ঢাকা ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়া সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি ইউসুফ, সম্পাদক ইলিয়াস জাবেদ কলাপাড়া ধানখালী ডিগ্রি কলেজ শিক্ষক কর্তৃক অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত: সরকারি কাজে বাধা প্রদানের দায়ে অধ্যক্ষের মামলা। কলাপাড়ায় আগামীকাল শুরু হবে রাখাইন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা কলাপাড়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন ‘আমি আপনাদের সেবক, আপনাদের কর্মচারী’-এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি   কালবৈশাখী তান্ডবে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বিভিন্ন এলাকায় রাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সজল গাইন বার কাউন্সিলে পরিক্ষায় উত্তীর্ণ। অনৈতিক ভিডিও ভাইরলের ঘটনায় খেপুপাড়া  বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত কলাপাড়ায় এ্যাডভোকেট রুবেলের দাফন সম্পন্ন: বিভিন্ন মহলের শোক

খালাস পেলেন জামায়াত নেতা এটিএম আজহার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫ ১৪৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় নিয়ে জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামকে খালাস দিয়েছে আপিল বিভাগ। মঙ্গলবার (২৭ মে) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার পর জামায়াতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির বলেন, এখন থেকে এটিএম আজহার অপরাধমুক্ত। এই রায়ের মাধ্যমে সত্যের বিজয় এবং মিথ্যা পরাজিত হয়েছে। জামায়াত এবং বিএনপির ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। অন্ততপক্ষে ৫ জন জেলেই মৃত্যুবরণ করেছেন। দুনিয়ার ইতিহাসে এটা নজিরবিহীন নির্যাতনের সামিল।

তিনি আরও বলেন, আমরা একটা শর্ট অর্ডার চেয়েছি। আজকে বা কালকের মধ্যে এই শর্ট অর্ডার প্রসেস করে সকল আইনি ব্যবস্থা নিয়ে এটিএম আজহারের বাইরে বের হওয়ার ব্যবস্থা করবেন আদালত।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ড. দৈয়দ আব্দুল্লাহ তাহের জানান, কুরআনে বলা আছে সত্যের বিজয় হবে এবং মিথ্যার পতন অবশ্যম্ভাবী। আজকেও এই রায়ের মাধ্যমে এটিই প্রমাণিত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, একাত্তরে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ২০১২ সালের ২২শে আগস্ট মগবাজারের বাসা থেকে আজহারুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি আপিল করেন আজহারুল ইসলাম। শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর আপিল বিভাগ মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।

২০২০ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। এরপর তা পুনর্বিবেচনা চেয়ে ওই বছরের ১৯ জুলাই আপিল বিভাগে আবেদন করেন আজহারুল ইসলাম। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ রিভিউ শুনে ফের আপিল শুনানির সিদ্ধান্ত দেয়। এটাই প্রথম মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা, যেটি রিভিউ পর্যায়ে আসার পর ফের আপিল শুনানির অনুমতি পায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

খালাস পেলেন জামায়াত নেতা এটিএম আজহার

আপডেট সময় : ১০:৪৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় নিয়ে জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামকে খালাস দিয়েছে আপিল বিভাগ। মঙ্গলবার (২৭ মে) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার পর জামায়াতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির বলেন, এখন থেকে এটিএম আজহার অপরাধমুক্ত। এই রায়ের মাধ্যমে সত্যের বিজয় এবং মিথ্যা পরাজিত হয়েছে। জামায়াত এবং বিএনপির ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। অন্ততপক্ষে ৫ জন জেলেই মৃত্যুবরণ করেছেন। দুনিয়ার ইতিহাসে এটা নজিরবিহীন নির্যাতনের সামিল।

তিনি আরও বলেন, আমরা একটা শর্ট অর্ডার চেয়েছি। আজকে বা কালকের মধ্যে এই শর্ট অর্ডার প্রসেস করে সকল আইনি ব্যবস্থা নিয়ে এটিএম আজহারের বাইরে বের হওয়ার ব্যবস্থা করবেন আদালত।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ড. দৈয়দ আব্দুল্লাহ তাহের জানান, কুরআনে বলা আছে সত্যের বিজয় হবে এবং মিথ্যার পতন অবশ্যম্ভাবী। আজকেও এই রায়ের মাধ্যমে এটিই প্রমাণিত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, একাত্তরে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ২০১২ সালের ২২শে আগস্ট মগবাজারের বাসা থেকে আজহারুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি আপিল করেন আজহারুল ইসলাম। শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর আপিল বিভাগ মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।

২০২০ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। এরপর তা পুনর্বিবেচনা চেয়ে ওই বছরের ১৯ জুলাই আপিল বিভাগে আবেদন করেন আজহারুল ইসলাম। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ রিভিউ শুনে ফের আপিল শুনানির সিদ্ধান্ত দেয়। এটাই প্রথম মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা, যেটি রিভিউ পর্যায়ে আসার পর ফের আপিল শুনানির অনুমতি পায়।