ঢাকা ০৩:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক মেগা প্রকল্প নির্মানে জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাবের গনগবেষনার ফলাফল প্রকাশ অভাবের দিন পেরিয়ে মানুষের পাশে কলম হাতে হাসান পারভেজ। বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ ও ৪ সনাতনী পরিবারের নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন নির্বাচনকালে ভোটারদের দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করলেন এমপি এবিএম মোশাররফ। কলাপাড়ায় কৃষি জমির চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়ে ৭ লাখ টাকা চাঁদা দাবীর অভিযোগ কুযাকাটায় শিক্ষার্থীর সঙ্গে অফিস সহকারী অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল, সাময়িক বরখাস্ত কলাপাড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত। সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক কে এম বাচ্চুর ওপর হাতুড়ি হামলা: গ্রেপ্তার ৭২ একর খাস জমি বন্দোবস্ত কান্ডে অভিযুক্ত কলাপাড়ার সেই ইউএনও আবু হাসনাতকে লঘুদন্ড। কলাপাড়ায় হত্যা মামলার দুই আসামী ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে  র‍্যাব

জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক মেগা প্রকল্প নির্মানে জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাবের গনগবেষনার ফলাফল প্রকাশ

কলাপাড়া প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:৫১:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক মেগা প্রকল্প নির্মানের কারনে সাধারন মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বেসরকারী সংস্থা প্রান্তজনের আয়োজনে স্থানীয় মানুষের ২ বছরের গনগবেষনার পর এমন তথ্য বেড়িয়ে এসেছে।

সোমবার সকাল এগারোটায় কলাপাড়া উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ গনগবেষনার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এসময় কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান, একশন এইডের সহকারী প্রোগ্রাম অফিসার মারজিয়া জাহান, প্রান্তজনের ফিল্ড কোঅর্ডিনেটর সাইফুল্লাহ মাহমুদসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং ধানখালীর ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

গবেষনার ফলাফল প্রকাশে বলা হয, ধানখালীতে কয়েকটি অপরিকল্পিত জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক মেগা প্রকল্প (তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র) নির্মাণের পর স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রায় নজিরবিহীন পরিবর্তন দেখা দেয়। এ প্রেক্ষাপটে দুই বছর আগে ‘প্রান্তজন’-এর উদ্যোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আরিফুর রহমানের সহযোগিতায় ২০ জন স্থানীয় বাসিন্দাকে নিয়ে ওই এলাকায় একটি গণগবেষণা চালানো হয়।

গবেষণায় উঠে আসে, স্থানীয় বাসিন্দাদের আর্থিক স্বচ্ছলতার অবনতি, ক্রমবর্ধমান সামাজিক সংকট, চিরায়ত পেশার বিলুপ্তি, পরিবেশগত বিপর্যয়, সুপেয় পানির সংকট, বিশুদ্ধ বায়ুর অভাব, জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুসংস্থানের ক্ষয়, মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদনে বিপর্যয়, জনস্বাস্থ্য সংকট, বহুমাত্রিক রোগব্যাধির বিস্তার, নারীদের ওপর লিঙ্গভিত্তিক বিরূপ প্রভাব এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষয়ক্ষতিসহ নানা নেতিবাচক দিক। গবেষণায় বিষাক্ত কয়লা বর্জ্য ও ফ্লাই অ্যাশের বিস্তার বন্ধ, বিনামূল্যে সোলার হোম সিস্টেম ও বায়োগ্যাস প্ল্যান্টসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মোট পাঁচটি সুপারিশ বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়।

পরে গনগবেষনায় অংশগ্রহনকারীদের ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক মেগা প্রকল্প নির্মানে জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাবের গনগবেষনার ফলাফল প্রকাশ

আপডেট সময় : ০৩:৫১:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক মেগা প্রকল্প নির্মানের কারনে সাধারন মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বেসরকারী সংস্থা প্রান্তজনের আয়োজনে স্থানীয় মানুষের ২ বছরের গনগবেষনার পর এমন তথ্য বেড়িয়ে এসেছে।

সোমবার সকাল এগারোটায় কলাপাড়া উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ গনগবেষনার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এসময় কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান, একশন এইডের সহকারী প্রোগ্রাম অফিসার মারজিয়া জাহান, প্রান্তজনের ফিল্ড কোঅর্ডিনেটর সাইফুল্লাহ মাহমুদসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং ধানখালীর ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

গবেষনার ফলাফল প্রকাশে বলা হয, ধানখালীতে কয়েকটি অপরিকল্পিত জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক মেগা প্রকল্প (তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র) নির্মাণের পর স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রায় নজিরবিহীন পরিবর্তন দেখা দেয়। এ প্রেক্ষাপটে দুই বছর আগে ‘প্রান্তজন’-এর উদ্যোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আরিফুর রহমানের সহযোগিতায় ২০ জন স্থানীয় বাসিন্দাকে নিয়ে ওই এলাকায় একটি গণগবেষণা চালানো হয়।

গবেষণায় উঠে আসে, স্থানীয় বাসিন্দাদের আর্থিক স্বচ্ছলতার অবনতি, ক্রমবর্ধমান সামাজিক সংকট, চিরায়ত পেশার বিলুপ্তি, পরিবেশগত বিপর্যয়, সুপেয় পানির সংকট, বিশুদ্ধ বায়ুর অভাব, জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুসংস্থানের ক্ষয়, মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদনে বিপর্যয়, জনস্বাস্থ্য সংকট, বহুমাত্রিক রোগব্যাধির বিস্তার, নারীদের ওপর লিঙ্গভিত্তিক বিরূপ প্রভাব এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষয়ক্ষতিসহ নানা নেতিবাচক দিক। গবেষণায় বিষাক্ত কয়লা বর্জ্য ও ফ্লাই অ্যাশের বিস্তার বন্ধ, বিনামূল্যে সোলার হোম সিস্টেম ও বায়োগ্যাস প্ল্যান্টসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মোট পাঁচটি সুপারিশ বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়।

পরে গনগবেষনায় অংশগ্রহনকারীদের ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।