আন্দোলন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫ ২২৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছে, প্রস্তাবিত বাজেটের চরিত্র ও ধরন দেখে একে গতানুগতিক ধারার রক্ষণশীল বাজেট বলেই মনে হচ্ছে।

সোমবার (০২ জুন) বাজেট পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাজেটের আকার, আয়-ব্যয়, এডিপি ও জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। রাজস্ব আদায়ে অতীতের সক্ষমতা, এডিপি বাস্তবায়নে জনপ্রশাসনের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে এবং দেশের বিধ্বস্ত অর্থনীতি বিবেচনায় এমন রক্ষণশীল বাজেট প্রত্যাশিত ছিল। কারণ বাস্তবতা উপেক্ষা করে উচ্চাভিলাষী বাজেট প্রস্তাব করা ধূর্ত রাজনৈতিক সরকারের চরিত্র। যে কাজ পতিত স্বৈরাচার বারবার করে এসেছে। সে ধারা অনুসরণ না করায় সরকারকে সাধুবাদ জানাচ্ছি।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব বলেন, তবে বাজেটে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ রাখা, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়ন খাতের ওপরে গণযোগাযোগ ও জ্বালানি খাতকে প্রাধান্য দেওয়ার মতো অতীতের ধারা অব্যাহত রাখায় এই বাজেটকে গতানুগতিক বলেই মনে হচ্ছে। গণঅভ্যুত্থানের ফলে গঠিত সরকারের কাছে আরও সুচিন্তিত ও বৈপ্লবিক বাজেট প্রত্যাশা করা হয়েছিল; এই বাজেট সে প্রত্যাশাকে আঘাত করেছে।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, কালোটাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার অর্থ দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া। এ সরকারের কাছে এটা প্রত্যাশিত ছিল না। পাচারকৃত টাকা আদায়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব করা হয়নি। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা চ্যালেঞ্জিং হবে। সামগ্রিকভাবে এই বাজেট অর্থনীতিকে শ্লথ করবে এবং জনজীবনের দুর্দশা লাঘবে উচ্ছ্বসিত হওয়ার মতো কিছু নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গতানুগতিক বাজেট, উচ্ছ্বসিত হওয়ার কিছু নেই : ইসলামী আন্দোলন

আপডেট সময় : ০৫:০৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছে, প্রস্তাবিত বাজেটের চরিত্র ও ধরন দেখে একে গতানুগতিক ধারার রক্ষণশীল বাজেট বলেই মনে হচ্ছে।

সোমবার (০২ জুন) বাজেট পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাজেটের আকার, আয়-ব্যয়, এডিপি ও জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। রাজস্ব আদায়ে অতীতের সক্ষমতা, এডিপি বাস্তবায়নে জনপ্রশাসনের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে এবং দেশের বিধ্বস্ত অর্থনীতি বিবেচনায় এমন রক্ষণশীল বাজেট প্রত্যাশিত ছিল। কারণ বাস্তবতা উপেক্ষা করে উচ্চাভিলাষী বাজেট প্রস্তাব করা ধূর্ত রাজনৈতিক সরকারের চরিত্র। যে কাজ পতিত স্বৈরাচার বারবার করে এসেছে। সে ধারা অনুসরণ না করায় সরকারকে সাধুবাদ জানাচ্ছি।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব বলেন, তবে বাজেটে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ রাখা, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়ন খাতের ওপরে গণযোগাযোগ ও জ্বালানি খাতকে প্রাধান্য দেওয়ার মতো অতীতের ধারা অব্যাহত রাখায় এই বাজেটকে গতানুগতিক বলেই মনে হচ্ছে। গণঅভ্যুত্থানের ফলে গঠিত সরকারের কাছে আরও সুচিন্তিত ও বৈপ্লবিক বাজেট প্রত্যাশা করা হয়েছিল; এই বাজেট সে প্রত্যাশাকে আঘাত করেছে।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, কালোটাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার অর্থ দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া। এ সরকারের কাছে এটা প্রত্যাশিত ছিল না। পাচারকৃত টাকা আদায়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব করা হয়নি। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা চ্যালেঞ্জিং হবে। সামগ্রিকভাবে এই বাজেট অর্থনীতিকে শ্লথ করবে এবং জনজীবনের দুর্দশা লাঘবে উচ্ছ্বসিত হওয়ার মতো কিছু নেই।