ঢাকা ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘কলাপাড়ায় শীঘ্রই পারিবারিক আদালত স্থাপন করা হচ্ছে’ কলাপাড়া উপজেলা বহুপক্ষীয় মাল্টিস্টেকহোল্ডার মৎস্যজীবী নেটওয়ার্ক এর দ্বি-মাসিক সভা কলাপাড়ায় নির্মম হত্যার পর খালের চড়ের মাটিতে পুতে রাখা হয় যুবকের লাশ কুয়াকাটায় প্রথমবার বৃহৎ পরিসরে রোবোটিকস বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অংশ নিল ১২০ শিক্ষার্থী বাংলাদেশ সংলাপ’র প্রধান উপদেষ্টা রাজা মল্লিক কলাপাড়ায় আগমন উপলক্ষে ফুলেল শুভেচ্ছা চির নিদ্রায় শায়িত প্রথিতযশা সাংবাদিক জাহিদ রিপন বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা সম্ভব নয়….এবিএম মোশাররফ হোসেন কুয়াকাটায় ভাড়াবাসা থেকে গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার হলি চাইল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণ ইউএনও’র কাছ থেকে কম্বল পেয়ে খুশি আদিবাসী রাখাইন সম্প্রদায়ের নারী, পুরুষ সদস্যরা

ঝুঁকি থাকা সত্বেও কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকদের সৈকত নিরাপত্তা নির্দেশনা নেই

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪ ১৬৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিনে দিনে সাগরকন্যাখ্যাত কুয়াকাটা সৈকতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে। সমুদ্রের তীরে এসে বালিয়াড়িতে পায়চারি করা ও উত্তাল ঢেউয়ে গা ভাসিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যকুল থাকে আগত পর্যটকরা। কিন্তু সৈকতে নামা ও গোসল করাটা যে বিপদজনক হয়ে উঠছে এটা জানে না আগত পর্যটকরা। পর্যটকরা হৈ হুল্লোড়ে মেতে উঠতে ব্যাকুল হয়ে পড়ে সৈকতে নামতে। সৈকতে নামতে গিয়ে পড়েন বিড়ম্বনায়। শিকার হন দূর্ঘটনার। ঝুঁকি থাকা সত্বেও কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকদের সৈকত নিরাপত্তা নির্দেশনাবলী না দেওয়া এবং সৈকতে যথেষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি থাকাই এর জন্য দায়ী বলে মনে করছে আগত পর্যটকসহ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে সৈকতে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে কুয়াকাটায় আগত পর্যটকসহ স্থানীয়রা। পর্যটকরা কোন ধরনের সতর্কতামূলক নির্দেশনা না দেখতে পেয়ে হুটহাট করে নেমে পড়ে সৈকতে। সৈকতে নামতে গিয়ে পড়ে গিয়ে শিকার হন দূর্ঘটনার। ফলে আনন্দ ভ্রমণটি মহূর্তে নিরানন্দে পরিনত হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে পবিত্র ঈদুল আযহার পর থেকে এ পর্যন্ত জিও ব্যাগের কারনে প্রায় ত্রিশজনের বেশি পর্যটক আহত হয়েছে। এর মধ্যে একজনের পা ভেঙে গেছে। বাকীরা গুরুতর আহত হয়েছে। অনেকেই আবার জিও ব্যাগের ফাঁকে চাপা খেয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সৈকতকে ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ব্যবহার করছে জিও ব্যাগ। এই জিও ব্যাগ পুরো সৈকতে এলোমেলো ভাবে পড়ে আছে। শেওলা জমে মৃত্যু ফাঁদে পরিনত হয়েছে এখন। কোথাও কোথাও সৃষ্টি হয়েছে গর্তের। ফলে আগত পর্যটকসহ স্থানীয়রা যখনি সৈকতে নামতে যায় তখনি বিপদের সম্মুখীন হয়। পর্যটকসহ স্থানীয়দের দাবী দ্রুত শেওলা দূর করার ব্যবস্থা ও সৈকতে পর্যটকদের সৈকত নিরাপত্তা নির্দেশনামূলক সতর্ক বার্তা,জোয়ার ভাটার তথ্য প্রচার করা, বৈরী আবহাওয়ার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা এবং সতর্ক সংকেত ও সংখ্যা দিয়ে বিপদের মাত্রা সংবলিত চিহ্ন সবাইকে অবহিত করা।

অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীদের অভিযোগ, কুয়াকাটায় আগত অনেক পর্যটক রয়েছে যারা কোন ধরনের সতর্কতা অবলম্বন না করেই হুটহাট করে সৈকতে নেমে পড়ে। যার ফলে এমন দূর্ঘটনার শিকার হন।

ব্রাহ্মণবাড়ীয়া থেকে আগত পর্যটক মো. হিমেল বলেন, আমি সৈকতে নামতে গিয়ে পড়ে গিয়ে পায়ে প্রচন্ড ব্যথা পেয়েছি। পা ফুলে গেছে। এই বিচে সতর্কতা সংবলিত লেখা থাকলে আমি সাবধানতা অবলম্বন করতাম। তাহলে আমার এ সমস্যা নাও হতে পারত।

ঢাকা থেকে আগত পর্যটক আবু নাসিম মুন্সি বলেন, সৈকতের অবস্থা দেখলে মনে ভয় কাজ করে। সমুদ্রের তীরে এসে যদি স্বাচ্ছন্দ্যে গোসল ও হাটা না যাওয়া যায় তাহলে সৈকতে কেন আসবে পর্যটক। জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে আশেপাশে সব যায়গায় জিও ব্যাগ ফালানো এবং সেটা পিচ্চিল হয়ে আছে। এটা দ্রুতই সমাধান না করা হলে পর্যটকের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।

পর্যটন ব্যবসায়ী মো. কে এম বাচ্চু বলেন, জিও ব্যাগ দিয়ে বেড়িবাঁধ সংরক্ষণের কাজ করা হয়েছে। এখন এগুলো পর্যটকদের কাছে আতংক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই জিও ব্যাগের কারনে আহত এবং নিহত হওয়ার ঘটনা সংগঠিত হয়েছে। ব্যবসায়ী হিসেবে জোর দাবী করছি যাতে পর্যটকরা সেভ জোন ও রিস্কি জায়গাগুলো নির্দেশনায় জানতে পারে তার ব্যবস্থা করা।

ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা( টোয়াক) প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, ঝুঁকি মুক্ত সৈকত করা দরকার। পুরো সৈকতে এখন জিও ব্যাগ একটা আতংক হিসেবে কাজ করছে। গর্ত আর শেওলা হওয়ার কারনে প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা। সৈকতে নামার জন্য কয়েকটি আরো স্পট তৈরি করা দরকার বলে মনে করছি এবং স্থায়ী প্রকল্পের মাধ্যমে বেড়িবাঁধ সংরক্ষণ করে নান্দনিক বিচ করলে পর্যটক আসবে না হয় মূখ ফিরিয়ে নিবে পর্যটকরা কুয়াকাটা থেকে।

হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ বলেন,আমরা বিষয়টা নিয়ে ডিসি মহোদয় ও ইউ ও নো মহোদয়ের সাথে আলোচনা করব। নিরাপত্তা নির্দেশনা না দিলে পর্যটকরা জানবে কি করে কোন জায়গাটা রিস্ক ফ্রী। এটা দেওয়ার জরুরি হয়ে পড়ছে।

কলাপাড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব মো. রবিউল ইসলাম বলেন, পৌর মেয়র, কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ, হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা নিয়ে ইতিমধ্যে একটি মিটিংয়ের আয়োজন করছি সেখানে আলোচনা হয়েছে সৈকতে পর্যটকদের সৈকত নিরাপত্তা নির্দেশনা দেওয়ার। শ্রীঘ্রই এটি স্থাপন করা হবে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি সবার আগে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে একটি মিটিং হয়েছে আশা করি খুব কম সময়ের মধ্যে কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকদের সৈকত নিরাপত্তা নির্দেশনা সংবলিত লেখা সাটানো হবে।

মো. সাইদুর রহমান সাইদ
কলাপাড়া উপজেলা ( পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঝুঁকি থাকা সত্বেও কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকদের সৈকত নিরাপত্তা নির্দেশনা নেই

আপডেট সময় : ০৩:৪১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪

দিনে দিনে সাগরকন্যাখ্যাত কুয়াকাটা সৈকতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে। সমুদ্রের তীরে এসে বালিয়াড়িতে পায়চারি করা ও উত্তাল ঢেউয়ে গা ভাসিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যকুল থাকে আগত পর্যটকরা। কিন্তু সৈকতে নামা ও গোসল করাটা যে বিপদজনক হয়ে উঠছে এটা জানে না আগত পর্যটকরা। পর্যটকরা হৈ হুল্লোড়ে মেতে উঠতে ব্যাকুল হয়ে পড়ে সৈকতে নামতে। সৈকতে নামতে গিয়ে পড়েন বিড়ম্বনায়। শিকার হন দূর্ঘটনার। ঝুঁকি থাকা সত্বেও কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকদের সৈকত নিরাপত্তা নির্দেশনাবলী না দেওয়া এবং সৈকতে যথেষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি থাকাই এর জন্য দায়ী বলে মনে করছে আগত পর্যটকসহ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে সৈকতে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে কুয়াকাটায় আগত পর্যটকসহ স্থানীয়রা। পর্যটকরা কোন ধরনের সতর্কতামূলক নির্দেশনা না দেখতে পেয়ে হুটহাট করে নেমে পড়ে সৈকতে। সৈকতে নামতে গিয়ে পড়ে গিয়ে শিকার হন দূর্ঘটনার। ফলে আনন্দ ভ্রমণটি মহূর্তে নিরানন্দে পরিনত হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে পবিত্র ঈদুল আযহার পর থেকে এ পর্যন্ত জিও ব্যাগের কারনে প্রায় ত্রিশজনের বেশি পর্যটক আহত হয়েছে। এর মধ্যে একজনের পা ভেঙে গেছে। বাকীরা গুরুতর আহত হয়েছে। অনেকেই আবার জিও ব্যাগের ফাঁকে চাপা খেয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সৈকতকে ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ব্যবহার করছে জিও ব্যাগ। এই জিও ব্যাগ পুরো সৈকতে এলোমেলো ভাবে পড়ে আছে। শেওলা জমে মৃত্যু ফাঁদে পরিনত হয়েছে এখন। কোথাও কোথাও সৃষ্টি হয়েছে গর্তের। ফলে আগত পর্যটকসহ স্থানীয়রা যখনি সৈকতে নামতে যায় তখনি বিপদের সম্মুখীন হয়। পর্যটকসহ স্থানীয়দের দাবী দ্রুত শেওলা দূর করার ব্যবস্থা ও সৈকতে পর্যটকদের সৈকত নিরাপত্তা নির্দেশনামূলক সতর্ক বার্তা,জোয়ার ভাটার তথ্য প্রচার করা, বৈরী আবহাওয়ার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা এবং সতর্ক সংকেত ও সংখ্যা দিয়ে বিপদের মাত্রা সংবলিত চিহ্ন সবাইকে অবহিত করা।

অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীদের অভিযোগ, কুয়াকাটায় আগত অনেক পর্যটক রয়েছে যারা কোন ধরনের সতর্কতা অবলম্বন না করেই হুটহাট করে সৈকতে নেমে পড়ে। যার ফলে এমন দূর্ঘটনার শিকার হন।

ব্রাহ্মণবাড়ীয়া থেকে আগত পর্যটক মো. হিমেল বলেন, আমি সৈকতে নামতে গিয়ে পড়ে গিয়ে পায়ে প্রচন্ড ব্যথা পেয়েছি। পা ফুলে গেছে। এই বিচে সতর্কতা সংবলিত লেখা থাকলে আমি সাবধানতা অবলম্বন করতাম। তাহলে আমার এ সমস্যা নাও হতে পারত।

ঢাকা থেকে আগত পর্যটক আবু নাসিম মুন্সি বলেন, সৈকতের অবস্থা দেখলে মনে ভয় কাজ করে। সমুদ্রের তীরে এসে যদি স্বাচ্ছন্দ্যে গোসল ও হাটা না যাওয়া যায় তাহলে সৈকতে কেন আসবে পর্যটক। জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে আশেপাশে সব যায়গায় জিও ব্যাগ ফালানো এবং সেটা পিচ্চিল হয়ে আছে। এটা দ্রুতই সমাধান না করা হলে পর্যটকের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।

পর্যটন ব্যবসায়ী মো. কে এম বাচ্চু বলেন, জিও ব্যাগ দিয়ে বেড়িবাঁধ সংরক্ষণের কাজ করা হয়েছে। এখন এগুলো পর্যটকদের কাছে আতংক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই জিও ব্যাগের কারনে আহত এবং নিহত হওয়ার ঘটনা সংগঠিত হয়েছে। ব্যবসায়ী হিসেবে জোর দাবী করছি যাতে পর্যটকরা সেভ জোন ও রিস্কি জায়গাগুলো নির্দেশনায় জানতে পারে তার ব্যবস্থা করা।

ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা( টোয়াক) প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, ঝুঁকি মুক্ত সৈকত করা দরকার। পুরো সৈকতে এখন জিও ব্যাগ একটা আতংক হিসেবে কাজ করছে। গর্ত আর শেওলা হওয়ার কারনে প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা। সৈকতে নামার জন্য কয়েকটি আরো স্পট তৈরি করা দরকার বলে মনে করছি এবং স্থায়ী প্রকল্পের মাধ্যমে বেড়িবাঁধ সংরক্ষণ করে নান্দনিক বিচ করলে পর্যটক আসবে না হয় মূখ ফিরিয়ে নিবে পর্যটকরা কুয়াকাটা থেকে।

হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ বলেন,আমরা বিষয়টা নিয়ে ডিসি মহোদয় ও ইউ ও নো মহোদয়ের সাথে আলোচনা করব। নিরাপত্তা নির্দেশনা না দিলে পর্যটকরা জানবে কি করে কোন জায়গাটা রিস্ক ফ্রী। এটা দেওয়ার জরুরি হয়ে পড়ছে।

কলাপাড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব মো. রবিউল ইসলাম বলেন, পৌর মেয়র, কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ, হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা নিয়ে ইতিমধ্যে একটি মিটিংয়ের আয়োজন করছি সেখানে আলোচনা হয়েছে সৈকতে পর্যটকদের সৈকত নিরাপত্তা নির্দেশনা দেওয়ার। শ্রীঘ্রই এটি স্থাপন করা হবে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি সবার আগে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে একটি মিটিং হয়েছে আশা করি খুব কম সময়ের মধ্যে কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকদের সৈকত নিরাপত্তা নির্দেশনা সংবলিত লেখা সাটানো হবে।

মো. সাইদুর রহমান সাইদ
কলাপাড়া উপজেলা ( পটুয়াখালী) প্রতিনিধি