ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়া সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি ইউসুফ, সম্পাদক ইলিয়াস জাবেদ কলাপাড়া ধানখালী ডিগ্রি কলেজ শিক্ষক কর্তৃক অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত: সরকারি কাজে বাধা প্রদানের দায়ে অধ্যক্ষের মামলা। কলাপাড়ায় আগামীকাল শুরু হবে রাখাইন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা কলাপাড়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন ‘আমি আপনাদের সেবক, আপনাদের কর্মচারী’-এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি   কালবৈশাখী তান্ডবে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বিভিন্ন এলাকায় রাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সজল গাইন বার কাউন্সিলে পরিক্ষায় উত্তীর্ণ। অনৈতিক ভিডিও ভাইরলের ঘটনায় খেপুপাড়া  বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত কলাপাড়ায় এ্যাডভোকেট রুবেলের দাফন সম্পন্ন: বিভিন্ন মহলের শোক

লালমনিরহাটে সার সংকট নিরসনে কড়া নজরদারি; পাচারের সময় ১৯৩ বস্তা সার জব্দ

মাসুদ রানা রাশেদ, লালমনিরহাট প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:০২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৩৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লালমনিরহাটের কৃষকের সারের সংকট নিরসনে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় লালমনিরহাট সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রতিদিন বিশেষ নজরদারি কার্যক্রম চালাচ্ছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট, কুলাঘাট, বড়বাড়ী, পঞ্চগ্রাম, মহেন্দ্রনগর, গোকুন্ডা, রাজপুর, খুনিয়াগাছ ও হারাটি ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় কৃষকদের জন্য পর্যাপ্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।

বিশেষ নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনার সময় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম খন্দকার বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত ১৯৩ বস্তা সার জব্দ করেছি।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টায় সদর উপজেলার কুলাঘাট বিজিবি চেক পোস্টে লালমনিরহাট সদর উপজেলা কৃষি অফিসার খন্দকার সোহায়েল আহমেদের হস্তক্ষেপে এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সহযোগিতায় পাচারের সময় ১৯৩ বস্তা সার জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ১৪২ বস্তা ইউরিয়া ও ৫১ বস্তা ডিএপি সার রয়েছে। জব্দকৃত সারগুলো পরবর্তীতে বিজিবির বিশেষ ক্যাম্প কুলাঘাটে সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তী বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট সদর উপজেলা কৃষি অফিসার খন্দকার সোহায়েল আহমেদ জানান, কৃষকের সারের সংকট নিরসনে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রতিদিনই নজরদারি কার্যক্রম চালাচ্ছেন কৃষি বিভাগ।

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোঃ সাইখুল আরিফিন বলেন, চাষিদের প্রয়োজনীয় সার সঠিক সময়ে নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী একযোগে কাজ করছে। পাচার প্রতিরোধে নিয়মিত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

লালমনিরহাটে সার সংকট নিরসনে কড়া নজরদারি; পাচারের সময় ১৯৩ বস্তা সার জব্দ

আপডেট সময় : ০৬:০২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

লালমনিরহাটের কৃষকের সারের সংকট নিরসনে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় লালমনিরহাট সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রতিদিন বিশেষ নজরদারি কার্যক্রম চালাচ্ছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট, কুলাঘাট, বড়বাড়ী, পঞ্চগ্রাম, মহেন্দ্রনগর, গোকুন্ডা, রাজপুর, খুনিয়াগাছ ও হারাটি ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় কৃষকদের জন্য পর্যাপ্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।

বিশেষ নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনার সময় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম খন্দকার বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত ১৯৩ বস্তা সার জব্দ করেছি।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টায় সদর উপজেলার কুলাঘাট বিজিবি চেক পোস্টে লালমনিরহাট সদর উপজেলা কৃষি অফিসার খন্দকার সোহায়েল আহমেদের হস্তক্ষেপে এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সহযোগিতায় পাচারের সময় ১৯৩ বস্তা সার জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ১৪২ বস্তা ইউরিয়া ও ৫১ বস্তা ডিএপি সার রয়েছে। জব্দকৃত সারগুলো পরবর্তীতে বিজিবির বিশেষ ক্যাম্প কুলাঘাটে সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তী বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট সদর উপজেলা কৃষি অফিসার খন্দকার সোহায়েল আহমেদ জানান, কৃষকের সারের সংকট নিরসনে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রতিদিনই নজরদারি কার্যক্রম চালাচ্ছেন কৃষি বিভাগ।

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোঃ সাইখুল আরিফিন বলেন, চাষিদের প্রয়োজনীয় সার সঠিক সময়ে নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী একযোগে কাজ করছে। পাচার প্রতিরোধে নিয়মিত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।