ঢাকা ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কলাপাড়া সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি ইউসুফ, সম্পাদক ইলিয়াস জাবেদ কলাপাড়া ধানখালী ডিগ্রি কলেজ শিক্ষক কর্তৃক অধ্যক্ষের কক্ষে তালা, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত: সরকারি কাজে বাধা প্রদানের দায়ে অধ্যক্ষের মামলা। কলাপাড়ায় আগামীকাল শুরু হবে রাখাইন মহাথেরোর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা কলাপাড়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন ‘আমি আপনাদের সেবক, আপনাদের কর্মচারী’-এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি   কালবৈশাখী তান্ডবে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বিভিন্ন এলাকায় রাত থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সজল গাইন বার কাউন্সিলে পরিক্ষায় উত্তীর্ণ। অনৈতিক ভিডিও ভাইরলের ঘটনায় খেপুপাড়া  বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত কলাপাড়ায় এ্যাডভোকেট রুবেলের দাফন সম্পন্ন: বিভিন্ন মহলের শোক

মাদকের অভয়ারণ্য লালমনিরহাট

মাসুদ রানা রাশেদ, লালমনিরহাট প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:১৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫ ১৭৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লালমনিরহাটে উপযুক্ত শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের অভাব, পরিবারের উদাসীনতা, অসৎ সঙ্গ, মাদকের সহজলভ্যতা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে মাদকের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে যুব সমাজ, প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে।

পুলিশ প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, প্রভাবশালী মহল, মাদক ব্যবসায়ী, সেবনকারী, সাধারণ মানুষ ও পরিবারের লোকজনদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া যায়।

সাধারণ সমাজ ও প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা মনে করেন, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় জনবল, মাদক নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন, সন্তানদের প্রতি বাবা-মা ও প্রশাসনের নজরদারি জোরদার, স্কুল-কলেজে সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন এবং মাদক ব্যবসায়ীদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলে সমাজ মাদক মুক্ত হওয়া সম্ভব।

স্বাধীনতার ৫৪বছরেও উন্নয়নের সামান্যতম ছোঁয়া লাগেনি এ জেলায়। শিক্ষা, চিকিৎসা, শিল্প-কারখানাসহ কোনো কর্মসংস্থান প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি এই জেলায়। ফলে জেলার অধিকাংশ যুবক বেকারত্বের অভিশাপের শিকলে আবদ্ধ হয়ে হতাশায় দিন কাটাচ্ছে। এর ফলশ্রুতিতে দিনের পর দিন যুবকরা মাদকাশক্ত হয়ে পড়েছে। বাড়ছে চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই, রাহাজানী, খুনসহ সহিংস ঘটনা। দিন-রাত সমানতালে বসে মাদকের আসর। অনেক বখাটে যুবক, মদ, গাঁজা, সেবন করে মাতাল হয়ে বাসায় ফিরে। আবার অনেকে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় উঠতি বয়সী মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে।

লালমনিরহাটের ছোট-বড় বিভিন্ন স্পটে প্রতিদিন বসে মদ, গাঁজার আসর। মদ, গাঁজা সেবন করে আজীবনের জন্যে ভারসাম্য হারিয়েছে একাধিক যুবক। প্রতিদিন মদ, গাঁজা সেবন করতে না পারলে পরিবারে টাকা-পয়সার জন্যে মা-বাবার ওপর নির্যাতন চালায়।

লালমনিরহাটের মাদক ব্যবসায়ীরা সব সময় ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। পুলিশ, বিজিবি, প্রশাসন রাত-দিন অভিযান চালিয়ে কিছুসংখ্যক ব্যবসায়ী ও সেবনকারী গ্রেফতার করলেও আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে বের হয়ে আসছে অপরাধীরা। লালমনিরহাটের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা দীর্ঘ দিন থেকে ব্যবসা করে আসছে। প্রশাসন তাদেরকে একাধিকবার গ্রেফতার করলেও ২/৩ মাস হাজত বাসের পর আবার বের হয়ে আসে। যথাযথ আইন না থাকায় মাদক ব্যবসায়ীরা নিয়মিতই ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মাদকের অভয়ারণ্য লালমনিরহাট

আপডেট সময় : ০৫:১৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫

লালমনিরহাটে উপযুক্ত শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের অভাব, পরিবারের উদাসীনতা, অসৎ সঙ্গ, মাদকের সহজলভ্যতা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে মাদকের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে যুব সমাজ, প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে।

পুলিশ প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, প্রভাবশালী মহল, মাদক ব্যবসায়ী, সেবনকারী, সাধারণ মানুষ ও পরিবারের লোকজনদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া যায়।

সাধারণ সমাজ ও প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা মনে করেন, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় জনবল, মাদক নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন, সন্তানদের প্রতি বাবা-মা ও প্রশাসনের নজরদারি জোরদার, স্কুল-কলেজে সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন এবং মাদক ব্যবসায়ীদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলে সমাজ মাদক মুক্ত হওয়া সম্ভব।

স্বাধীনতার ৫৪বছরেও উন্নয়নের সামান্যতম ছোঁয়া লাগেনি এ জেলায়। শিক্ষা, চিকিৎসা, শিল্প-কারখানাসহ কোনো কর্মসংস্থান প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি এই জেলায়। ফলে জেলার অধিকাংশ যুবক বেকারত্বের অভিশাপের শিকলে আবদ্ধ হয়ে হতাশায় দিন কাটাচ্ছে। এর ফলশ্রুতিতে দিনের পর দিন যুবকরা মাদকাশক্ত হয়ে পড়েছে। বাড়ছে চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই, রাহাজানী, খুনসহ সহিংস ঘটনা। দিন-রাত সমানতালে বসে মাদকের আসর। অনেক বখাটে যুবক, মদ, গাঁজা, সেবন করে মাতাল হয়ে বাসায় ফিরে। আবার অনেকে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় উঠতি বয়সী মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে।

লালমনিরহাটের ছোট-বড় বিভিন্ন স্পটে প্রতিদিন বসে মদ, গাঁজার আসর। মদ, গাঁজা সেবন করে আজীবনের জন্যে ভারসাম্য হারিয়েছে একাধিক যুবক। প্রতিদিন মদ, গাঁজা সেবন করতে না পারলে পরিবারে টাকা-পয়সার জন্যে মা-বাবার ওপর নির্যাতন চালায়।

লালমনিরহাটের মাদক ব্যবসায়ীরা সব সময় ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। পুলিশ, বিজিবি, প্রশাসন রাত-দিন অভিযান চালিয়ে কিছুসংখ্যক ব্যবসায়ী ও সেবনকারী গ্রেফতার করলেও আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে বের হয়ে আসছে অপরাধীরা। লালমনিরহাটের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা দীর্ঘ দিন থেকে ব্যবসা করে আসছে। প্রশাসন তাদেরকে একাধিকবার গ্রেফতার করলেও ২/৩ মাস হাজত বাসের পর আবার বের হয়ে আসে। যথাযথ আইন না থাকায় মাদক ব্যবসায়ীরা নিয়মিতই ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।