কলাপাড়া হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশন কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন এমপি মোশাররফ।
- আপডেট সময় : ০৪:১৮:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর পর পটুয়াখালীর কলাপাড়া ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চালু হয়েছে সিজারিয়ান অপারেশন কার্যক্রম। শনিবার বেলা এগারোটায় ফিতা কেটে এ অপারেশন ব্যবস্থা চালু করেন পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আরিফুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু, কলাপাড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অমল মুখার্জি, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তেন মং, পৌর বিএনপির সভাপতি গাজী ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কাজল তালুকদারসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এখন থেকে সরকারী স্বল্প খরচে সিজারিয়ান অপারেশন করতে পারবেন গর্ভবতী মায়েরা। এতে উপকূলীয় এলাকার সাধারন মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।
হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার তেন মং বলেন আমি এখানে যোগদান পরে শুনেছি হাসপাতালে পর্যাপ্ত সরঞ্জামাদি থাকা স্বত্তেও ডাক্তার সঙ্কটের কারণে বহুবছর ধরে সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ ছিল। মানুষ অসহায় হয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকসহ জেলা ও বিভাগীয় শহরের হাসপাতালে যেতে হতো। এখন থেকে সপ্তাহে একদিন বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুইটা পর্যন্ত এ হাসপাতালে সিজারসহ বিভিন্ন ধরনের অপারেশন করা হবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদ সদস্য এবি এম মোশাররফ হোসেন বলেন, অসহায় হতদরিদ্র নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এই হাসপাতালে সিজেরিয়ান অপারেশন চালু হল। এই সেবা যাতে বন্ধ না হয় এজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা করা হবে । এছাড়া আমাদের সরকার দেশের সব উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যায় উন্নিতকরন ও এবছরের মধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ১৮ অক্টোবর কলাপাড়া হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন ডাক্তার মো. আবদুর রহিম। তখন থেকেই পুরোদমে সিজার কার্যক্রম চলছিল। অ্যানেসথেসিয়া ডাক্তারের দায়িত্ব পালন করেন মো. আবদুল মতিন। ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল ডাক্তার আবদুর রহিম অন্যত্র বদলি হওয়ার পর থেকে এখানে সিজার কার্যক্রম বন্ধ থাকে। পরবর্তীতে ২০২৬ সালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার জুনায়েদ হোসাইন খান লেলীন তত্ত্বাবধানে সিজার কার্যক্রম চালু ছিল। তারপর থকে বন্ধ হয়ে যায়।









