ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লালমনিরহাটে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। রাজশাহীতে বিভাগীয় সম্মেলন জিয়া মঞ্চ অনুষ্ঠিত কলাপাড়ায় ২৫ পিস ইয়াবাসহ ৩ যুবক গ্রেপ্তার। কলাপাড়ায় ২১ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার কলাপাড়ায় জাল-জালিয়াতির অভিযোগে কাজী কারাগারে। সারাদেশে শুরু হতে যাচ্ছে বিশেষ অভিযান: র‍্যাব মহাপরিচালক। আইফোন কিনতে বিক্রি করা সেই শিশুকে উদ্ধার, দাদা-দাদির কাছে হস্তান্তর কলাপাড়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত কলাপাড়ায় আওয়ামীলীগ নেতাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম কলাপাড়ায় বাক প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার ঘটনা নিয়ে ব্যবসায়ীদের দুই গ্রুপের মধ্যে দু’দফা সংঘর্ষ, আহত-১০

জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক মেগা প্রকল্প নির্মানে জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাবের গনগবেষনার ফলাফল প্রকাশ

কলাপাড়া প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:৫১:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক মেগা প্রকল্প নির্মানের কারনে সাধারন মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বেসরকারী সংস্থা প্রান্তজনের আয়োজনে স্থানীয় মানুষের ২ বছরের গনগবেষনার পর এমন তথ্য বেড়িয়ে এসেছে।

সোমবার সকাল এগারোটায় কলাপাড়া উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ গনগবেষনার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এসময় কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান, একশন এইডের সহকারী প্রোগ্রাম অফিসার মারজিয়া জাহান, প্রান্তজনের ফিল্ড কোঅর্ডিনেটর সাইফুল্লাহ মাহমুদসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং ধানখালীর ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

গবেষনার ফলাফল প্রকাশে বলা হয, ধানখালীতে কয়েকটি অপরিকল্পিত জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক মেগা প্রকল্প (তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র) নির্মাণের পর স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রায় নজিরবিহীন পরিবর্তন দেখা দেয়। এ প্রেক্ষাপটে দুই বছর আগে ‘প্রান্তজন’-এর উদ্যোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আরিফুর রহমানের সহযোগিতায় ২০ জন স্থানীয় বাসিন্দাকে নিয়ে ওই এলাকায় একটি গণগবেষণা চালানো হয়।

গবেষণায় উঠে আসে, স্থানীয় বাসিন্দাদের আর্থিক স্বচ্ছলতার অবনতি, ক্রমবর্ধমান সামাজিক সংকট, চিরায়ত পেশার বিলুপ্তি, পরিবেশগত বিপর্যয়, সুপেয় পানির সংকট, বিশুদ্ধ বায়ুর অভাব, জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুসংস্থানের ক্ষয়, মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদনে বিপর্যয়, জনস্বাস্থ্য সংকট, বহুমাত্রিক রোগব্যাধির বিস্তার, নারীদের ওপর লিঙ্গভিত্তিক বিরূপ প্রভাব এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষয়ক্ষতিসহ নানা নেতিবাচক দিক। গবেষণায় বিষাক্ত কয়লা বর্জ্য ও ফ্লাই অ্যাশের বিস্তার বন্ধ, বিনামূল্যে সোলার হোম সিস্টেম ও বায়োগ্যাস প্ল্যান্টসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মোট পাঁচটি সুপারিশ বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়।

পরে গনগবেষনায় অংশগ্রহনকারীদের ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক মেগা প্রকল্প নির্মানে জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাবের গনগবেষনার ফলাফল প্রকাশ

আপডেট সময় : ০৩:৫১:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক মেগা প্রকল্প নির্মানের কারনে সাধারন মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বেসরকারী সংস্থা প্রান্তজনের আয়োজনে স্থানীয় মানুষের ২ বছরের গনগবেষনার পর এমন তথ্য বেড়িয়ে এসেছে।

সোমবার সকাল এগারোটায় কলাপাড়া উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ গনগবেষনার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এসময় কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান, একশন এইডের সহকারী প্রোগ্রাম অফিসার মারজিয়া জাহান, প্রান্তজনের ফিল্ড কোঅর্ডিনেটর সাইফুল্লাহ মাহমুদসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং ধানখালীর ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

গবেষনার ফলাফল প্রকাশে বলা হয, ধানখালীতে কয়েকটি অপরিকল্পিত জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক মেগা প্রকল্প (তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র) নির্মাণের পর স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রায় নজিরবিহীন পরিবর্তন দেখা দেয়। এ প্রেক্ষাপটে দুই বছর আগে ‘প্রান্তজন’-এর উদ্যোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আরিফুর রহমানের সহযোগিতায় ২০ জন স্থানীয় বাসিন্দাকে নিয়ে ওই এলাকায় একটি গণগবেষণা চালানো হয়।

গবেষণায় উঠে আসে, স্থানীয় বাসিন্দাদের আর্থিক স্বচ্ছলতার অবনতি, ক্রমবর্ধমান সামাজিক সংকট, চিরায়ত পেশার বিলুপ্তি, পরিবেশগত বিপর্যয়, সুপেয় পানির সংকট, বিশুদ্ধ বায়ুর অভাব, জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুসংস্থানের ক্ষয়, মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদনে বিপর্যয়, জনস্বাস্থ্য সংকট, বহুমাত্রিক রোগব্যাধির বিস্তার, নারীদের ওপর লিঙ্গভিত্তিক বিরূপ প্রভাব এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষয়ক্ষতিসহ নানা নেতিবাচক দিক। গবেষণায় বিষাক্ত কয়লা বর্জ্য ও ফ্লাই অ্যাশের বিস্তার বন্ধ, বিনামূল্যে সোলার হোম সিস্টেম ও বায়োগ্যাস প্ল্যান্টসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মোট পাঁচটি সুপারিশ বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়।

পরে গনগবেষনায় অংশগ্রহনকারীদের ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।