বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ ও ৪ সনাতনী পরিবারের নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
- আপডেট সময় : ০১:৫১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদারের নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ ও ৪ সনাতনী পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে কলাপাড়া উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সাধারন সম্পাদক দেবাশীষ সিকদার। শনিবার দুপুরে প্রেসক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুর রহমান মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন নীলগঞ্জ ইউনিয়নের অনিল চন্ত্র হাং, পুলিন চন্দ্র, আভারানী, সবিতা রানী, সুনিল হাং ও ঠাকুরানীসহ ভুক্তভোগী ৪ টি পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দেবাশীষ বলেন, তিনি পূর্ণচন্দ্র হাওলাদার এর ছেলে পুলিন চন্দ্র হাওলাদার গং দের পিসাতো ভাইয়ের ছেলে। তাদের প্রতিপক্ষ খোকন মন্ডল। গত ২৯ জুলাই বরিশাল থেকে প্রকাশিত কয়েকটি পত্রিকায় কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদারের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ তুলে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশিত হয়। তিনি এ মনগড়া সংবাদের প্রতিবাদ জানান।
তিনি বলেন, প্রকৃত ঘটনা হলো খোকন মন্ডল একজন সন্ত্রাসী, ভূমিদস্যু সিন্ডিকেটের সদস্য ও মামলাবাজ খোকন মন্ডল দীর্ঘদিন যাবত তার কাকাদের জমি জোর পূর্বক দখল করার জন্য তার ভূমি দস্যু সিন্ডিকেড নিয়ে প্রথমে তার কাকাকে ভয়ভীতি দেখায় এবং জমি নিয়ে কয়েকটা মামলা করেন। গত ১০ জুলাই তিনি ব্যবসায়ী সমিতি নির্বাচনে ভোট দিতে এলে খোকন ও তার ভাইসহ আরো কিছু সন্ত্রাসী অর্তকিত ভাবে শতশত মানুষের সামনে তার উপর হামলা করেন। তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন এবং থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। ঘটনার সত্যতা পেয়ে গত ১১ জুলাই খোকনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে খোকন জামিনে মুক্তি পেয়ে কুচক্রি মহল ও ষড়যন্ত্রকারীদের নিয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতির সুনামক্ষুন্ন করার জন্য মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করান।
তিনি জমির বিবরন দিয়ের বলেন, কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ০৫ নং জে.এল নীলগঞ্জ মৌজায় পি,এস ১০৮ নং খতিয়ান ৭৮২২ নং দাগ সহ অপর ৯টি দাগে ৭.৪১ একর জমির রেকর্ডীয় পূর্ণচন্দ্র হাওলাদার হিস্যা..ক্রান্তি অংশে ভোগবান মালিক দখিলকার নিযুক্ত থাকে। পি.এস ১০৮ তথা আরএস ১৪৫ নং খতিয়ানে ১৩৭০ নং দাগ সহ ১০টি দাগে ৭.৪৩ একর ভূমিতে ভুলবশত পরেশ চন্দ্র হিস্যা।।. আনা অংশে রেকর্ড হয়। রেকর্ডীয় পরেশ চন্দ্র মন্ডল ভুল রেকর্ড স্বীকার করিয়া খেপুপাড়া সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে রেজিষ্ট্রিকৃত ১২৩৪ নং রিলিজ বা না-দাবী পত্র দলিলে ৩.৭১৫০ একর ভূমি দাবী প্রত্যাহার করেন। পরে এসএ ১৭৩ নং খতিয়ানে ৭.৪৩ একর ভূমি ১৯৭১-৭২ সনে ১১৫৬ নং মিউটেশন কেচে পূর্ন চন্দ্র হাওলাদার এর নামে শুদ্ধ মতে রেকর্ড হয়। অতপর বিএস জরীপকালীন সময় রেকর্ডীয় পুলিন চন্দ্র হাওলাদার গংদের নামে বাড়ীর ০.৩৬ শতাংশ জমি রেকর্ড হইয়া বাকী জমি অর্পিত হিসেবে (খ) তফসিলে অন্তর্ভূক্ত হয়। অর্পিত সম্পত্তি ফেরৎ পাবার দাবীতে পুর্ন চন্দ্র হাওলাদার গং কলাপাড়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে দেং মোং নং ৩২৬/২২ নং মামলা আনায়ন করে। গত ১৭ জুলাই বিজ্ঞ আদলতের বিচার বিবাদী গং দের (খোকন মন্ডলদের) বিরুদ্ধে দোতরফা নিষেজ্ঞা নিষেধাজ্ঞা আদেশ প্রদান করে। পরে বিবাদীগন উক্ত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধীয় ভূমিতে দখলের চেষ্টায় লিপ্ত থাকে এবং বিভিন্ন অপপ্রচার চালাতে থাকে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে মামলার বাদী তার কাকা পুলিন চন্দ্র হাওলাদার গং দের ৪টি পরিবার পরিজন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের জীবন ও জানমালের জন্য সরকারের কাছে নিরাপত্তা চান।
এ বিষয়ে জানতে খোকন মন্ডলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আরএস,এসএ. বিএস অনুযায়ী আমার দাদা পরেশ চন্দ্র মন্ডল মালিক তার ওয়ারিষ সূএে আমরা ভোগ দখলে আছি। বর্তমানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার তার ছেলে রিমন শিকদারের নেতৃত্বে দেবাশীষ সিকদার প্রভাব খাটিয়ে আমার দখলীয় জমি থেকে উচ্ছেদ করার পায়তারা করছেন। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন।









